| এক্সপ্লেইনার | এক্সপ্লেইন
গণভোট বাতিল হয়নি, গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ
৪ এপ্রিল ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারিকৃতি “গণভোট অধ্যাদেশ” সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, ফলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাচ্ছে। গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলকে গণভোট বাতিল হিসেবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তই ছড়ানো হচ্ছে।
গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের সংবাদ আসার পর পাবনা-১আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনতাঁর ফেসবুক পেজে গত ৩০ মার্চ একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করে বলেছেন, ‘গণভোট বাতিল করে জনমতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোটা সরকারের দুঃসাহস।’ ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহেদুল ইসলাম আজ “গণভোট ও জুলাই সনদ” বাতিল হচ্ছে মর্মে একটি পোস্ট দেন। এছাড়া গণমাধ্যম আরটিভি গত ২ এপ্রিল একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করে, যার শিরোনাম ছিল “বাতিল হয়ে যাচ্ছে গণভোেট ও অন্তর্বর্তী আমলের ১৫ অধ্যাদেশ”। যদিও সংবাদটি গণভোট অধ্যাদেশসহ ১৫টি অধ্যাদেশ বাতিল নিয়ে করা হয়েছে, এটির শিরোনামের প্রথমাংশে “বাতিল হয়ে যাচ্ছে গণভোেট” লেখায় অনেকে বিভ্রান্ত হয়েছেন। ১ লাখের বেশি প্রতিক্রিয়া হওয়া পোস্টটিতে অধিকাংশ ব্যবহারকারীকে “গণভোট বাতিল হয়েছে” ধরে নিয়ে মন্তব্য করতে দেখা যায়।
গণভোট বাতিল হওয়ার এই দাবিগুলো সত্য নয়। সরকারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গণভোট অধ্যাদেশ অনুযায়ী গণভোট অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে, ভবিষ্যতে এটির কোনো ব্যবহার না থাকায় অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করা হচ্ছে না। অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে গণভোট বাতিল হয়ে যাচ্ছে না, বা অবৈধ হচ্ছে না। উল্লেখ্য, গণভোট অধ্যাদেশটি নির্দিষ্টভাবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি উনুষ্ঠিত গণভোটের জন্য ছিল, ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সাধারণ গণভোটের জন্য নয়। এ ছাড়া জুলাই সনদ বাতিল হওয়ার দাবিটিও মিথ্যা। বরং সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গিকার ব্যক্ত করা হয়েছে।Topics:
গণভোট গণভোট অধ্যাদেশ
ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুজন ভারতে আটক
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্য গণনাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ভাবে উপস্থাপন
জাতিসংঘ কখন কোন অবস্থায় নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠায়
সুরভীর বিরুদ্ধে মামলায় ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, পুলিশের ‘বেনামি’ বরাতে গণমাধ্যম বানাল ৫০ কোটি
ব্যাক্তিগত কৃতিত্ব নয়, বাংলাদেশের কৃষক ও জনগণের সক্ষমতার কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
ফেব্রুয়ারিতে রাজনৈতিক সহিংসতায় ১০৪ হত্যাকাণ্ড: বিভ্রান্তিকর সংবাদ বিশ্লেষণ
মন্দিরে হামলা নয়, রেলওয়ের জমিতে মন্দির তৈরি নিয়ে কলহ
‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা যে কোনো সময় তুলে নেয়া’র কথা বলেননি প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
সুরভীর বিরুদ্ধে মামলায় ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, পুলিশের ‘বেনামি’ বরাতে গণমাধ্যম বানাল ৫০ কোটি
এক্সপ্লেইনার
গণভোট বাতিল হয়নি, গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ
৪ এপ্রিল ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারিকৃতি “গণভোট অধ্যাদেশ” সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, ফলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাচ্ছে। গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলকে গণভোট বাতিল হিসেবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তই ছড়ানো হচ্ছে।
গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের সংবাদ আসার পর পাবনা-১আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনতাঁর ফেসবুক পেজে গত ৩০ মার্চ একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করে বলেছেন, ‘গণভোট বাতিল করে জনমতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোটা সরকারের দুঃসাহস।’ ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহেদুল ইসলাম আজ “গণভোট ও জুলাই সনদ” বাতিল হচ্ছে মর্মে একটি পোস্ট দেন। এছাড়া গণমাধ্যম আরটিভি গত ২ এপ্রিল একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করে, যার শিরোনাম ছিল “বাতিল হয়ে যাচ্ছে গণভোেট ও অন্তর্বর্তী আমলের ১৫ অধ্যাদেশ”। যদিও সংবাদটি গণভোট অধ্যাদেশসহ ১৫টি অধ্যাদেশ বাতিল নিয়ে করা হয়েছে, এটির শিরোনামের প্রথমাংশে “বাতিল হয়ে যাচ্ছে গণভোেট” লেখায় অনেকে বিভ্রান্ত হয়েছেন। ১ লাখের বেশি প্রতিক্রিয়া হওয়া পোস্টটিতে অধিকাংশ ব্যবহারকারীকে “গণভোট বাতিল হয়েছে” ধরে নিয়ে মন্তব্য করতে দেখা যায়।
গণভোট বাতিল হওয়ার এই দাবিগুলো সত্য নয়। সরকারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গণভোট অধ্যাদেশ অনুযায়ী গণভোট অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে, ভবিষ্যতে এটির কোনো ব্যবহার না থাকায় অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করা হচ্ছে না। অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে গণভোট বাতিল হয়ে যাচ্ছে না, বা অবৈধ হচ্ছে না। উল্লেখ্য, গণভোট অধ্যাদেশটি নির্দিষ্টভাবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি উনুষ্ঠিত গণভোটের জন্য ছিল, ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সাধারণ গণভোটের জন্য নয়। এ ছাড়া জুলাই সনদ বাতিল হওয়ার দাবিটিও মিথ্যা। বরং সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গিকার ব্যক্ত করা হয়েছে।