| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

দাখিল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রকে এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এসএসসির গণিত প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভুয়া দাবি

৩ মে ২০২৬


দাখিল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রকে এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এসএসসির গণিত প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভুয়া দাবি

আজ (৩ মে) মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার গণিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে গতকাল (২ মে) থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয় গণিত বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এসএসসির গণিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দাবিতে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি মূলত এআই দিয়ে তৈরি। ২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষার গণিতের প্রশ্নপত্রের ছবিকে এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এটি তৈরি করা হয়েছে।


এই বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে বেশ কিছু ভুল বানান লক্ষ করা যায়। যেমন—প্রশ্নপত্রের প্রারম্ভিক নির্দেশনায় ‘দ্রষ্টব্য’ ও ‘সর্বোৎকৃষ্ট’ শব্দগুলো আলোচিত প্রশ্নপত্রটিতে স্বাভাবিক বাংলা বানানে লেখা হয়নি। এ ছাড়া এই অংশটিতে এমন আরও শব্দ দেখা যাচ্ছে যা বাংলা নয়।


এসএসসির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষায় এ ধরনের বানান ভুল এবং কিছু শব্দ বিকৃত থাকা অস্বাভাবিক। আলোচিত প্রশ্নটিতে এমন কিছু বানান বা শব্দ রয়েছে যা একেবারেই পাঠের অযোগ্য।


সে সন্দেহ থেকে পরে ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার গণিত প্রশ্নপত্রের সাথে আলোচিত প্রশ্নপত্রটি মিলিয়ে দেখা হয় এবং তাতে বেশ সাদৃশ্য পাওয়া যায়। তবে মূল প্রশ্নপত্রে বর্তমানে প্রচারিত ভুয়া প্রশ্নপত্রের মতো বানান ভুল ছিল না।


সাধারণত কোনো ছবি এআই দিয়ে সম্পাদনা করলে এ ধরনের বানান ভুল ও অসামঞ্জস্যতা দেখা যায়। তাছাড়া, এসএসসির গণিত প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে এমন কোনো তথ্য মূলধারার গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।


অর্থাৎ, এসএসসির গণিত প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিতে ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার গণিত প্রশ্নপত্রের ছবি এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এই ভুয়া প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছে।





Topics:



টাকা না দেয়ায় হাসপাতাল থেকে গর্ভবতী নারীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নোয়াখালীর নয়, নেপালের
মিথ্যা
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাকা না দেয়ায় হাসপাতাল থেকে গর্ভবতী নারীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নোয়াখালীর নয়, নেপালের

নারীর মরদেহ উদ্ধারের ছবিটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
মিথ্যা
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারীর মরদেহ উদ্ধারের ছবিটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

 শিশু নিখোঁজ নিয়ে মহিলা পরিষদের ‘৩১ হাজার শিশু নিখোঁজ’ তথ্যটি ভুল
মিথ্যা
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিশু নিখোঁজ নিয়ে মহিলা পরিষদের ‘৩১ হাজার শিশু নিখোঁজ’ তথ্যটি ভুল

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডাকাত দলকে গণপিটুনির দৃশ্য; ছড়ানো হচ্ছে বর্তমান সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির ভুয়া দাবিতে
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডাকাত দলকে গণপিটুনির দৃশ্য; ছড়ানো হচ্ছে বর্তমান সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির ভুয়া দাবিতে


আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
মিথ্যা
৩০ আগস্ট ২০২৬

আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



দাখিল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রকে এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এসএসসির গণিত প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভুয়া দাবি

ফ্যাক্ট চেক

দাখিল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রকে এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এসএসসির গণিত প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভুয়া দাবি

৩ মে ২০২৬

<p><span style="font-size: 24px;">দাখিল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রকে এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এসএসসির গণিত প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভুয়া দাবি</span><br /></p>

আজ (৩ মে) মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার গণিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে গতকাল (২ মে) থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয় গণিত বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এসএসসির গণিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দাবিতে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি মূলত এআই দিয়ে তৈরি। ২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষার গণিতের প্রশ্নপত্রের ছবিকে এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এটি তৈরি করা হয়েছে।


এই বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে বেশ কিছু ভুল বানান লক্ষ করা যায়। যেমন—প্রশ্নপত্রের প্রারম্ভিক নির্দেশনায় ‘দ্রষ্টব্য’ ও ‘সর্বোৎকৃষ্ট’ শব্দগুলো আলোচিত প্রশ্নপত্রটিতে স্বাভাবিক বাংলা বানানে লেখা হয়নি। এ ছাড়া এই অংশটিতে এমন আরও শব্দ দেখা যাচ্ছে যা বাংলা নয়।


এসএসসির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষায় এ ধরনের বানান ভুল এবং কিছু শব্দ বিকৃত থাকা অস্বাভাবিক। আলোচিত প্রশ্নটিতে এমন কিছু বানান বা শব্দ রয়েছে যা একেবারেই পাঠের অযোগ্য।


সে সন্দেহ থেকে পরে ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার গণিত প্রশ্নপত্রের সাথে আলোচিত প্রশ্নপত্রটি মিলিয়ে দেখা হয় এবং তাতে বেশ সাদৃশ্য পাওয়া যায়। তবে মূল প্রশ্নপত্রে বর্তমানে প্রচারিত ভুয়া প্রশ্নপত্রের মতো বানান ভুল ছিল না।


সাধারণত কোনো ছবি এআই দিয়ে সম্পাদনা করলে এ ধরনের বানান ভুল ও অসামঞ্জস্যতা দেখা যায়। তাছাড়া, এসএসসির গণিত প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে এমন কোনো তথ্য মূলধারার গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।


অর্থাৎ, এসএসসির গণিত প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিতে ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার গণিত প্রশ্নপত্রের ছবি এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এই ভুয়া প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছে।