| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি

এআই দিয়ে আরটিভির ফটোকার্ড সম্পাদনা করে মির্জা আব্বাসকে জড়িয়ে অপপ্রচার

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


এআই দিয়ে আরটিভির ফটোকার্ড সম্পাদনা করে মির্জা আব্বাসকে জড়িয়ে অপপ্রচার

“ঢাকা ৮ আসনের সকল ব্যবসায়ীকে গোপনে চিঠি দিলেন এক সপ্তাহের মধ্যে পাঁচ মাসের বকেয়া চান্দা পরিষদের অনুরোধ : মির্জা আব্বাসের” শিরোনামে আরটিভির লোগো সংবলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে জড়িয়ে এমন কোনো ফটোকার্ড আরটিভি প্রকাশ করেনি। প্রকৃতপক্ষে, এআই দিয়ে আরটিভির একটি ফটোকার্ড সম্পাদনা করে এই ভুয়া কার্ডটি তৈরি ও প্রচার করা হয়েছে।


অনুসন্ধানে আরটিভির ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজে এমন তথ্য সংবলিত কোনো ফটোকার্ড বা সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়নি।


পর্যবেক্ষণে ফটোকার্ডটিতে কিছু অসঙ্গতিও দেখতে পাওয়া যায়। যেমন, তারিখ হিসেবে লেখা রয়েছে ‘০৫ মে ২০২৬’ এবং কিউআর কোডটি স্ক্যান করলে ২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত “বাংলাদেশের এলএনজি জাহাজ হরমুজ দিয়ে চলাচলে বাধা নেই: ইরানি রাষ্ট্রদূত” শিরোনামের একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। অর্থাৎ, কিউআর কোডের সাথে ফটোকার্ডের প্রতিবেদনে মিল নেই। এছাড়াও, আরটিভি’র প্রচলিত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে ছড়ানো ফটোকার্ডের টেক্সট ফন্টেরও মিল নেই।


প্রাপ্ত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে আরটিভির ফেসবুক পেজে ২ সেপ্টেম্বর “বাংলাদেশের এলএনজি জাহাজ হরমুজ দিয়ে চলাচলে বাধা নেই: ইরানি রাষ্ট্রদূত” শিরোনামে প্রকাশিত মূল ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়। 


অর্থাৎ, এটি নিশ্চিত হওয়া যায় যে আরটিভির ফটোকার্ড সম্পাদনা করে আলোচিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।


পরবর্তীতে আলোচিত ফটোকার্ডটি ‘ওপেনএআই’-এর ডিজিটাল কন্টেন্ট যাচাইকরণ টুল এর মাধ্যমে পরীক্ষা করলে দেখা যায় এটি ‘ওপেনএআই’ এর নিজস্ব টুল বা মডেল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।




অর্থাৎ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে জড়িয়ে আরটিভি’র ফটোকার্ড দাবি করে ছড়ানো ফটোকার্ডটি এআই দিয়ে তৈরি।





Topics:



হাসিনা-পুতিনের বৈঠকের ছবিটি সাম্প্রতিক নয়, ২০১৩ সালের
বিভ্রান্তিকর
৫ অক্টোবর ২০২৬

হাসিনা-পুতিনের বৈঠকের ছবিটি সাম্প্রতিক নয়, ২০১৩ সালের

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয়ে ছাত্রদের প্রবেশের দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৫ সালের
মিথ্যা
৫ অক্টোবর ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয়ে ছাত্রদের প্রবেশের দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৫ সালের


‘বিশ্বব্যাপী যখন বোয়িংয়ের সঙ্কট শুরু হবে, তখন সুযোগ বুঝে আমরা এগুলোকে বেশি দামে বিক্রি করে দেব’ বলে মন্তব্য করেননিরুহুল কবির রিজভী
মিথ্যা
৫ অক্টোবর ২০২৬

‘বিশ্বব্যাপী যখন বোয়িংয়ের সঙ্কট শুরু হবে, তখন সুযোগ বুঝে আমরা এগুলোকে বেশি দামে বিক্রি করে দেব’ বলে মন্তব্য করেননিরুহুল কবির রিজভী


দিল্লিতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার ভিডিওটি ২০১৯ সালের
বিভ্রান্তিকর
৪ অক্টোবর ২০২৬

দিল্লিতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার ভিডিওটি ২০১৯ সালের

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের নৈশভোজে অংশ নেওয়ার ছবিটি আসল
সত্য
৪ অক্টোবর ২০২৬

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের নৈশভোজে অংশ নেওয়ার ছবিটি আসল

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



এআই দিয়ে আরটিভির ফটোকার্ড সম্পাদনা করে মির্জা আব্বাসকে জড়িয়ে অপপ্রচার

ফ্যাক্ট চেক

এআই দিয়ে আরটিভির ফটোকার্ড সম্পাদনা করে মির্জা আব্বাসকে জড়িয়ে অপপ্রচার

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

<p>এআই দিয়ে আরটিভির ফটোকার্ড সম্পাদনা করে মির্জা আব্বাসকে জড়িয়ে অপপ্রচার<br /></p>

“ঢাকা ৮ আসনের সকল ব্যবসায়ীকে গোপনে চিঠি দিলেন এক সপ্তাহের মধ্যে পাঁচ মাসের বকেয়া চান্দা পরিষদের অনুরোধ : মির্জা আব্বাসের” শিরোনামে আরটিভির লোগো সংবলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে জড়িয়ে এমন কোনো ফটোকার্ড আরটিভি প্রকাশ করেনি। প্রকৃতপক্ষে, এআই দিয়ে আরটিভির একটি ফটোকার্ড সম্পাদনা করে এই ভুয়া কার্ডটি তৈরি ও প্রচার করা হয়েছে।


অনুসন্ধানে আরটিভির ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজে এমন তথ্য সংবলিত কোনো ফটোকার্ড বা সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়নি।


পর্যবেক্ষণে ফটোকার্ডটিতে কিছু অসঙ্গতিও দেখতে পাওয়া যায়। যেমন, তারিখ হিসেবে লেখা রয়েছে ‘০৫ মে ২০২৬’ এবং কিউআর কোডটি স্ক্যান করলে ২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত “বাংলাদেশের এলএনজি জাহাজ হরমুজ দিয়ে চলাচলে বাধা নেই: ইরানি রাষ্ট্রদূত” শিরোনামের একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। অর্থাৎ, কিউআর কোডের সাথে ফটোকার্ডের প্রতিবেদনে মিল নেই। এছাড়াও, আরটিভি’র প্রচলিত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে ছড়ানো ফটোকার্ডের টেক্সট ফন্টেরও মিল নেই।


প্রাপ্ত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে আরটিভির ফেসবুক পেজে ২ সেপ্টেম্বর “বাংলাদেশের এলএনজি জাহাজ হরমুজ দিয়ে চলাচলে বাধা নেই: ইরানি রাষ্ট্রদূত” শিরোনামে প্রকাশিত মূল ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়। 


অর্থাৎ, এটি নিশ্চিত হওয়া যায় যে আরটিভির ফটোকার্ড সম্পাদনা করে আলোচিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।


পরবর্তীতে আলোচিত ফটোকার্ডটি ‘ওপেনএআই’-এর ডিজিটাল কন্টেন্ট যাচাইকরণ টুল এর মাধ্যমে পরীক্ষা করলে দেখা যায় এটি ‘ওপেনএআই’ এর নিজস্ব টুল বা মডেল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।




অর্থাৎ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে জড়িয়ে আরটিভি’র ফটোকার্ড দাবি করে ছড়ানো ফটোকার্ডটি এআই দিয়ে তৈরি।