| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

টিএমসি আবার জিতলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি সাজানো

৭ জুন ২০২৬


টিএমসি আবার জিতলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি সাজানো
মিথ্যা

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) আবার জয়লাভ করলে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় চলে আসবো - এমন মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে। ভিডিওতে বুম হাতে থাকা এক যুবকের প্রশ্নের জবাবে মুখ ঢাকা অবস্থায় এক নারীকে হিন্দি ভাষায় বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের মমতা দিদির ক্ষমতা যদি আবার চলে আসে তাহলে আমরা আবার বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় ঢুকে যাব।’ তবে বাংলাফ্যাক্টের অনুসন্ধানে দেখা যায়, এটি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দৃশ্য নয়। বরঞ্চ, এটি এক ভারতীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সাজানো ভিডিও। 


এই বিষয়ে অনুসন্ধানে TAH TAK নামে ফেসবুক পেজে গত ১৫ মে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। ক্যাপশনে হিন্দিতে লেখা আছে, ‘মোদি কর্মসংস্থান দেবেন’।


অ্যাকাউন্টটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এটি ভারতের পাটনা রাজ্য থেকে পরিচালিত হয়। 


একই লোগোতে TAH TAK নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে। TAH TAK এর ফেসবুক এবং ইউটিউব পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য (১, ২, ৩, ৪, ৫) ভিডিও তৈরি করেছে। একই ধরণের এসব ক্লিপ ভিডিও দেখে বাংলাফ্যাক্টের কাছে এগুলো বানোয়াট ও সাজানো বলে মনে হয়েছে। 


এই ইউটিউব চ্যানেলে চন্দন সনি নামে একটি ফেসবুক পেজ যুক্ত করা আছে। 


ভারতীয় ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান আজতক বাংলায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে চন্দন সনি একই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি গণমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, ভাইরাল ভিডিওটি সীমান্তবর্তী কোনও এলাকার নয়, এবং ভিডিওতে থাকা দুই মহিলা বাংলাদেশী নন, বরং তারা স্থানীয় (ভারতীয়)। বিহারের মুজফফরপুর থেকে তিনি ভিডিওটি রেকর্ড করেছিলেন। ভিডিওটি সাজানো এবং বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের পরিস্থিতি মজার ছলে তুলে ধরতে তাঁরা কয়েকজন এই ভিডিওটি তৈরি করেছিলেন। 

 

অর্থাৎ, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) আবার জয়লাভ করলে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় চলে আসবো - এক নারীর এমন মন্তব্যের ভিডিওটি সাজানো।





Topics:

Bangla Fact banglafact বাংলা ফ্যাক্ট

শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার এই ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
বিভ্রান্তিকর
১ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার এই ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার
মিথ্যা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার


সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার
মিথ্যা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফেনীতে বাইকে আগুন দেওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২১ সালের
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফেনীতে বাইকে আগুন দেওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২১ সালের


পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার


আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



টিএমসি আবার জিতলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি সাজানো

ফ্যাক্ট চেক

টিএমসি আবার জিতলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি সাজানো

৭ জুন ২০২৬

<p>টিএমসি আবার জিতলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি সাজানো 
<br /></p>

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) আবার জয়লাভ করলে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় চলে আসবো - এমন মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে। ভিডিওতে বুম হাতে থাকা এক যুবকের প্রশ্নের জবাবে মুখ ঢাকা অবস্থায় এক নারীকে হিন্দি ভাষায় বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের মমতা দিদির ক্ষমতা যদি আবার চলে আসে তাহলে আমরা আবার বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় ঢুকে যাব।’ তবে বাংলাফ্যাক্টের অনুসন্ধানে দেখা যায়, এটি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দৃশ্য নয়। বরঞ্চ, এটি এক ভারতীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সাজানো ভিডিও। 


এই বিষয়ে অনুসন্ধানে TAH TAK নামে ফেসবুক পেজে গত ১৫ মে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। ক্যাপশনে হিন্দিতে লেখা আছে, ‘মোদি কর্মসংস্থান দেবেন’।


অ্যাকাউন্টটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এটি ভারতের পাটনা রাজ্য থেকে পরিচালিত হয়। 


একই লোগোতে TAH TAK নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে। TAH TAK এর ফেসবুক এবং ইউটিউব পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য (১, ২, ৩, ৪, ৫) ভিডিও তৈরি করেছে। একই ধরণের এসব ক্লিপ ভিডিও দেখে বাংলাফ্যাক্টের কাছে এগুলো বানোয়াট ও সাজানো বলে মনে হয়েছে। 


এই ইউটিউব চ্যানেলে চন্দন সনি নামে একটি ফেসবুক পেজ যুক্ত করা আছে। 


ভারতীয় ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান আজতক বাংলায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে চন্দন সনি একই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি গণমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, ভাইরাল ভিডিওটি সীমান্তবর্তী কোনও এলাকার নয়, এবং ভিডিওতে থাকা দুই মহিলা বাংলাদেশী নন, বরং তারা স্থানীয় (ভারতীয়)। বিহারের মুজফফরপুর থেকে তিনি ভিডিওটি রেকর্ড করেছিলেন। ভিডিওটি সাজানো এবং বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের পরিস্থিতি মজার ছলে তুলে ধরতে তাঁরা কয়েকজন এই ভিডিওটি তৈরি করেছিলেন। 

 

অর্থাৎ, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) আবার জয়লাভ করলে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় চলে আসবো - এক নারীর এমন মন্তব্যের ভিডিওটি সাজানো।