| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি

সাদ্দামের সাথে আবিদের ছবিটি এআই দিয়ে সম্পাদিত

২৮ এপ্রিল ২০২৬


সাদ্দামের সাথে আবিদের ছবিটি এআই দিয়ে সম্পাদিত
মিথ্যা

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সাথে ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খানের ছবি দাবি করে একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ছড়িয়ে পড়া ছবিটি আসল নয়। সাদ্দাম হোসেনের একটি পুরোনো ছবিতে পাশের ব্যক্তির জায়গায় এআই দিয়ে আবিদের পুরোনো ছবি বসিয়ে আলোচিত ছবিটি তৈরি করা হয়েছে। এআই দিয়ে ছবিটি সম্পাদনার কারণে আবিদের চেহারায় সূক্ষ্ম পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।


এই বিষেয়ে অনুসন্ধানে, ২০২৪ সালের ১৬ এপ্রিল 'Foiz Ahmed Niju' নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে কাভার ছবি হিসেবে পোস্ট করা একটি ছবি খুঁজে পাওয়া যায়। ওই ছবিতে সাদ্দাম হোসেনকেও ট্যাগ করা হয়েছিল। ছবিটির সঙ্গে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবির সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়; তবে সেই ছবিতে আবিদ ছিলেন না। সাদ্দামের সাথে অন্য একজন ব্যক্তি ছিলেন।



পরবর্তীতে, আবিদের ফেসবুক প্রোফাইলে একই পোশাকে দুটি ছবি খুঁজে পাওয়া গেছে। একটি ছবি ২০১৭ সালের ২৬ নভেম্বর এবং অন্যটি ২০১৮ সালের ৮ মার্চ পোস্ট করা। বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ভাইরাল ছবিতে তাকে যে পোশাকে দেখা যাচ্ছে, ঠিক একই পোশাকে তার পুরোনো ছবি দুটিতেও দেখা গেছে।


তবে, আবিদে আসল ছবির দুটির সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবির চেহারারর কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। 


বাংলাফ্যাক্ট ছবিটি একাধিক এআই-নির্ভর কনটেন্ট শনাক্তকরণ টুল ব্যবহার করে পরীক্ষা চালিয়েছে। টুলগুলোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে।


অর্থাৎ, সাদ্দাম ও আবিদের আলাদা দুটি পুরোনো ছবি সংগ্রহ করে এআই -এর সাহায্যে আলোচিত ছবিটি তৈরি করে গুজব ছড়ানোর উদ্দেশ্যে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।





Topics:



পুরোনো ভিডিও ব্যবহার করে সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে অপপ্রচার
মিথ্যা
২৩ জুন ২০২৬

পুরোনো ভিডিও ব্যবহার করে সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে অপপ্রচার

কালের কণ্ঠের ফটোকার্ড বিকৃত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জড়িয়ে অপপ্রচার
মিথ্যা
২৩ জুন ২০২৬

কালের কণ্ঠের ফটোকার্ড বিকৃত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জড়িয়ে অপপ্রচার

মেহেরপুরের দুই ফার্মেসির দ্বন্দ্বের ভিডিও ব্যবহার করে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা
মিথ্যা
২২ জুন ২০২৬

মেহেরপুরের দুই ফার্মেসির দ্বন্দ্বের ভিডিও ব্যবহার করে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা

নারী নির্যাতনলেনদেন নিয়ে মারধর, আ লীগ করা নিয়ে নয়
মিথ্যা
১৭ জুন ২০২৬

নারী নির্যাতন
লেনদেন নিয়ে মারধর, আ লীগ করা নিয়ে নয়

চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনায় 

বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
মিথ্যা
১৬ জুন ২০২৬

চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



সাদ্দামের সাথে আবিদের ছবিটি এআই দিয়ে সম্পাদিত

ফ্যাক্ট চেক

সাদ্দামের সাথে আবিদের ছবিটি এআই দিয়ে সম্পাদিত

২৮ এপ্রিল ২০২৬

<p><span style="font-size: 24px;">সাদ্দামের সাথে আবিদের ছবিটি এআই দিয়ে সম্পাদিত</span><br /></p>

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সাথে ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খানের ছবি দাবি করে একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ছড়িয়ে পড়া ছবিটি আসল নয়। সাদ্দাম হোসেনের একটি পুরোনো ছবিতে পাশের ব্যক্তির জায়গায় এআই দিয়ে আবিদের পুরোনো ছবি বসিয়ে আলোচিত ছবিটি তৈরি করা হয়েছে। এআই দিয়ে ছবিটি সম্পাদনার কারণে আবিদের চেহারায় সূক্ষ্ম পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।


এই বিষেয়ে অনুসন্ধানে, ২০২৪ সালের ১৬ এপ্রিল 'Foiz Ahmed Niju' নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে কাভার ছবি হিসেবে পোস্ট করা একটি ছবি খুঁজে পাওয়া যায়। ওই ছবিতে সাদ্দাম হোসেনকেও ট্যাগ করা হয়েছিল। ছবিটির সঙ্গে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবির সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়; তবে সেই ছবিতে আবিদ ছিলেন না। সাদ্দামের সাথে অন্য একজন ব্যক্তি ছিলেন।



পরবর্তীতে, আবিদের ফেসবুক প্রোফাইলে একই পোশাকে দুটি ছবি খুঁজে পাওয়া গেছে। একটি ছবি ২০১৭ সালের ২৬ নভেম্বর এবং অন্যটি ২০১৮ সালের ৮ মার্চ পোস্ট করা। বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ভাইরাল ছবিতে তাকে যে পোশাকে দেখা যাচ্ছে, ঠিক একই পোশাকে তার পুরোনো ছবি দুটিতেও দেখা গেছে।


তবে, আবিদে আসল ছবির দুটির সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবির চেহারারর কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। 


বাংলাফ্যাক্ট ছবিটি একাধিক এআই-নির্ভর কনটেন্ট শনাক্তকরণ টুল ব্যবহার করে পরীক্ষা চালিয়েছে। টুলগুলোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে।


অর্থাৎ, সাদ্দাম ও আবিদের আলাদা দুটি পুরোনো ছবি সংগ্রহ করে এআই -এর সাহায্যে আলোচিত ছবিটি তৈরি করে গুজব ছড়ানোর উদ্দেশ্যে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।