| ফ্যাক্ট চেক | ধর্মীয়

আহত মুসলিম নারীকে ধর্ষিত হিন্দু নারী দাবি করে অপপ্রচার

৩০ জুন ২০২৫


আহত মুসলিম নারীকে ধর্ষিত হিন্দু নারী দাবি করে অপপ্রচার
মিথ্যা

সম্প্রতি হাত-পা বাঁধা ও পলিথিনে মোড়ানো এক নারীর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, ওই নারী হিন্দু এবং তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

আলোচিত দাবি নিয়ে বাংলাফ্যাক্টের অনুসন্ধানে জানা যায়, আক্রান্ত নারী হিন্দু সম্প্রদায়ের নন এবং এ ঘটনায় ধর্ষণের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

মূলধারার একাধিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, আক্রান্ত ওই নারী একজন মুসলিম। তাঁর নাম মারিয়া বেগম। অন্ত:সত্ত্বা ওই নারীর অভিযোগ, গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে স্বামীর সাবেক স্ত্রীর ভাইয়েরা তাঁকে নির্যাতন করে হাত-পা বেঁধে পলিথিনে মুড়িয়ে রেখে যান।



Topics:



হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
মিথ্যা
২৪ আগস্ট ২০২৬

হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার

শ্রীপুরের হারিন্দি গ্রামে হিন্দু নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দাবিটি মিথ্যা
মিথ্যা
১৯ আগস্ট ২০২৬

শ্রীপুরের হারিন্দি গ্রামে হিন্দু নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দাবিটি মিথ্যা

পাহাড়ে মুসলিমদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ভিডিওকে ভুল তথ্য জুড়ে প্রচার
মিথ্যা
১৮ আগস্ট ২০২৬

পাহাড়ে মুসলিমদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ভিডিওকে ভুল তথ্য জুড়ে প্রচার

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ইসলামপন্থীদের হামলার দাবিটি মিথ্যা;
ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের আসামের
৬ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ইসলামপন্থীদের হামলার দাবিটি মিথ্যা; ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের আসামের

পথনাটকে অভিনয়ের দৃশ্যকে দেশে হিন্দু তরুণী মুখ বেঁধে নির্যাতনের দাবি করে প্রচার
মিথ্যা
৩০ জুন ২০২৬

পথনাটকে অভিনয়ের দৃশ্যকে দেশে হিন্দু তরুণী মুখ বেঁধে নির্যাতনের দাবি করে প্রচার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



আহত মুসলিম নারীকে ধর্ষিত হিন্দু নারী দাবি করে অপপ্রচার

ফ্যাক্ট চেক

আহত মুসলিম নারীকে ধর্ষিত হিন্দু নারী দাবি করে অপপ্রচার

৩০ জুন ২০২৫

আহত মুসলিম নারীকে ধর্ষিত হিন্দু নারী দাবি করে অপপ্রচার

সম্প্রতি হাত-পা বাঁধা ও পলিথিনে মোড়ানো এক নারীর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, ওই নারী হিন্দু এবং তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

আলোচিত দাবি নিয়ে বাংলাফ্যাক্টের অনুসন্ধানে জানা যায়, আক্রান্ত নারী হিন্দু সম্প্রদায়ের নন এবং এ ঘটনায় ধর্ষণের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

মূলধারার একাধিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, আক্রান্ত ওই নারী একজন মুসলিম। তাঁর নাম মারিয়া বেগম। অন্ত:সত্ত্বা ওই নারীর অভিযোগ, গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে স্বামীর সাবেক স্ত্রীর ভাইয়েরা তাঁকে নির্যাতন করে হাত-পা বেঁধে পলিথিনে মুড়িয়ে রেখে যান।