| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় দোকান ভাঙচুর দাবি করে ছড়ানো ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় দোকান ভাঙচুর - এমন দাবিতে সম্প্রতি একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে যে, প্রচারিত ছবিটি আসল নয়। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এই কৃত্রিম ছবিটিকে বাস্তব ঘটনা দাবি করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
ছবিটি পর্যবেক্ষণ করলে বেশ কিছু অসামঞ্জস্যতা চোখে পড়ে, যা সাধারণত এআই-জেনারেটেড ছবিতে দেখা যায়। যেমন: ছবিটিতে বৃদ্ধ ব্যক্তির হাতের আঙুলের গঠন অস্বাভাবিক ও কিছুটা বিকৃত। এছাড়াও, মানুষের ত্বক, পোশাক এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ঝালমুড়ির উপকরণের টেক্সচার বাস্তবের তুলনায় অনেক বেশি মসৃণ ও চকচকে দেখা যায়।
পরবর্তীতে,বাংলাফ্যাক্ট একাধিক এআই-নির্ভর কন্টেন্ট শনাক্তকরণ টুল ব্যবহার করে পরীক্ষা চালিয়েছে। এর মধ্যে ‘হাইভ ডিটেক্ট’ টুলের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯.৯ শতাংশ।
অর্থাৎ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ছবিকে বাস্তব দাবি করে প্রচার করা হচ্ছে, যা মিথ্যা।
Topics:
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে হেয় করতে এআই-সৃষ্ট ছবি ব্যবহার
ইয়ামাহা শোরুমে হত্যাকাণ্ডের ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
নারী নির্যাতন
লেনদেন নিয়ে মারধর, আ লীগ করা নিয়ে নয়
খুলনায় মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলি:
দুইজন আহতের তথ্যকে নিহত বলে প্রচার করেছে ডেলটা লেন্স
কাশ্মীরের দৃশ্যকে ত্রিপুরা সীমান্তে বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি হত্যার ভিডিও বলে প্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
ফ্যাক্ট চেক
১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় দোকান ভাঙচুর দাবি করে ছড়ানো ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় দোকান ভাঙচুর - এমন দাবিতে সম্প্রতি একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে যে, প্রচারিত ছবিটি আসল নয়। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এই কৃত্রিম ছবিটিকে বাস্তব ঘটনা দাবি করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
ছবিটি পর্যবেক্ষণ করলে বেশ কিছু অসামঞ্জস্যতা চোখে পড়ে, যা সাধারণত এআই-জেনারেটেড ছবিতে দেখা যায়। যেমন: ছবিটিতে বৃদ্ধ ব্যক্তির হাতের আঙুলের গঠন অস্বাভাবিক ও কিছুটা বিকৃত। এছাড়াও, মানুষের ত্বক, পোশাক এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ঝালমুড়ির উপকরণের টেক্সচার বাস্তবের তুলনায় অনেক বেশি মসৃণ ও চকচকে দেখা যায়।
পরবর্তীতে,বাংলাফ্যাক্ট একাধিক এআই-নির্ভর কন্টেন্ট শনাক্তকরণ টুল ব্যবহার করে পরীক্ষা চালিয়েছে। এর মধ্যে ‘হাইভ ডিটেক্ট’ টুলের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯.৯ শতাংশ।
অর্থাৎ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ছবিকে বাস্তব দাবি করে প্রচার করা হচ্ছে, যা মিথ্যা।