| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
মাইন পুঁততে বাংলাদেশে এসে ধরা খেল বিএসএফের ‘গুপ্তচর’ দাবি করে ভিন্ন ঘটনার ভিডিও প্রচার
৮ জুন ২০২৬
মাইন পুঁততে বাংলাদেশে এসে ভারতীয় ‘গুপ্তচর’ আটক -এমন দাবিতে একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন) প্রবণতা বেড়েছে। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে।
‘The Student Journal’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা ভিডিও ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “মাইন পাতার জন্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফ-এর এক গুপ্তচর'কে আটক করেছে বিজিবি”। পোস্টটিতে এ পর্যন্ত ১ লক্ষ ৮৮ হাজারেরও বেশি রিঅ্যাকশন এবং এবং সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি মন্তব্য পড়েছে।
‘@asia_decode2’ ও ‘@revolt_71’ নামের এক্স হ্যান্ডেল থেকেওে ভিডিওটি বেশ ভাইরাল হয়। ভিডিওটি ছড়িয়ে ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “Indian BSF "spy" infiltrates Bangladesh to plant mines, gets immediately vibe-checked by Bangladeshi BGB with sticks and fists.”
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটির সাথে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন মুন্সিগঞ্জে কেন্দ্রের কাছে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সে সময় সেনাবাহিনী তাড়া করে কয়েকজনকে আটক করে। এটি সেই ঘটনারই ভিডিও ফুটেজ।
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘Amar Bikrampur’ নামের ইউটিউব চ্যানেলে ১২ ফেব্রুয়ারি ‘মুন্সিগঞ্জের মোল্লাকান্দিতে আলু ক্ষেতে দৌড়ে ৫ জনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী | ককটেল বিস্ফোরণের পর’ শিরোনামে প্রচারিত ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়।
এছাড়াও, একাধিক সংবাদমাধ্যমে ভিডিওটি গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রচার হতে দেখা যায়। জানা যায়, মুন্সিগঞ্জে কেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে এবং সেই ঘটনায় তাড়া করে কয়েকজনকে আটক করে সেনাবাহিনী।
অর্থাৎ, ভিন্ন ঘটনার ভিডিও দিয়ে সীমান্ত উত্তেজনার ভিডিও দাবি করে ছড়ানো হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর।
Topics:
শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার এই ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার
সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফেনীতে বাইকে আগুন দেওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২১ সালের
পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
রাষ্ট্রপতিকে জড়িয়ে এমপি ফজলুর রহমানের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শিল্পকলা একাডেমিতে অন্তত ২২৪টি অনুষ্ঠান হয়েছে, বাধার সৃষ্টি হয়েছে ১টিতে
অবসর প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্যকে বিকৃত করে প্রচার
ভিডিওটি ভারতে বাংলাদেশি তাড়ানোর নয়, গরু ব্যবসায়ীদের ওপর বিজেপি নেতার হামলার ঘটনার
ফ্যাক্ট চেক
মাইন পুঁততে বাংলাদেশে এসে ধরা খেল বিএসএফের ‘গুপ্তচর’ দাবি করে ভিন্ন ঘটনার ভিডিও প্রচার
৮ জুন ২০২৬
মাইন পুঁততে বাংলাদেশে এসে ভারতীয় ‘গুপ্তচর’ আটক -এমন দাবিতে একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন) প্রবণতা বেড়েছে। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে।
‘The Student Journal’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা ভিডিও ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “মাইন পাতার জন্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফ-এর এক গুপ্তচর'কে আটক করেছে বিজিবি”। পোস্টটিতে এ পর্যন্ত ১ লক্ষ ৮৮ হাজারেরও বেশি রিঅ্যাকশন এবং এবং সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি মন্তব্য পড়েছে।
‘@asia_decode2’ ও ‘@revolt_71’ নামের এক্স হ্যান্ডেল থেকেওে ভিডিওটি বেশ ভাইরাল হয়। ভিডিওটি ছড়িয়ে ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “Indian BSF "spy" infiltrates Bangladesh to plant mines, gets immediately vibe-checked by Bangladeshi BGB with sticks and fists.”
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটির সাথে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন মুন্সিগঞ্জে কেন্দ্রের কাছে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সে সময় সেনাবাহিনী তাড়া করে কয়েকজনকে আটক করে। এটি সেই ঘটনারই ভিডিও ফুটেজ।
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘Amar Bikrampur’ নামের ইউটিউব চ্যানেলে ১২ ফেব্রুয়ারি ‘মুন্সিগঞ্জের মোল্লাকান্দিতে আলু ক্ষেতে দৌড়ে ৫ জনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী | ককটেল বিস্ফোরণের পর’ শিরোনামে প্রচারিত ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়।
এছাড়াও, একাধিক সংবাদমাধ্যমে ভিডিওটি গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রচার হতে দেখা যায়। জানা যায়, মুন্সিগঞ্জে কেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে এবং সেই ঘটনায় তাড়া করে কয়েকজনকে আটক করে সেনাবাহিনী।
অর্থাৎ, ভিন্ন ঘটনার ভিডিও দিয়ে সীমান্ত উত্তেজনার ভিডিও দাবি করে ছড়ানো হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর।