| ফ্যাক্ট চেক | ধর্মীয়
ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নয়, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে শ্যামল কুমারকে বরখাস্ত করা হয়েছে
৩ নভেম্বর ২০২৬
ম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক ও এক্সে বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি শ্যামল কুমারকে বরখাস্ত করার বিষয়টি সাম্প্রদায়িক হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, কোনো কারণ ছাড়াই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এমন দাবি সঠিক নয়। বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকা, অসদাচরণ এবং বিদেশে গিয়ে কর্মস্থলে ফিরে না আসার অভিযোগে শ্যামল কুমারকে বরখাস্ত করা হয়। একই অভিযোগে আরও ৭জন মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের ওয়েবসাইটে গত ৩১ অক্টোবর ‘Eight police officers, including Harun, dismissed from service’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, অসদাচরণ এবং বিদেশে গিয়ে কর্মস্থলে ফিরে না আসার অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনিসুর রহমান, ট্যুরিস্ট পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি শ্যামল কুমার মুখার্জি, লক্ষ্মীপুরের সাবেক পুলিশ সুপার তারেক বিন রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর হাসান, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান সরকার এবং ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার ফারহানা তাসকিন।
এ ছাড়া, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সাবেক সহকারী কমিশনার কাজী মিজানুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সেটিকে অসদাচরণ হিসেবে উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরে ডেইলি স্টারের এসম্পর্কিত প্রতিবেদন থেকেও এবিষয়ে একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
Topics:
অভিযুক্ত চোরের বাড়িতে হামলার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রঙ চড়িয়ে অপপ্রচার
টাকা ও চুল কাটা নিয়ে বিরোধের জেরে হত্যাকে সাম্প্রদায়িক হিসেবে দেখাল ভারতীয় গণমাধ্যম
বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে মারধরে নিহতের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক হত্যা বলে প্রচার
গণেশ পূজার মণ্ডপে ভাঙচুরের দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো
কিশোরীর স্বেচ্ছায় ঘর ছাড়ার ঘটনাকে 'পুজা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ' বলে প্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
গয়েশ্বর রায়কে একমাত্র হিন্দু সংসদ সদস্য বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার
শ্রীপুরের হারিন্দি গ্রামে হিন্দু নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দাবিটি মিথ্যা
সাতক্ষীরায় বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে কুষ্টিয়ায় মন্দিরে অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার
হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
ফ্যাক্ট চেক
ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নয়, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে শ্যামল কুমারকে বরখাস্ত করা হয়েছে
৩ নভেম্বর ২০২৬
ম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক ও এক্সে বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি শ্যামল কুমারকে বরখাস্ত করার বিষয়টি সাম্প্রদায়িক হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, কোনো কারণ ছাড়াই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এমন দাবি সঠিক নয়। বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকা, অসদাচরণ এবং বিদেশে গিয়ে কর্মস্থলে ফিরে না আসার অভিযোগে শ্যামল কুমারকে বরখাস্ত করা হয়। একই অভিযোগে আরও ৭জন মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের ওয়েবসাইটে গত ৩১ অক্টোবর ‘Eight police officers, including Harun, dismissed from service’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, অসদাচরণ এবং বিদেশে গিয়ে কর্মস্থলে ফিরে না আসার অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনিসুর রহমান, ট্যুরিস্ট পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি শ্যামল কুমার মুখার্জি, লক্ষ্মীপুরের সাবেক পুলিশ সুপার তারেক বিন রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর হাসান, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান সরকার এবং ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার ফারহানা তাসকিন।
এ ছাড়া, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সাবেক সহকারী কমিশনার কাজী মিজানুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সেটিকে অসদাচরণ হিসেবে উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরে ডেইলি স্টারের এসম্পর্কিত প্রতিবেদন থেকেও এবিষয়ে একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি বিভ্রান্তিকর।