| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি

ভিডিওটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নয়, ইন্দোনেশিয়ার

৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫


ভিডিওটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নয়, ইন্দোনেশিয়ার
মিথ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মুহুর্মুহু গুলি ও গ্রেনেড বর্ষণের দৃশ্য দাবি করে সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বাংলাদেশের নয়। তাছাড়া, সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এমন কোনো বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটেনি। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি ইন্দোনেশিয়ার। গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, ইন্দোনেশিয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিক্ষোভ চলার সময় পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় একজন মোটরসাইকেল রাইড-শেয়ারিং চালকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর বিক্ষোভ আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।


আলোচিত ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে ‘DJ KIMKIM’ নামক ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। এই ভিডিওর সাথে আলোচিত ভিডিওর সাদৃশ্য পাওয়া যায়।


ইন্দোনেশিয়ান ভাষায় প্রকাশিত ভিডিওটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, ভিডিওটি ব্রিমোব সদর দফতরে বিক্ষোভ চলাকালে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার। ‘Lensa Sumbars’ নামক ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত ভিডিওর ক্যাপশন থেকেও প্রায় একই তথ্য জানা যায়। এছাড়াও, ‘Bani Bento Channel’ ‘Arnuts Vlog’ নামক দুটি ইউটিউব চ্যানেলেও ভিডিওটিকে ইন্দোনেশিয়ার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।


গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় একজন মোটরসাইকেল রাইড-শেয়ারিং চালকের মৃত্যুর প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আগে থেকেই বিক্ষোভ চলছিল। আর এই মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।


অর্থাৎ, ইন্দোনেশিয়ার বিক্ষোভের ভিডিওকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মুহুর্মুহু গুলি ও গ্রেনেড বর্ষণের ভিডিও দাবি করে প্রচার করা হয়েছে; যা মিথ্যা।


তথ্যসূত্র: ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউব, ইউটিউব, আল-জাজিরা, দি গার্ডিয়ান



Topics:



সাদ্দামের সাথে আবিদের ছবিটি এআই দিয়ে সম্পাদিত
মিথ্যা
২৮ এপ্রিল ২০২৬

সাদ্দামের সাথে আবিদের ছবিটি এআই দিয়ে সম্পাদিত

লোডশেডিং বিষয়ে উপদেষ্টা জাহেদকে জড়িয়ে ছড়ানো পোস্টটি ভিত্তিহীন
মিথ্যা
২৮ এপ্রিল ২০২৬

লোডশেডিং বিষয়ে উপদেষ্টা জাহেদকে জড়িয়ে ছড়ানো পোস্টটি ভিত্তিহীন

দীপু মনির জামিনে মুক্তি পাওয়ার তথ্যটি ভুয়া
মিথ্যা
২৭ এপ্রিল ২০২৬

দীপু মনির জামিনে মুক্তি পাওয়ার তথ্যটি ভুয়া

ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির ফটোকার্ড বিকৃত করে তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে আমীর খসরুর নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
বিকৃত
২০ এপ্রিল ২০২৬

ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির ফটোকার্ড বিকৃত করে তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে আমীর খসরুর নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার

ঢাকায় মার্কিন কূটনীতিকের বাসায় হাসিনার ‘রেজিম চেঞ্জের’ পরিকল্পনা তৈরির ভুয়া দাবি
মিথ্যা
১৯ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকায় মার্কিন কূটনীতিকের বাসায় হাসিনার ‘রেজিম চেঞ্জের’ পরিকল্পনা তৈরির ভুয়া দাবি

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



ভিডিওটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নয়, ইন্দোনেশিয়ার

ফ্যাক্ট চেক

ভিডিওটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নয়, ইন্দোনেশিয়ার

৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভিডিওটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নয়, ইন্দোনেশিয়ার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মুহুর্মুহু গুলি ও গ্রেনেড বর্ষণের দৃশ্য দাবি করে সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বাংলাদেশের নয়। তাছাড়া, সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এমন কোনো বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটেনি। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি ইন্দোনেশিয়ার। গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, ইন্দোনেশিয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিক্ষোভ চলার সময় পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় একজন মোটরসাইকেল রাইড-শেয়ারিং চালকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর বিক্ষোভ আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।


আলোচিত ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে ‘DJ KIMKIM’ নামক ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। এই ভিডিওর সাথে আলোচিত ভিডিওর সাদৃশ্য পাওয়া যায়।


ইন্দোনেশিয়ান ভাষায় প্রকাশিত ভিডিওটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, ভিডিওটি ব্রিমোব সদর দফতরে বিক্ষোভ চলাকালে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার। ‘Lensa Sumbars’ নামক ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত ভিডিওর ক্যাপশন থেকেও প্রায় একই তথ্য জানা যায়। এছাড়াও, ‘Bani Bento Channel’ ‘Arnuts Vlog’ নামক দুটি ইউটিউব চ্যানেলেও ভিডিওটিকে ইন্দোনেশিয়ার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।


গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় একজন মোটরসাইকেল রাইড-শেয়ারিং চালকের মৃত্যুর প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আগে থেকেই বিক্ষোভ চলছিল। আর এই মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।


অর্থাৎ, ইন্দোনেশিয়ার বিক্ষোভের ভিডিওকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মুহুর্মুহু গুলি ও গ্রেনেড বর্ষণের ভিডিও দাবি করে প্রচার করা হয়েছে; যা মিথ্যা।


তথ্যসূত্র: ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউব, ইউটিউব, আল-জাজিরা, দি গার্ডিয়ান