| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

সহিংসতার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

৮ জুলাই ২০২৫


সহিংসতার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
বিভ্রান্তিকর

এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি বাংলাদেশের ঘটনা। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি রাস্তার গলিতে এক ব্যক্তি এক যুবককে তরবারি সদৃশ অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করছেন। আহত যুবক হাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাকে আঘাত করা হচ্ছে। এমন সময় পাশে আরেকজন যুবক চেয়ার হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের মুম্বাইয়ের ওয়াডালা (পূর্ব) এলাকায় স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তি এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। সেই ঘটনার দৃশ্য এটি।
আলোচিত দাবিটি যাচাইয়ে ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে ভারতীয় বেসরকারি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান টাইমসনাও- এর ওয়েবসাইটে গত ৩ জুলাই প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর দৃশ্যের মিল পাওয়া যায়।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২ জুলাই ভারতের মুম্বাইয়ের ওয়াডালা (পূর্ব) এলাকায় জুনায়েদ মুন্নু খান নামে এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে শাহরুখ নামের এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আহত করে। পরবর্তীতে পুলিশ এসে আহত শাহরুখকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এঘটনায় জুনাইদ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
পুলিশের বরাতে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, আহত শাহরুখের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জুনায়েদ মুন্নু খানকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এই ঘটনার পিছনের আসল কারণ বের করার জন্য তদন্ত চলছে।
ভারতের একাধিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানেও একই ঘটনায় সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
অর্থাৎ, ভারতে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার ভিডিওকে বাংলাদেশের দাবিতে ইন্টারনেটে প্রচার করা হচ্ছে; যা বিভ্রান্তিকর।



Topics:




স্ক্রিপ্টেড ভিডিওকে বাস্তব ঘটনা দাবি করে প্রচার
বিভ্রান্তিকর
২৪ আগস্ট ২০২৬

স্ক্রিপ্টেড ভিডিওকে বাস্তব ঘটনা দাবি করে প্রচার


হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
মিথ্যা
২৪ আগস্ট ২০২৬

হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার

লোডশেডিং প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে অপপ্রচার
মিথ্যা
২৪ আগস্ট ২০২৬

লোডশেডিং প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে অপপ্রচার


ঢাবি অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌসের নামে ভুয়া বক্তব্য প্রচার
২৩ আগস্ট ২০২৬

ঢাবি অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌসের নামে ভুয়া বক্তব্য প্রচার


বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
মিথ্যা
২৩ আগস্ট ২০২৬

বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



সহিংসতার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

ফ্যাক্ট চেক

সহিংসতার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

৮ জুলাই ২০২৫

সহিংসতার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি বাংলাদেশের ঘটনা। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি রাস্তার গলিতে এক ব্যক্তি এক যুবককে তরবারি সদৃশ অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করছেন। আহত যুবক হাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাকে আঘাত করা হচ্ছে। এমন সময় পাশে আরেকজন যুবক চেয়ার হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের মুম্বাইয়ের ওয়াডালা (পূর্ব) এলাকায় স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তি এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। সেই ঘটনার দৃশ্য এটি।
আলোচিত দাবিটি যাচাইয়ে ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে ভারতীয় বেসরকারি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান টাইমসনাও- এর ওয়েবসাইটে গত ৩ জুলাই প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর দৃশ্যের মিল পাওয়া যায়।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২ জুলাই ভারতের মুম্বাইয়ের ওয়াডালা (পূর্ব) এলাকায় জুনায়েদ মুন্নু খান নামে এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে শাহরুখ নামের এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আহত করে। পরবর্তীতে পুলিশ এসে আহত শাহরুখকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এঘটনায় জুনাইদ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
পুলিশের বরাতে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, আহত শাহরুখের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জুনায়েদ মুন্নু খানকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এই ঘটনার পিছনের আসল কারণ বের করার জন্য তদন্ত চলছে।
ভারতের একাধিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানেও একই ঘটনায় সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
অর্থাৎ, ভারতে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার ভিডিওকে বাংলাদেশের দাবিতে ইন্টারনেটে প্রচার করা হচ্ছে; যা বিভ্রান্তিকর।