| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা হলে সেনাবাহিনীকে প্রধান উপদেষ্টার গুলি করার নির্দেশের তথ্যটি ভুয়া
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ছবিসহ একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ভোটকেন্দ্রে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তিনি সেনাবাহিনীকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস সেনাবাহিনীকে এমন কোনো নির্দেশ দেননি। আসলে, নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই দাবিটি ইন্টারনেটে ছড়ানো হয়েছে।
মূলধারার গণমাধ্যম কিংবা অন্যকোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো তথ্য বা প্রমাণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সূত্রপাত
Janina Television নামের একটি ব্যাঙ্গাত্মকধর্মী পেজে গত ৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত মূল ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়। এখান থেকেই আলোচিত ফটোকার্ডটির সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।
Janina Television নামের পেজটি যে একটি ব্যাঙ্গাত্মকধর্মী পেজ তা তাদের বায়োতে স্পষ্ট করা হয়েছে। পেজটির বায়োতে লেখা আছে, ‘একটি বিনোদনমূলক প্লাটফর্ম। আমাদের পোস্ট গুলো শুধুমাত্র বিনোদনের অংশ। কোন পোস্ট সিরিয়াসলি নিবেন না।’
অর্থাৎ, বিনোদনমূলক বা ব্যাঙ্গাত্মকধর্মী পেজ থেকে মজার ছলে ছড়ানো ফটোকার্ডকে বাস্তব ঘটনার বলে প্রচার করা হয়েছে।
অতএব, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।
Topics:
পুরোনো ভিডিও ব্যবহার করে সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে অপপ্রচার
কালের কণ্ঠের ফটোকার্ড বিকৃত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জড়িয়ে অপপ্রচার
মেহেরপুরের দুই ফার্মেসির দ্বন্দ্বের ভিডিও ব্যবহার করে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা
নারী নির্যাতন
লেনদেন নিয়ে মারধর, আ লীগ করা নিয়ে নয়
চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনায়
বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
ফ্যাক্ট চেক
ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা হলে সেনাবাহিনীকে প্রধান উপদেষ্টার গুলি করার নির্দেশের তথ্যটি ভুয়া
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ছবিসহ একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ভোটকেন্দ্রে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তিনি সেনাবাহিনীকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস সেনাবাহিনীকে এমন কোনো নির্দেশ দেননি। আসলে, নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই দাবিটি ইন্টারনেটে ছড়ানো হয়েছে।
মূলধারার গণমাধ্যম কিংবা অন্যকোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো তথ্য বা প্রমাণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সূত্রপাত
Janina Television নামের একটি ব্যাঙ্গাত্মকধর্মী পেজে গত ৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত মূল ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়। এখান থেকেই আলোচিত ফটোকার্ডটির সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।
Janina Television নামের পেজটি যে একটি ব্যাঙ্গাত্মকধর্মী পেজ তা তাদের বায়োতে স্পষ্ট করা হয়েছে। পেজটির বায়োতে লেখা আছে, ‘একটি বিনোদনমূলক প্লাটফর্ম। আমাদের পোস্ট গুলো শুধুমাত্র বিনোদনের অংশ। কোন পোস্ট সিরিয়াসলি নিবেন না।’
অর্থাৎ, বিনোদনমূলক বা ব্যাঙ্গাত্মকধর্মী পেজ থেকে মজার ছলে ছড়ানো ফটোকার্ডকে বাস্তব ঘটনার বলে প্রচার করা হয়েছে।
অতএব, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।