| বিশ্লেষণ

বিদ্যুৎ বিল বিতর্ক ও তদন্তের আগে-পরে গণমাধ্যমের ফ্রেমিংয়ের পরিবর্তন

৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিদ্যুৎ বিল বিতর্ক ও তদন্তের আগে-পরে গণমাধ্যমের ফ্রেমিংয়ের পরিবর্তন

গাজীপুরের কলেজছাত্র সিফাত আব্দুল্লাহর গ্রেফতার এবং তাঁর বিদ্যুৎ বিল নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্কটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। লোডশেডিং ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে করা একটি ভিডিও বার্তার জেরে তাঁর গ্রেফতার হওয়া থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত ঘটনাপ্রবাহ গণমাধ্যমের সংবাদ পরিবেশন, ফ্রেমিং ও জবাবদিহিতাকে পর্যবেক্ষণ করলে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্যাটার্ন লক্ষ্য করা যায়। 


বিশেষ করে গ্রেফতারের প্রথম দিকে গণমাধ্যমের ফ্রেমিং এবং পরবর্তীতে বিদ্যুৎ বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর তাদের তথ্য উপস্থাপনের ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কীভাবে গণমাধ্যম অনেক সময় গভীর অনুসন্ধানের চেয়ে চলতি বয়ানে হাওয়া দেয়ার পক্ষপাতী হয়। 


গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে গাজীপুর মহানগরের গাছা এলাকা থেকে সিফাত আব্দুল্লাহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে, সিফাতের ফেসবুক পেজে ১ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও  আপলোড করা হয়, এতে তিনি অভিযোগ করেন যে, তাঁর বাসায় চলতি মাসে ৪ হাজার এবং আগের মাসে ৫ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল এসেছে। ক্ষোভ প্রকাশের একপর্যায়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্দেশে অশালীন ভাষা ব্যবহার ও কটূক্তি করেন। 


সিফাতকে আটকের পরপরই মূলধারার গণমাধ্যমগুলোর কভারেজে একমুখী ফ্রেমিং লক্ষ্য করা যায়। অধিকাংশ গণমাধ্যমের শিরোনাম ছিল অত্যন্ত একপেশে; যেমন—আজকের পত্রিকার “অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল: ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে তরুণকে আটক” বা ঢাকাপোস্টে “বিদ্যুৎ বিল বেশি আসায় প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, যুবক আটক”। অথচ সিফাত তাঁর ভিডিওতে যে ৪ হাজার ও ৫ হাজার টাকা বিলের কাগজ দেখিয়েছিলেন, সেই বিলের সত্যতা নিয়ে প্রথম দিকে বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেনি গণমাধ্যম। ফলে সিফাতকে কেবল একজন কটূক্তিকারী হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়। একইসাথে এমনভাবে শিরোনাম দেয়া হয়, যেন, বিদ্যুৎ বিল বেশি এসেছে– এ অভিযোগ সত্যি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।


আবার ইত্তেফাক শিরোনামে বিদ্যুৎ বিলের প্রসঙ্গ এড়িয়ে যায় শিরোনামে। তারা লেখে “প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করা সেই যুবক গ্রেপ্তার”। একই পন্থা অবলম্বন করে দৈনিক এদিন। 


প্রথম আলো ও বাংলা ট্রিবিউন অভিযুক্তের মুক্তির দাবিতে এনসিপির নেতাকর্মীদের অবস্থানকেও হাইলাইট করে। 


গত ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর বোর্ড বাজার জোনাল অফিস সিফাতের বাড়ির বিদ্যুৎ বিলের ওপর একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর গণমাধ্যমের ফ্রেমিংয়ে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তদন্ত প্রকাশের পর আজকের পত্রিকার সংবাদের শিরোনাম ছিল "বিদ্যুৎ বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদন: সিফাতের বিদ্যুৎ বিলে অনিয়ম নেই"। সময় টিভি ফটোকার্ডে প্রকাশ করে “পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে বেরিয়ে এলো বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সিফাতের দেয়া অভিযোগ মিথ্যা।” ভোরের কাগজ সংবাদ করে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সিফাতের অভিযোগ, তদন্তে ভিন্ন তথ্য । ঢাকা পোস্ট তাদের সংবাদের শিরোনাম দেয় “রিডিং ও বিল তৈরিতে কোনো অনিয়ম নেই বলছে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি”। বাংলানিউজ২৪ শিরোনাম দেয়, “সেই সিফাতের বাসার বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুতে অনিয়ম নেই।”  


তদন্তে উঠে আসে সিফাতদের দোতলা বাড়িতে মোট ৩টি আবাসিক বিদ্যুৎ মিটার রয়েছে। প্রথম মিটারে মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৪ মাসে মোট ৩২০ ইউনিট ব্যবহারে বিল ২,৩৫৪ টাকা। দ্বিতীয় মিটারে ১,১৩৫ ইউনিট ব্যবহারে ৯,৩৮৭ টাকা। এবং তৃতীয় মিটারে ৬২৫ ইউনিট ব্যবহারে ৪,৫৩২ টাকা বিল এসেছে। মে থেকে আগস্ট—এই ৪ মাসে ৩টি মিটারে মোট ২,০৮০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে মোট বিল এসেছে ১৬,২৭৩ টাকা। প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্মকর্তারা সিফাতের বাড়িতে গিয়ে ইলেকট্রিক পণ্যের তালিকা সংগ্রহ করতে চাইলে বাড়ির লোকজন গেট বন্ধ করে দেয় ও অস্বীকৃতি জানায়। 


মিটারের বিল বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিনটি মিটার মিলিয়ে জুলাইয়ে বিল আসে ৬ হাজার ৪০৯ টাকা, আগস্টে তা কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ২৭২ টাকায়। মিটারপ্রতি গড়ে  জুলাইয়ে ২,১৩৬.৩৩ টাকা ও আগস্টে ১,৪২৪.০০ টাকা বিল এসেছে, যা অস্বাভাবিক নয়। সিফাত তাঁর ভিডিওতে জুলাই ও আগস্ট মাসে প্রায় ১০ হাজার টাকা বিল দেওয়ার কথা বললেও কতটি মিটারের বিপরীতে বিল পরিশোধ করেছেন, তা উল্লেখ করেননি।





Topics:



‘রিকনসিলিয়েশন’ শব্দের অপব্যাখ্যা করে অনলাইনে প্রোপাগান্ডায় মেতে উঠেছেন আওয়ামীপন্থীরা
৮ অক্টোবর ২০২৬

‘রিকনসিলিয়েশন’ শব্দের অপব্যাখ্যা করে অনলাইনে প্রোপাগান্ডায় মেতে উঠেছেন আওয়ামীপন্থীরা

৩১ বছরের ময়নাতদন্তকারী ডাক্তারের নামে প্রচারিত পরজীবী ও বায়োফিল্মের গল্পটি ভুয়া
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৩১ বছরের ময়নাতদন্তকারী ডাক্তারের নামে প্রচারিত পরজীবী ও বায়োফিল্মের গল্পটি ভুয়া

মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করে কাল্পনিক বয়ান ছড়াচ্ছেন সালাহউদ্দীন শোয়েব চৌধুরী
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করে কাল্পনিক বয়ান ছড়াচ্ছেন সালাহউদ্দীন শোয়েব চৌধুরী

নিরঞ্জনকে হত্যার কারণ উদঘাটনের আগেই সাম্প্রদায়িক রঙ চড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করল ভারতীয় গণমাধ্যম
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিরঞ্জনকে হত্যার কারণ উদঘাটনের আগেই সাম্প্রদায়িক রঙ চড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করল ভারতীয় গণমাধ্যম



নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের কারণে নয়, গ্রেপ্তারে অবহেলার অভিযোগে এসআই ক্লোজড
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের কারণে নয়, গ্রেপ্তারে অবহেলার অভিযোগে এসআই ক্লোজড

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



বিদ্যুৎ বিল বিতর্ক ও তদন্তের আগে-পরে গণমাধ্যমের ফ্রেমিংয়ের পরিবর্তন

বিশ্লেষণ

বিদ্যুৎ বিল বিতর্ক ও তদন্তের আগে-পরে গণমাধ্যমের ফ্রেমিংয়ের পরিবর্তন

৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

<p>বিদ্যুৎ বিল বিতর্ক ও তদন্তের আগে-পরে গণমাধ্যমের ফ্রেমিংয়ের পরিবর্তন<br /></p>

গাজীপুরের কলেজছাত্র সিফাত আব্দুল্লাহর গ্রেফতার এবং তাঁর বিদ্যুৎ বিল নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্কটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। লোডশেডিং ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে করা একটি ভিডিও বার্তার জেরে তাঁর গ্রেফতার হওয়া থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত ঘটনাপ্রবাহ গণমাধ্যমের সংবাদ পরিবেশন, ফ্রেমিং ও জবাবদিহিতাকে পর্যবেক্ষণ করলে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্যাটার্ন লক্ষ্য করা যায়। 


বিশেষ করে গ্রেফতারের প্রথম দিকে গণমাধ্যমের ফ্রেমিং এবং পরবর্তীতে বিদ্যুৎ বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর তাদের তথ্য উপস্থাপনের ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কীভাবে গণমাধ্যম অনেক সময় গভীর অনুসন্ধানের চেয়ে চলতি বয়ানে হাওয়া দেয়ার পক্ষপাতী হয়। 


গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে গাজীপুর মহানগরের গাছা এলাকা থেকে সিফাত আব্দুল্লাহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে, সিফাতের ফেসবুক পেজে ১ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও  আপলোড করা হয়, এতে তিনি অভিযোগ করেন যে, তাঁর বাসায় চলতি মাসে ৪ হাজার এবং আগের মাসে ৫ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল এসেছে। ক্ষোভ প্রকাশের একপর্যায়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্দেশে অশালীন ভাষা ব্যবহার ও কটূক্তি করেন। 


সিফাতকে আটকের পরপরই মূলধারার গণমাধ্যমগুলোর কভারেজে একমুখী ফ্রেমিং লক্ষ্য করা যায়। অধিকাংশ গণমাধ্যমের শিরোনাম ছিল অত্যন্ত একপেশে; যেমন—আজকের পত্রিকার “অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল: ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে তরুণকে আটক” বা ঢাকাপোস্টে “বিদ্যুৎ বিল বেশি আসায় প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, যুবক আটক”। অথচ সিফাত তাঁর ভিডিওতে যে ৪ হাজার ও ৫ হাজার টাকা বিলের কাগজ দেখিয়েছিলেন, সেই বিলের সত্যতা নিয়ে প্রথম দিকে বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেনি গণমাধ্যম। ফলে সিফাতকে কেবল একজন কটূক্তিকারী হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়। একইসাথে এমনভাবে শিরোনাম দেয়া হয়, যেন, বিদ্যুৎ বিল বেশি এসেছে– এ অভিযোগ সত্যি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।


আবার ইত্তেফাক শিরোনামে বিদ্যুৎ বিলের প্রসঙ্গ এড়িয়ে যায় শিরোনামে। তারা লেখে “প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করা সেই যুবক গ্রেপ্তার”। একই পন্থা অবলম্বন করে দৈনিক এদিন। 


প্রথম আলো ও বাংলা ট্রিবিউন অভিযুক্তের মুক্তির দাবিতে এনসিপির নেতাকর্মীদের অবস্থানকেও হাইলাইট করে। 


গত ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর বোর্ড বাজার জোনাল অফিস সিফাতের বাড়ির বিদ্যুৎ বিলের ওপর একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর গণমাধ্যমের ফ্রেমিংয়ে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তদন্ত প্রকাশের পর আজকের পত্রিকার সংবাদের শিরোনাম ছিল "বিদ্যুৎ বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদন: সিফাতের বিদ্যুৎ বিলে অনিয়ম নেই"। সময় টিভি ফটোকার্ডে প্রকাশ করে “পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে বেরিয়ে এলো বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সিফাতের দেয়া অভিযোগ মিথ্যা।” ভোরের কাগজ সংবাদ করে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সিফাতের অভিযোগ, তদন্তে ভিন্ন তথ্য । ঢাকা পোস্ট তাদের সংবাদের শিরোনাম দেয় “রিডিং ও বিল তৈরিতে কোনো অনিয়ম নেই বলছে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি”। বাংলানিউজ২৪ শিরোনাম দেয়, “সেই সিফাতের বাসার বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুতে অনিয়ম নেই।”  


তদন্তে উঠে আসে সিফাতদের দোতলা বাড়িতে মোট ৩টি আবাসিক বিদ্যুৎ মিটার রয়েছে। প্রথম মিটারে মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৪ মাসে মোট ৩২০ ইউনিট ব্যবহারে বিল ২,৩৫৪ টাকা। দ্বিতীয় মিটারে ১,১৩৫ ইউনিট ব্যবহারে ৯,৩৮৭ টাকা। এবং তৃতীয় মিটারে ৬২৫ ইউনিট ব্যবহারে ৪,৫৩২ টাকা বিল এসেছে। মে থেকে আগস্ট—এই ৪ মাসে ৩টি মিটারে মোট ২,০৮০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে মোট বিল এসেছে ১৬,২৭৩ টাকা। প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্মকর্তারা সিফাতের বাড়িতে গিয়ে ইলেকট্রিক পণ্যের তালিকা সংগ্রহ করতে চাইলে বাড়ির লোকজন গেট বন্ধ করে দেয় ও অস্বীকৃতি জানায়। 


মিটারের বিল বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিনটি মিটার মিলিয়ে জুলাইয়ে বিল আসে ৬ হাজার ৪০৯ টাকা, আগস্টে তা কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ২৭২ টাকায়। মিটারপ্রতি গড়ে  জুলাইয়ে ২,১৩৬.৩৩ টাকা ও আগস্টে ১,৪২৪.০০ টাকা বিল এসেছে, যা অস্বাভাবিক নয়। সিফাত তাঁর ভিডিওতে জুলাই ও আগস্ট মাসে প্রায় ১০ হাজার টাকা বিল দেওয়ার কথা বললেও কতটি মিটারের বিপরীতে বিল পরিশোধ করেছেন, তা উল্লেখ করেননি।