| বিশ্লেষণ

যুবদল নেতা হত্যার ঘটনাকে ভারতীয় মিডিয়ায় হাসিনার রায় পরবর্তী সহিংসতা হিসেবে প্রচার

১৮ নভেম্বর ২০২৫


যুবদল নেতা হত্যার ঘটনাকে ভারতীয় মিডিয়ায় হাসিনার রায় পরবর্তী সহিংসতা হিসেবে প্রচার

গতকাল সোমবার ধাকায় যুবদল নেতা হত্যার ঘটনাকে হাসিনার রায় পরবর্তী সহিংসতা হিসেবে প্রচার করেছে ভারতীয় মিডিয়া আনন্দবাজার ইন্ডিয়া টুডে। অথচ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে শেখ হাসিনার রায় কিংবা এ সংক্রান্ত কোনো প্রতিক্রিয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।


আনন্দবাজার পত্রিকাটি শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার পর  “দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়াচ্ছে” উল্লেখ করে লিখেছে, “বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডেলি স্টার’ জানাচ্ছে, সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার পল্লবী থানা এলাকায় যুব দল (বিএনপি-র যুব শাখা)-এর এক কর্মীকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে।” ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনেও এই ঘটনার সাথে রায়ের কোনো সংযোগ নেই। 


ইন্ডিয়া টুডে তাদের প্রতিবেদনে এই হত্যাকাণ্ডকে রায় পরবর্তী সহিংসতা হিসেবে প্রচারের পাশাপাশি “আওয়ামীলীগ সমর্থকদের সাথে তাদের বিরোধীদের ও পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে” লিখেছে, যার কোনো সত্যতা নেই। গতকাল সোমবার রায়ের পর আওয়ামীলীগের সাথে সংঘর্ষের কোনো ঘটনা ঘটেনি। গণমাধ্যমটি এরপর তাদের প্রতিবেদনে একটি ভিডিও দিয়েছে, যেটি আদতে ধানমণ্ডি ৩২ নাম্বারের ঘটনা। সেখানে পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু এই আন্দোলনকারীরা আওয়ামী সমর্থক নন, তাঁরা রায়ের বিরোধিতাও করেননি।


উল্লেখ্য, ভারতীয় মিডিয়ায় "রায় পরবর্তী সহিংসতায়" যে দুজনের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের আরেকজন হলেন বরিশালের বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম (৩০)। শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর বাবুগঞ্জ উপজেলায় মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠানে দাওয়াত পাওয়া না–পাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষ ও এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানায় পুলিশ। 






Topics:

ভারতীয় গণমাধ্যম

বাংলাদেশিদের সব ধরনের ভিসা স্থগিত করেনি যুক্তরাষ্ট্র
১৫ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশিদের সব ধরনের ভিসা স্থগিত করেনি যুক্তরাষ্ট্র

দাগনভূঞায় সমীর দাসের লাশ উদ্ধার: পরিবার বলছে সাম্প্রদায়িক সম্পর্ক নেই,
ভারতীয় মিডিয়ায় সাম্প্রদায়িক বলে প্রচার
বিভ্রান্তিকর
১৩ জানুয়ারী ২০২৬

দাগনভূঞায় সমীর দাসের লাশ উদ্ধার: পরিবার বলছে সাম্প্রদায়িক সম্পর্ক নেই, ভারতীয় মিডিয়ায় সাম্প্রদায়িক বলে প্রচার

সুনামগঞ্জে জয় মহাপাত্রের মৃত্যু: আর্থিক লেনদেনের কারণকে ভারতীয় মিডিয়ায় সাম্প্রদায়িক বলে প্রচার
বিভ্রান্তিকর
১১ জানুয়ারী ২০২৬

সুনামগঞ্জে জয় মহাপাত্রের মৃত্যু: আর্থিক লেনদেনের কারণকে ভারতীয় মিডিয়ায় সাম্প্রদায়িক বলে প্রচার

অপরাধমূলক ঘটনাকে ভারতীয় মিডিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক রঙ চড়িয়ে অপপ্রচার
৭ জানুয়ারী ২০২৬

অপরাধমূলক ঘটনাকে ভারতীয় মিডিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক রঙ চড়িয়ে অপপ্রচার

“গুম হওয়া রাজনীতিকদের ৭৫%”-কে “জীবিত ফেরাদের ৭৫%” হিসেবে খবর প্রকাশ করেছে ডেইলি স্টার
৭ জানুয়ারী ২০২৬

“গুম হওয়া রাজনীতিকদের ৭৫%”-কে “জীবিত ফেরাদের ৭৫%” হিসেবে খবর প্রকাশ করেছে ডেইলি স্টার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



যুবদল নেতা হত্যার ঘটনাকে ভারতীয় মিডিয়ায় হাসিনার রায় পরবর্তী সহিংসতা হিসেবে প্রচার

বিশ্লেষণ

যুবদল নেতা হত্যার ঘটনাকে ভারতীয় মিডিয়ায় হাসিনার রায় পরবর্তী সহিংসতা হিসেবে প্রচার

১৮ নভেম্বর ২০২৫

<p dir="ltr">যুবদল নেতা হত্যার ঘটনাকে ভারতীয় মিডিয়ায় হাসিনার রায় পরবর্তী সহিংসতা হিসেবে প্রচার</p>

গতকাল সোমবার ধাকায় যুবদল নেতা হত্যার ঘটনাকে হাসিনার রায় পরবর্তী সহিংসতা হিসেবে প্রচার করেছে ভারতীয় মিডিয়া আনন্দবাজার ইন্ডিয়া টুডে। অথচ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে শেখ হাসিনার রায় কিংবা এ সংক্রান্ত কোনো প্রতিক্রিয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।


আনন্দবাজার পত্রিকাটি শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার পর  “দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়াচ্ছে” উল্লেখ করে লিখেছে, “বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডেলি স্টার’ জানাচ্ছে, সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার পল্লবী থানা এলাকায় যুব দল (বিএনপি-র যুব শাখা)-এর এক কর্মীকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে।” ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনেও এই ঘটনার সাথে রায়ের কোনো সংযোগ নেই। 


ইন্ডিয়া টুডে তাদের প্রতিবেদনে এই হত্যাকাণ্ডকে রায় পরবর্তী সহিংসতা হিসেবে প্রচারের পাশাপাশি “আওয়ামীলীগ সমর্থকদের সাথে তাদের বিরোধীদের ও পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে” লিখেছে, যার কোনো সত্যতা নেই। গতকাল সোমবার রায়ের পর আওয়ামীলীগের সাথে সংঘর্ষের কোনো ঘটনা ঘটেনি। গণমাধ্যমটি এরপর তাদের প্রতিবেদনে একটি ভিডিও দিয়েছে, যেটি আদতে ধানমণ্ডি ৩২ নাম্বারের ঘটনা। সেখানে পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু এই আন্দোলনকারীরা আওয়ামী সমর্থক নন, তাঁরা রায়ের বিরোধিতাও করেননি।


উল্লেখ্য, ভারতীয় মিডিয়ায় "রায় পরবর্তী সহিংসতায়" যে দুজনের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের আরেকজন হলেন বরিশালের বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম (৩০)। শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর বাবুগঞ্জ উপজেলায় মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠানে দাওয়াত পাওয়া না–পাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষ ও এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানায় পুলিশ।