| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
কালবেলার ফটোকার্ড বিকৃত করে নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
১২ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার লোগোসংবলিত একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালে হওয়ার সম্ভাবনা নেই।”
তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, উক্ত দাবি ভিত্তিহীন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ ধরনের কোনো মন্তব্য করেননি। একই সঙ্গে, দৈনিক কালবেলার নাম ও বিন্যাস নকল করে ডিজিটালভাবে সম্পাদিত এই ফটোকার্ডটি ভুয়া।
ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডটির তথ্যের সূত্র ধরে দৈনিক কালবেলার ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজে খোঁজ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামে এমন মন্তব্য সম্বলিত কোনো ফটোকার্ড বা সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তবে, গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজে একই ছবিসহ গত ২৩ এপ্রিল ‘ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা বাতিল’- এমন শিরোনামে একটি ফটোকার্ড প্রকাশিত হয়। এর সঙ্গে দৈনিক কালবেলার প্রচলিত ফটোকার্ডের সঙ্গে আলোচিত দাবি সম্বলিত ফটোকার্ডের টেক্সট ফন্টের পার্থক্য রয়েছে। এ থেকে প্রতীয়মান যে, এই ফটোকার্ডটিকে বিকৃত করে ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
দৈনিক কালবেলা এব কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেছে কিনা তা জানতে বাংলাফ্যাক্টের পক্ষ থেকে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটির অ্যাসিস্ট্যান্ট নিউজ এডিটর এস এম সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি জানান, ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডটি বিকৃত বা এডিটেড।
পাশাপাশি, গণমাধ্যম সূত্রেও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ এ হওয়ার সম্ভাবনা নেই’ এমন মন্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ এ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’- এমন মন্তব্য করেননি এবং একই দাবিতে ছড়ানো দৈনিক কালবেলার ফটোকার্ডটি বিকৃত।
Topics:
যৌতুকের জন্য নিজ স্ত্রীকে বিএনপি নেতার মারধরের দাবিটি অসত্য; ছড়ানো ভিডিওটি
বাংলাদেশের নয়, ভারতের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরের শুটিংয়ের দৃশ্য
ছড়ানো হচ্ছে আওয়ামী লীগ কর্মীকে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের মারধরের দাবিতে
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভ স্থানান্তরের পুরোনো ঘটনায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুলি চালানো এই ব্যক্তিরা ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামী নেতাকর্মী
চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনাটিতে বিএনপির কেউ জড়িত নয়
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
জাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষের ঘটনা দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো ভিন্ন ঘটনার
ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির ফটোকার্ড বিকৃত করে তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে আমীর খসরুর নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
বিএনপির প্রতিবাদ মিছিলে নয়, পুলিশের টিয়ার শেল নিক্ষেপের ভিডিওটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
পুরোনো ভিডিও ব্যবহার করে সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে অপপ্রচার
ফ্যাক্ট চেক
কালবেলার ফটোকার্ড বিকৃত করে নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
১২ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার লোগোসংবলিত একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালে হওয়ার সম্ভাবনা নেই।”
তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, উক্ত দাবি ভিত্তিহীন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ ধরনের কোনো মন্তব্য করেননি। একই সঙ্গে, দৈনিক কালবেলার নাম ও বিন্যাস নকল করে ডিজিটালভাবে সম্পাদিত এই ফটোকার্ডটি ভুয়া।
ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডটির তথ্যের সূত্র ধরে দৈনিক কালবেলার ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজে খোঁজ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামে এমন মন্তব্য সম্বলিত কোনো ফটোকার্ড বা সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তবে, গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজে একই ছবিসহ গত ২৩ এপ্রিল ‘ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা বাতিল’- এমন শিরোনামে একটি ফটোকার্ড প্রকাশিত হয়। এর সঙ্গে দৈনিক কালবেলার প্রচলিত ফটোকার্ডের সঙ্গে আলোচিত দাবি সম্বলিত ফটোকার্ডের টেক্সট ফন্টের পার্থক্য রয়েছে। এ থেকে প্রতীয়মান যে, এই ফটোকার্ডটিকে বিকৃত করে ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
দৈনিক কালবেলা এব কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেছে কিনা তা জানতে বাংলাফ্যাক্টের পক্ষ থেকে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটির অ্যাসিস্ট্যান্ট নিউজ এডিটর এস এম সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি জানান, ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডটি বিকৃত বা এডিটেড।
পাশাপাশি, গণমাধ্যম সূত্রেও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ এ হওয়ার সম্ভাবনা নেই’ এমন মন্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ এ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’- এমন মন্তব্য করেননি এবং একই দাবিতে ছড়ানো দৈনিক কালবেলার ফটোকার্ডটি বিকৃত।