| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
গোপালগঞ্জে পুলিশ কর্তৃক শিশু নির্যাতনের দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের
২০ জুলাই ২০২৫
বিভ্রান্তিকর
গোপালগঞ্জে গত ১৬ জুলাই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ এক শিশুকে নির্যাতন করেছে দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশ কেন্দ্রিক সংঘর্ষের ঘটনার নয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গত ৬ জুলাইয়ের ভিডিও।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান জাগো নিউজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর মিল পাওয়া যায়। গত ১৮ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এটি গত ৬ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হাই কর্তৃক এক শিশুকে বল প্রয়োগের দৃশ্য।
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমানের সঙ্গে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, এটি গত ৬ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রার দিনের ঘটনা। ওই শিশু এনসিপির নেতৃবৃন্দের কাছাকাছি চলে গেলে জাতীয় নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাকে সরিয়ে নেওয়া হয়। তার কাছ থেকে ড্যান্ডি নামের মাদক পাওয়া যায়। তবে তিনি পুলিশ কর্তৃক শিশুটিকে বল প্রয়োগের কথা অস্বীকার করেন।
এছাড়াও, ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি, নাগরিক টিভি মানবকণ্ঠসহ দেশের একাধিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে একই তথ্যে প্রকাশিত সংবাদ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ঘটনাটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের।
অর্থাৎ, গত ৬ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রার দিনে মাদকসহ এক শিশুকে পুলিশ কর্তৃক বল প্রয়োগের ভিডিওকে গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ এক শিশুকে নির্যাতন করেছে দাবি করে ফেসবুকে ছড়ানো হচ্ছে; যা বিভ্রান্তিকর।
Topics:
বিভ্রান্তিকর
১৮ জানুয়ারী ২০২৬
জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের জাতির পিতা নয়, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের জাতির পিতা বলেছিলেন তারেক রহমান
মিথ্যা
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
আওয়ামী লীগকে ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে না বলে মন্তব্য করেননি তারেক রহমান
বিকৃত
২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের ফটোকার্ড বিকৃত করে মির্জা আব্বাসকে জড়িয়ে ডিএমপি কমিশনারের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
মিথ্যা
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
আওয়ামী লীগ নেতার সন্তানকে বিএনপির কর্মীরা হত্যা করেনি, ভিডিওটি সাজানো
মিথ্যা
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
মির্জা আব্বাসের সঙ্গে হাদি হত্যার প্রধান আসামীর ছবিটি এআই-সৃষ্ট
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
ফ্যাক্ট চেক
গোপালগঞ্জে পুলিশ কর্তৃক শিশু নির্যাতনের দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের
২০ জুলাই ২০২৫
গোপালগঞ্জে গত ১৬ জুলাই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ এক শিশুকে নির্যাতন করেছে দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশ কেন্দ্রিক সংঘর্ষের ঘটনার নয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গত ৬ জুলাইয়ের ভিডিও।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান জাগো নিউজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর মিল পাওয়া যায়। গত ১৮ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এটি গত ৬ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হাই কর্তৃক এক শিশুকে বল প্রয়োগের দৃশ্য।
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমানের সঙ্গে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, এটি গত ৬ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রার দিনের ঘটনা। ওই শিশু এনসিপির নেতৃবৃন্দের কাছাকাছি চলে গেলে জাতীয় নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাকে সরিয়ে নেওয়া হয়। তার কাছ থেকে ড্যান্ডি নামের মাদক পাওয়া যায়। তবে তিনি পুলিশ কর্তৃক শিশুটিকে বল প্রয়োগের কথা অস্বীকার করেন।
এছাড়াও, ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি, নাগরিক টিভি মানবকণ্ঠসহ দেশের একাধিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে একই তথ্যে প্রকাশিত সংবাদ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ঘটনাটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের।
অর্থাৎ, গত ৬ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রার দিনে মাদকসহ এক শিশুকে পুলিশ কর্তৃক বল প্রয়োগের ভিডিওকে গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ এক শিশুকে নির্যাতন করেছে দাবি করে ফেসবুকে ছড়ানো হচ্ছে; যা বিভ্রান্তিকর।