| বিশ্লেষণ

গণভোটের রায় নিয়ে বণিকবার্তার বিভ্রান্তিকর বিশ্লেষণ

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


গণভোটের রায় নিয়ে বণিকবার্তার বিভ্রান্তিকর বিশ্লেষণ
বিভ্রান্তিকর

গণভোটে ভোটারদের রায় নিয়ে বিভ্রান্তিকর বিশ্লেষণ হাজির করেছে বণিকবার্তা। গণভোটের ফলাফলে দেখা যায়, হ্যাঁ ও না ভোটের অনুপাত যথাক্রমে ৬৮.৬০% ও ৩১.৪০%। কিন্তু বণিকবার্তার প্রতিবেদনে ভিন্ন ব্যাখ্যা উপস্থাপন করে বলা হয়, “৬২ দশমিক ৩৬ শতাংশ এই প্রস্তাবে অসম্মতি জানিয়ে ‘না’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছে ও ভোটদান থেকে বিরত ছিল।”  “ ‘না’ ভোট ও ভোটদানে বিরত থেকেছে মোট ভোটারের ৬২.৩৬%” শিরোনামের প্রতিবেদনে পত্রিকাটি এই ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে।


এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩। এর মধ্যে গণভোটে ভোট প্রদান করেছেন ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন, অর্থাৎ মোট ভোটারের ৬০.২৬ শতাংশ। হ্যাঁ এর পক্ষে বৈধ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০।


বণিকবার্তার প্রতিবেদনে মোট নিবন্ধিত ভোটারের কত শতাংশ ‘হ্যাঁ’-তে ভোট দিয়েছে, তার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত চিত্র বোঝার জন্য দেখা উচিত, যারা ভোটে অংশ নিয়েছেন তাদের মধ্যে কত শতাংশ ‘হ্যাঁ’ এবং কত শতাংশ ‘না’ ভোট দিয়েছেন। 


পত্রিকাটি লিখেছে, “এবারের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩। এর মধ্যে সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন ভোটার। সে অনুযায়ী, এবারের গণভোটে সংস্কার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে ভোট দিয়েছে মোট ভোটারের প্রায় ৩৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আর বাকি ৬২ দশমিক ৩৬ শতাংশ এ প্রস্তাবে অসম্মতি জানিয়ে ‘না’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছে ও ভোটদান থেকে বিরত ছিল।”

এভাবে ব্যাখ্যা দেওয়ার ফলে নির্বাচনে অংশ না নেওয়া জনগোষ্ঠীকেও ‘হ্যাঁ’-এর বিপক্ষে রয়েছে বলে ফ্রেমিং করা হয়েছে। অথচ যারা অংশ নেয়নি, তাঁরা কোন পক্ষে ছিলেন, তা জানার কোনো উপায় নেই। অর্থাৎ, বণিকবার্তার প্রতিবেদনে পরিসংখ্যান উপস্থাপনের এই পদ্ধতি বাস্তব জনমতকে বিকৃতভাবে প্রতিফলিত করেছে।





Topics:





অন্তর্বর্তী সরকারকে “অবৈধ” বলে আখ্যা: আওয়ামীলীগের পেইজের লেখা যখন কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে
৭ মার্চ ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারকে “অবৈধ” বলে আখ্যা: আওয়ামীলীগের পেইজের লেখা যখন কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে



অন্তর্বর্তী সরকারকে “অবৈধ” বলে আখ্যা: আওয়ামীলীগের পেইজের লেখা যখন কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে
৭ মার্চ ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারকে “অবৈধ” বলে আখ্যা: আওয়ামীলীগের পেইজের লেখা যখন কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে

বাংলাভিশনের বিভ্রান্তিকর শিরোনামে পাঠক মনে করছে দেশজুড়ে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব
বিভ্রান্তিকর
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বাংলাভিশনের বিভ্রান্তিকর শিরোনামে পাঠক মনে করছে দেশজুড়ে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব

বাংলাভিশনের বিভ্রান্তিকর শিরোনামে পাঠক মনে করছে দেশজুড়ে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব
বিভ্রান্তিকর
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বাংলাভিশনের বিভ্রান্তিকর শিরোনামে পাঠক মনে করছে দেশজুড়ে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব

‘দরিদ্র বাড়িয়ে বিদায় দারিদ্র্যের জাদুকরের’ শিরোনামে একযোগে ভুল সংবাদ প্রকাশ
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

‘দরিদ্র বাড়িয়ে বিদায় দারিদ্র্যের জাদুকরের’ শিরোনামে একযোগে ভুল সংবাদ প্রকাশ

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



গণভোটের রায় নিয়ে বণিকবার্তার বিভ্রান্তিকর বিশ্লেষণ

বিশ্লেষণ

গণভোটের রায় নিয়ে বণিকবার্তার বিভ্রান্তিকর বিশ্লেষণ

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

<p><span style="font-size: 24px;">গণভোটের রায় নিয়ে বণিকবার্তার বিভ্রান্তিকর বিশ্লেষণ</span><br /></p>

গণভোটে ভোটারদের রায় নিয়ে বিভ্রান্তিকর বিশ্লেষণ হাজির করেছে বণিকবার্তা। গণভোটের ফলাফলে দেখা যায়, হ্যাঁ ও না ভোটের অনুপাত যথাক্রমে ৬৮.৬০% ও ৩১.৪০%। কিন্তু বণিকবার্তার প্রতিবেদনে ভিন্ন ব্যাখ্যা উপস্থাপন করে বলা হয়, “৬২ দশমিক ৩৬ শতাংশ এই প্রস্তাবে অসম্মতি জানিয়ে ‘না’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছে ও ভোটদান থেকে বিরত ছিল।”  “ ‘না’ ভোট ও ভোটদানে বিরত থেকেছে মোট ভোটারের ৬২.৩৬%” শিরোনামের প্রতিবেদনে পত্রিকাটি এই ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে।


এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩। এর মধ্যে গণভোটে ভোট প্রদান করেছেন ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন, অর্থাৎ মোট ভোটারের ৬০.২৬ শতাংশ। হ্যাঁ এর পক্ষে বৈধ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০।


বণিকবার্তার প্রতিবেদনে মোট নিবন্ধিত ভোটারের কত শতাংশ ‘হ্যাঁ’-তে ভোট দিয়েছে, তার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত চিত্র বোঝার জন্য দেখা উচিত, যারা ভোটে অংশ নিয়েছেন তাদের মধ্যে কত শতাংশ ‘হ্যাঁ’ এবং কত শতাংশ ‘না’ ভোট দিয়েছেন। 


পত্রিকাটি লিখেছে, “এবারের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩। এর মধ্যে সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন ভোটার। সে অনুযায়ী, এবারের গণভোটে সংস্কার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে ভোট দিয়েছে মোট ভোটারের প্রায় ৩৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আর বাকি ৬২ দশমিক ৩৬ শতাংশ এ প্রস্তাবে অসম্মতি জানিয়ে ‘না’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছে ও ভোটদান থেকে বিরত ছিল।”

এভাবে ব্যাখ্যা দেওয়ার ফলে নির্বাচনে অংশ না নেওয়া জনগোষ্ঠীকেও ‘হ্যাঁ’-এর বিপক্ষে রয়েছে বলে ফ্রেমিং করা হয়েছে। অথচ যারা অংশ নেয়নি, তাঁরা কোন পক্ষে ছিলেন, তা জানার কোনো উপায় নেই। অর্থাৎ, বণিকবার্তার প্রতিবেদনে পরিসংখ্যান উপস্থাপনের এই পদ্ধতি বাস্তব জনমতকে বিকৃতভাবে প্রতিফলিত করেছে।