| বিশ্লেষণ
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরে প্রটোকল সীমিত করেছে সরকার, নতুন রীতি অনুযায়ী নির্দিষ্ট চারজনই উপস্থিত ছিলেন
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভিআইপি সংস্কৃতি ও সময়ের অপচয় কমাতে বিমানবন্দরে পরিমার্জিত প্রটোকল অনুসরণের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ভুল ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব পোস্টে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে কেন তিন বাহিনীর প্রধান বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন না।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০২৬ সালের ৫ মার্চের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচারে বড় ধরণের পরিবর্তন আনা হয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিমানবন্দরে সর্বসাকুল্যে চারজন নির্দিষ্ট কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবেন: মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম একজন মন্ত্রী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা ত্যাগের সময় এই নতুন প্রটোকল মেনেই স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিব উপস্থিত থেকে তাঁকে বিদায় জানান।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে, ২০২৩ সালের নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, সচিব ও গোয়েন্দা প্রধানসহ বিশাল বহরকে প্রটোকল দিতে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকতে হতো। জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রটোকল ছোট করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন সরকার পরিমার্জিত নীতি জারি করে।
Topics:
‘রিকনসিলিয়েশন’ শব্দের অপব্যাখ্যা করে অনলাইনে প্রোপাগান্ডায় মেতে উঠেছেন আওয়ামীপন্থীরা
৩১ বছরের ময়নাতদন্তকারী ডাক্তারের নামে প্রচারিত পরজীবী ও বায়োফিল্মের গল্পটি ভুয়া
মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করে কাল্পনিক বয়ান ছড়াচ্ছেন সালাহউদ্দীন শোয়েব চৌধুরী
নিরঞ্জনকে হত্যার কারণ উদঘাটনের আগেই সাম্প্রদায়িক রঙ চড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করল ভারতীয় গণমাধ্যম
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের কারণে নয়, গ্রেপ্তারে অবহেলার অভিযোগে এসআই ক্লোজড
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
ছিনতাইয়ের পর হত্যার ঘটনাকে ভারতীয় মিডিয়ায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বলে প্রচার
অন্তর্বর্তী সরকারকে “অবৈধ” বলে আখ্যা: আওয়ামীলীগের পেইজের লেখা যখন কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে
ওসমান হাদির ঘটনায় ভারতীয় মিডিয়ায় আবারও “গ্রেটার বাংলাদেশ” অপপ্রচার
ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের প্যারোলে আবেদন যশোরে নয়, করা হয়েছিল বাগেরহাটে
বিশ্লেষণ
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরে প্রটোকল সীমিত করেছে সরকার, নতুন রীতি অনুযায়ী নির্দিষ্ট চারজনই উপস্থিত ছিলেন
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভিআইপি সংস্কৃতি ও সময়ের অপচয় কমাতে বিমানবন্দরে পরিমার্জিত প্রটোকল অনুসরণের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ভুল ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব পোস্টে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে কেন তিন বাহিনীর প্রধান বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন না।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০২৬ সালের ৫ মার্চের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচারে বড় ধরণের পরিবর্তন আনা হয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিমানবন্দরে সর্বসাকুল্যে চারজন নির্দিষ্ট কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবেন: মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম একজন মন্ত্রী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা ত্যাগের সময় এই নতুন প্রটোকল মেনেই স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিব উপস্থিত থেকে তাঁকে বিদায় জানান।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে, ২০২৩ সালের নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, সচিব ও গোয়েন্দা প্রধানসহ বিশাল বহরকে প্রটোকল দিতে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকতে হতো। জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রটোকল ছোট করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন সরকার পরিমার্জিত নীতি জারি করে।