| ফ্যাক্ট চেক | ধর্মীয়

গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার
বিভ্রান্তিকর

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়িয়া মধ্যেপাড়া মসজিদে দুর্বৃত্তরা মসজিদে আগুন দিয়েছে- এমন দাবি করে কোলাজ ছবিসহ একটি তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। Khairul Bashar নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৯ মিনিটে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ঘটনাটি রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ঘটেছে। 


তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়িয়া মধ্যপাড়ার মসজিদে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগের দাবিটি সঠিক নয়। মূলত, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ওই মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।  


এ বিষয়ে অনুসন্ধানে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক দেশ রূপান্তরের ওয়েবসাইটে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়ীয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মসজিদের ভেতরে থাকা মালামাল ও স্থাপনা পুড়ে ছাই হয়ে যায়। 


গফরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন গণমাধ্যমটিকে জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে মসজিদটিতে আগুন লাগে। 


দৈনিক কালের কণ্ঠ, জাগোনিউজ টুয়েন্টিফোরসহ একাধিক গণমাধ্যম থেকে একই তথ্য জানা যায়। 


অর্থাৎ, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়িয়া মধ্যপাড়ার মসজিদে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে ইন্টারনেটে ছড়ানো হয়েছে; যা বিভ্রান্তিকর। 


তথ্যসূত্র

  • দৈনিক দেশ রূপান্তর




Topics:

Bangla Fact banglafact বাংলা ফ্যাক্ট

ধর্ম নয়, চুরির অভিযোগে মারধর
মিথ্যা
২৩ জুন ২০২৬

ধর্ম নয়, চুরির অভিযোগে মারধর

চোর মারধরের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দাবি করে প্রচার
মিথ্যা
২২ জুন ২০২৬

চোর মারধরের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দাবি করে প্রচার

হিন্দু হওয়ার কারণে নয়,
ছাগল বাঁধা নিয়ে বিবাদ, মৃত্যু
মিথ্যা
১০ জুন ২০২৬

হিন্দু হওয়ার কারণে নয়, ছাগল বাঁধা নিয়ে বিবাদ, মৃত্যু

ব্যক্তিগত বিবাদের জেরে নিহতকে সাম্প্রদায়িক শিকার বলে প্রচার
মিথ্যা
৮ জুন ২০২৬

ব্যক্তিগত বিবাদের জেরে নিহতকে সাম্প্রদায়িক শিকার বলে প্রচার

হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
৭ জুন ২০২৬

হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার

ফ্যাক্ট চেক

গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

<p>গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার 
<br /></p>

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়িয়া মধ্যেপাড়া মসজিদে দুর্বৃত্তরা মসজিদে আগুন দিয়েছে- এমন দাবি করে কোলাজ ছবিসহ একটি তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। Khairul Bashar নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৯ মিনিটে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ঘটনাটি রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ঘটেছে। 


তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়িয়া মধ্যপাড়ার মসজিদে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগের দাবিটি সঠিক নয়। মূলত, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ওই মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।  


এ বিষয়ে অনুসন্ধানে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক দেশ রূপান্তরের ওয়েবসাইটে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়ীয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মসজিদের ভেতরে থাকা মালামাল ও স্থাপনা পুড়ে ছাই হয়ে যায়। 


গফরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন গণমাধ্যমটিকে জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে মসজিদটিতে আগুন লাগে। 


দৈনিক কালের কণ্ঠ, জাগোনিউজ টুয়েন্টিফোরসহ একাধিক গণমাধ্যম থেকে একই তথ্য জানা যায়। 


অর্থাৎ, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়িয়া মধ্যপাড়ার মসজিদে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে ইন্টারনেটে ছড়ানো হয়েছে; যা বিভ্রান্তিকর। 


তথ্যসূত্র

  • দৈনিক দেশ রূপান্তর