| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
ডিপফেইক ভিডিও তৈরি করে এআইজি (মিডিয়া) শাহাদাত হোসাইনের নামে আওয়ামী লীগের অপপ্রচার
১৩ নভেম্বর ২০২৫
আজ ১৩ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়ামী প্রোপাগান্ডা পেজ থেকে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের একটি ভিডিও প্রচার হতে দেখা যায়, ভিডিওটিতে তাকে বলতে দেখা যায়, “সকাল থেকে এখন পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ, দেশবাসী লকডাউনকে সমর্থন দিয়েছে। তবে আমাদের আশঙ্কা, হয়তোবা দুপুরের পর থেকে নাশকতা হতে পারে এবং খবর আছে যে মেট্রোরেলে আগুন দেওয়া হবে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি এবং আশা করছি দ্রুত অপরাধীদের খুঁজে বের করতে পারব। আমাদের বাহিনী অক্লান্ত পরিশ্রম করছে।”
তবে যাচাই করে দেখা যায়, ভিডিওটিগুলো আসল নয়, এআই এর সাহায্যে সম্পাদিত। এটি ভিন্ন ভিডিও থেকে এআই এর সাহায্যে বিকৃত করে তৈরি করে প্রচার করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের এমন কোনো মন্তব্য মূল ধারার গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য সূত্রে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, পর্যবেক্ষণে ভিডিওটিতে এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের মুখমণ্ডল ও অভিব্যক্তিতে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে। এগুলো সাধারণত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে পরিবর্তিত বা তৈরি ভিডিওতে দেখা যায়। তবে, আলোচিত ভিডিওটির ফুটেজের সাথে মিল আছে এমন একটি ভিডিও মূল ধারার গণমাধ্যম যমুনা টিভির ইউটিউব চ্যানেলে চলতি মাসের অর্থাৎ গত ৮ নভেম্বর ‘১৩ নভেম্বর আ. লীগের কোনো কার্যক্রম হতে দেব না : পুলিশ সদর দফতর’ শিরোনামে শিরোনামে খুঁজে পাওয়া যায়। এই ভিডিওতে দেখা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ডাকা ১৩ নভেম্বরর কথিত লকডাউন কর্মসূচিতে ঘিরে দলটির নাশকতামূলক কর্মকান্ডের যেন করতে না পারে এই বিষয়ে পরিকল্পনার কথা বলতে দেখা যায়। কিন্তু ভিডিওটিতে তাকে আলোচিত ভিডিওর মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। এই ভিডিওতে এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের কণ্ঠস্বরের সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটির কণ্ঠস্বরের অমিল লক্ষ করা যায়। অর্থাৎ, এটা নিশ্চিত যে আলোচিত ভিডিওটি পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের গণমাধ্যমে কথা বলার একটি ভিডিও থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিকৃত করে তৈরি করা হয়েছে। অতএব আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।
Topics:
হাসিনা-পুতিনের বৈঠকের ছবিটি সাম্প্রতিক নয়, ২০১৩ সালের
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয়ে ছাত্রদের প্রবেশের দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৫ সালের
‘বিশ্বব্যাপী যখন বোয়িংয়ের সঙ্কট শুরু হবে, তখন সুযোগ বুঝে আমরা এগুলোকে বেশি দামে বিক্রি করে দেব’ বলে মন্তব্য করেননিরুহুল কবির রিজভী
দিল্লিতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার ভিডিওটি ২০১৯ সালের
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের নৈশভোজে অংশ নেওয়ার ছবিটি আসল
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
ছাত্রলীগ করার কারণে যুবককে মারধর করার দাবিটি অসত্য
চুরির অভিযোগে ভিন্ন নারীর চুল কাটার ঘটনায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
শেখ হাসিনার পুরোনো ভিডিও সম্পাদিত করে প্রচার
সৌদি আরব কর্তৃক শুধুমাত্র বাংলাদেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে প্রচারিত দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
ফ্যাক্ট চেক
ডিপফেইক ভিডিও তৈরি করে এআইজি (মিডিয়া) শাহাদাত হোসাইনের নামে আওয়ামী লীগের অপপ্রচার
১৩ নভেম্বর ২০২৫
আজ ১৩ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়ামী প্রোপাগান্ডা পেজ থেকে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের একটি ভিডিও প্রচার হতে দেখা যায়, ভিডিওটিতে তাকে বলতে দেখা যায়, “সকাল থেকে এখন পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ, দেশবাসী লকডাউনকে সমর্থন দিয়েছে। তবে আমাদের আশঙ্কা, হয়তোবা দুপুরের পর থেকে নাশকতা হতে পারে এবং খবর আছে যে মেট্রোরেলে আগুন দেওয়া হবে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি এবং আশা করছি দ্রুত অপরাধীদের খুঁজে বের করতে পারব। আমাদের বাহিনী অক্লান্ত পরিশ্রম করছে।”
তবে যাচাই করে দেখা যায়, ভিডিওটিগুলো আসল নয়, এআই এর সাহায্যে সম্পাদিত। এটি ভিন্ন ভিডিও থেকে এআই এর সাহায্যে বিকৃত করে তৈরি করে প্রচার করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের এমন কোনো মন্তব্য মূল ধারার গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য সূত্রে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, পর্যবেক্ষণে ভিডিওটিতে এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের মুখমণ্ডল ও অভিব্যক্তিতে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে। এগুলো সাধারণত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে পরিবর্তিত বা তৈরি ভিডিওতে দেখা যায়। তবে, আলোচিত ভিডিওটির ফুটেজের সাথে মিল আছে এমন একটি ভিডিও মূল ধারার গণমাধ্যম যমুনা টিভির ইউটিউব চ্যানেলে চলতি মাসের অর্থাৎ গত ৮ নভেম্বর ‘১৩ নভেম্বর আ. লীগের কোনো কার্যক্রম হতে দেব না : পুলিশ সদর দফতর’ শিরোনামে শিরোনামে খুঁজে পাওয়া যায়। এই ভিডিওতে দেখা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ডাকা ১৩ নভেম্বরর কথিত লকডাউন কর্মসূচিতে ঘিরে দলটির নাশকতামূলক কর্মকান্ডের যেন করতে না পারে এই বিষয়ে পরিকল্পনার কথা বলতে দেখা যায়। কিন্তু ভিডিওটিতে তাকে আলোচিত ভিডিওর মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। এই ভিডিওতে এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের কণ্ঠস্বরের সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটির কণ্ঠস্বরের অমিল লক্ষ করা যায়। অর্থাৎ, এটা নিশ্চিত যে আলোচিত ভিডিওটি পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের গণমাধ্যমে কথা বলার একটি ভিডিও থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিকৃত করে তৈরি করা হয়েছে। অতএব আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।