| ফ্যাক্ট চেক | ধর্মীয়
জুতার মালা পরা মুসলিম ব্যক্তিকে হিন্দু বলে প্রচার ভারতীয় এক্স অ্যাকাউন্টে
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
ভারত থেকে পরিচালিত অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশে এক হিন্দু শিক্ষককে অবসরের পর জুতার মালা পরিয়ে অপমান করা হয়েছে।
তবে এই দাবিটি সঠিক নয়। যাচাইয়ে দেখা যায়, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর ব্যক্তি মুসলিম এবং তিনি পেশায় শিক্ষক নন। বরং, তিনি একজন চিকিৎসক।
ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক কালের কণ্ঠের ওয়েবসাইটে গত ১৫ জুন প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। সেই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেদিন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কটূক্তির অপরাধে আহম্মদ আলীকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বেরুলী বাজারে গণপিটুনির পর জুতার মালা পরিয়ে বাজার প্রদক্ষিণ করে স্থানীয়রা। আহম্মদ আলী নবাবপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক।
একই সময়ে ঢাকা টাইমস টুয়েন্টিফোর, বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরসহ একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
এসব প্রতিবেদনে উল্লেখিত অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম অনুযায়ী তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী নন ও শিক্ষক নন। আসলে তিনি একজন মুসলিম এবং পেশায় চিকিৎসক।
অর্থাৎ, দাবিটি মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
দৈনিক কালের কণ্ঠ
ঢাকা টাইমস টুয়েন্টিফোর
বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর
Topics:
মিথ্যা Bangla Fact বাংলা ফ্যাক্ট
পটুয়াখালী অগ্নিকাণ্ডকে সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে অপপ্রচার
ধর্ম নয়, চুরির অভিযোগে মারধর
চোর মারধরের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দাবি করে প্রচার
হিন্দু হওয়ার কারণে নয়,
ছাগল বাঁধা নিয়ে বিবাদ, মৃত্যু
ব্যক্তিগত বিবাদের জেরে নিহতকে সাম্প্রদায়িক শিকার বলে প্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
অভিযুক্ত চোরের বাড়িতে স্থানীয়দের হামলার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রঙ চড়িয়ে প্রচার
পটুয়াখালী অগ্নিকাণ্ডকে সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে অপপ্রচার
গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার
সিরাজগঞ্জের আন্না রানী দাসের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাম্প্রদায়িক সংশ্লিষ্টতা নেই
ফ্যাক্ট চেক
জুতার মালা পরা মুসলিম ব্যক্তিকে হিন্দু বলে প্রচার ভারতীয় এক্স অ্যাকাউন্টে
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
ভারত থেকে পরিচালিত অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশে এক হিন্দু শিক্ষককে অবসরের পর জুতার মালা পরিয়ে অপমান করা হয়েছে।
তবে এই দাবিটি সঠিক নয়। যাচাইয়ে দেখা যায়, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর ব্যক্তি মুসলিম এবং তিনি পেশায় শিক্ষক নন। বরং, তিনি একজন চিকিৎসক।
ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক কালের কণ্ঠের ওয়েবসাইটে গত ১৫ জুন প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। সেই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেদিন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কটূক্তির অপরাধে আহম্মদ আলীকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বেরুলী বাজারে গণপিটুনির পর জুতার মালা পরিয়ে বাজার প্রদক্ষিণ করে স্থানীয়রা। আহম্মদ আলী নবাবপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক।
একই সময়ে ঢাকা টাইমস টুয়েন্টিফোর, বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরসহ একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
এসব প্রতিবেদনে উল্লেখিত অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম অনুযায়ী তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী নন ও শিক্ষক নন। আসলে তিনি একজন মুসলিম এবং পেশায় চিকিৎসক।
অর্থাৎ, দাবিটি মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
দৈনিক কালের কণ্ঠ
ঢাকা টাইমস টুয়েন্টিফোর
বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর