| ফ্যাক্ট চেক | ধর্মীয়
ভোলায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মন্দির ভাঙচুরের দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি ২০১৯ সালের লীগ আমলের
১৪ অক্টোবর ২০২৬
বিএনপির নেতা-কর্মীরা ভোলার বোরহানউদ্দিনে দূর্গাপ্রতিমাসহ মন্দির ভাঙচুর করেছে– এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি মিথ্যা। এটি ২০১৯ সালের ঘটনা।
এই বিষয়ে অনুসন্ধানে বিবিসি বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে ২০১৯ সালের ২২ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে হেয় করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সেই বছরের ২০ অক্টোবর ভোলার বোরহানউদ্দিনে সহিংস বিক্ষোভ ও পুলিশের গুলির ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পর সেখানকার হিন্দুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মন্দির এবং বাড়িঘরে হামলা চালায় অজ্ঞাত সংখ্যক বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি।
সেই বছরের ২৪ অক্টোবরে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনেও একই দৃশ্য ও তথ্য পাওয়া যায়। তবে এসব প্রতিবেদনে উক্ত ঘটনায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, দাবিটি মিথ্যা।
Topics:
হাটহাজারীতে বৈদুতিক গোলযোগজনিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে ‘বাংলাদেশে হিন্দু নিধন’ দাবি করে অপপ্রচার
মুসলিম নারীর ওপর হামলার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক ঘটনা দাবি করে প্রচার
হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
শ্রীপুরের হারিন্দি গ্রামে হিন্দু নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দাবিটি মিথ্যা
পাহাড়ে মুসলিমদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ভিডিওকে ভুল তথ্য জুড়ে প্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
হত্যাকাণ্ডের শিকার মুসলিম ব্যবসায়ী সোহাগকে হিন্দু বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রচার
পটুয়াখালী অগ্নিকাণ্ডকে সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে অপপ্রচার
বিয়ে বাড়িতে চাঁদাবাজি্র ঘটনাকে ‘জিজিয়া কর’ হিসেবে প্রচার ভারতীয় গণমাধ্যমে
ফ্যাক্ট চেক
ভোলায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মন্দির ভাঙচুরের দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি ২০১৯ সালের লীগ আমলের
১৪ অক্টোবর ২০২৬
বিএনপির নেতা-কর্মীরা ভোলার বোরহানউদ্দিনে দূর্গাপ্রতিমাসহ মন্দির ভাঙচুর করেছে– এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি মিথ্যা। এটি ২০১৯ সালের ঘটনা।
এই বিষয়ে অনুসন্ধানে বিবিসি বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে ২০১৯ সালের ২২ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে হেয় করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সেই বছরের ২০ অক্টোবর ভোলার বোরহানউদ্দিনে সহিংস বিক্ষোভ ও পুলিশের গুলির ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পর সেখানকার হিন্দুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মন্দির এবং বাড়িঘরে হামলা চালায় অজ্ঞাত সংখ্যক বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি।
সেই বছরের ২৪ অক্টোবরে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনেও একই দৃশ্য ও তথ্য পাওয়া যায়। তবে এসব প্রতিবেদনে উক্ত ঘটনায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, দাবিটি মিথ্যা।