| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

পুশ-ইন ইস্যুতে ভারতীয় সীমান্তের দিকে বাংলাদেশী ট্যাংক অগ্রসর হওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা

৮ জুন ২০২৬


পুশ-ইন ইস্যুতে ভারতীয় সীমান্তের দিকে বাংলাদেশী ট্যাংক অগ্রসর হওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা
মিথ্যা


বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী ট্যাংক ভারতীয় সীমান্তের দিকে অগ্রসর হতে দেখা গেছে দাবিতে একটি ছবি সামাজিকমাধ্যম এক্স -এ ছড়ানো হয়েছে।


সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন) প্রবণতা বেড়েছে। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ছবিটি ছড়ানো হয়েছে।


‘@Brutforce21’ নামের এক্স হ্যান্ডেল থেকে ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “#BREAKING: Just in, large number of Bangladeshi tanks were spotted going towards the Indian border. On the push-in issue, the Bangladesh Army appears to be deploying tanks near the Indian border as part of a psychological strategy to maintain a position of strength.”



বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভারতীয় সীমান্তের দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্যাংক অগ্রসর হওয়া বা মোতায়েন করার দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, এটি সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজের একটি পুরোনো ছবি। পুরোনো কুচকাওয়াজের এই ছবিটি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই এই ভুয়া দাবিটি প্রচার করা হয়েছে।



ছবিটির বিষয়ে অনুসন্ধানে প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে ২০১৮ সালে ‘শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর তালিকায় বাংলাদেশ ৫৭তম’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে থাকা ছবির সাথে আলোচিত দাবিতে ছড়ানো ছবির হুবহু মিল রয়েছে।



প্রতিবেদনটিতে থাকা ছবির ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজ। প্রথম আলো ফাইল ছবি”


তাছাড়া, ভারতীয় সীমান্তের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভারতীয় সীমান্তের দিকে বিপুল সংখ্যক ট্যাংক মোতায়েন করছে বা ট্যাংক অগ্রসর এমন তথ্য দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।


২০২৪ সালেও ছবিটি দিয়ে ইন্টারনেটে ভুয়া তথ্য ছড়ালে, সে সময় ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।





Topics:



হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
৭ জুন ২০২৬

হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তার বাবার সামনে ধর্ষণের দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার

টিএমসি আবার জিতলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি সাজানো
মিথ্যা
৭ জুন ২০২৬

টিএমসি আবার জিতলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি সাজানো

টিএমসি আবার জিতলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি সাজানো
মিথ্যা
৭ জুন ২০২৬

টিএমসি আবার জিতলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি সাজানো

সীতাকুণ্ডে মহিলা মাদরাসায় সন্ত্রাসী হামলার দাবিটি মিথ্যা, ভিডিওটি ইয়েমেনের
২ জুন ২০২৬

সীতাকুণ্ডে মহিলা মাদরাসায় সন্ত্রাসী হামলার দাবিটি মিথ্যা, ভিডিওটি ইয়েমেনের

শিক্ষার্থী ধর্ষণের দাবিতে ছড়ানো ছবিগুলো ভিন্ন ঘটনার ও পুরোনো
মিথ্যা
২ জুন ২০২৬

শিক্ষার্থী ধর্ষণের দাবিতে ছড়ানো ছবিগুলো ভিন্ন ঘটনার ও পুরোনো

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



পুশ-ইন ইস্যুতে ভারতীয় সীমান্তের দিকে বাংলাদেশী ট্যাংক অগ্রসর হওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা

ফ্যাক্ট চেক

পুশ-ইন ইস্যুতে ভারতীয় সীমান্তের দিকে বাংলাদেশী ট্যাংক অগ্রসর হওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা

৮ জুন ২০২৬

<p>পুশ-ইন ইস্যুতে ভারতীয় সীমান্তের দিকে বাংলাদেশী ট্যাংক অগ্রসর হওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা<br /></p>


বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী ট্যাংক ভারতীয় সীমান্তের দিকে অগ্রসর হতে দেখা গেছে দাবিতে একটি ছবি সামাজিকমাধ্যম এক্স -এ ছড়ানো হয়েছে।


সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন) প্রবণতা বেড়েছে। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ছবিটি ছড়ানো হয়েছে।


‘@Brutforce21’ নামের এক্স হ্যান্ডেল থেকে ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “#BREAKING: Just in, large number of Bangladeshi tanks were spotted going towards the Indian border. On the push-in issue, the Bangladesh Army appears to be deploying tanks near the Indian border as part of a psychological strategy to maintain a position of strength.”



বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভারতীয় সীমান্তের দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্যাংক অগ্রসর হওয়া বা মোতায়েন করার দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, এটি সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজের একটি পুরোনো ছবি। পুরোনো কুচকাওয়াজের এই ছবিটি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই এই ভুয়া দাবিটি প্রচার করা হয়েছে।



ছবিটির বিষয়ে অনুসন্ধানে প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে ২০১৮ সালে ‘শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর তালিকায় বাংলাদেশ ৫৭তম’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে থাকা ছবির সাথে আলোচিত দাবিতে ছড়ানো ছবির হুবহু মিল রয়েছে।



প্রতিবেদনটিতে থাকা ছবির ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজ। প্রথম আলো ফাইল ছবি”


তাছাড়া, ভারতীয় সীমান্তের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভারতীয় সীমান্তের দিকে বিপুল সংখ্যক ট্যাংক মোতায়েন করছে বা ট্যাংক অগ্রসর এমন তথ্য দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।


২০২৪ সালেও ছবিটি দিয়ে ইন্টারনেটে ভুয়া তথ্য ছড়ালে, সে সময় ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।