| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
২০২৫ সালের ময়মনসিংহ বোর্ডের প্রশ্নপত্র এআই দিয়ে এডিট করে ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভুয়া দাবি
৪ মে ২০২৬
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী আগামীকাল (৫ মে) ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে গতকাল (৩ মে) থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের একটি গুজব ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এসএসসির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিতে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি মূলত এআই দিয়ে তৈরি। ২০২৫ সালের এসএসসির ময়মনসিংহ বোর্ডের প্রশ্নপত্রের ছবিকে এআই দিয়ে মাধ্যমে সম্পাদনা করে এটি তৈরি করা হয়েছে।
এই বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে বেশ কিছু বানান ভুল লক্ষ করা যায়। যেমন– ‘সংশ্লিষ্ট’ শব্দটিকে লেখা হয়েছে ‘সংপ্লিষ্ট’ এবং ‘দীর্ঘদিন’কে লেখা হয়েছে ‘দীর্থদিন’। আলোচিত প্রশ্নপত্রটিতে এ ধরনের একাধিক বানান অস্বাভাবিকতা লক্ষ করা যায়। এছাড়াও, বাক্যে অসাঞ্জস্যতাও দেখা যায়।
এসএসসির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষায় এ ধরনের বানান ভুল এবং শব্দের বিকৃতি থাকা অস্বাভাবিক। আলোচিত প্রশ্নপত্রটিতে এমন কিছু বানান বা শব্দ রয়েছে, যা একেবারেই অস্পষ্ট বা পাঠের অযোগ্য।
সেই সন্দেহ থেকেই পরবর্তী অনুসন্ধানে ২০২৫ সালের ময়মনসিংহ বোর্ডের এসএসসির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ের পরীক্ষার মূল প্রশ্নপত্রের সাথে আলোচিত প্রশ্নটি মিলিয়ে দেখা হয় এবং তাতে বেশ সাদৃশ্য পাওয়া যায়। তবে মূল প্রশ্নপত্রে বর্তমানে প্রচারিত এই ভুয়া প্রশ্নটির মতো কোনো বানান ভুল ছিল না।
সাধারণত কোনো ছবি এআই দিয়ে সম্পাদনা করলে এ ধরনের বানান ভুল ও অসামঞ্জস্যতা দেখা যায়। তাছাড়া, এসএসসির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে এমন কোনো তথ্য মূল ধারার গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, এসএসসির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিতে ২০২৫ সালের ময়মনসিংহ বোর্ডের ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ প্রশ্নপত্রকে এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এই ভুয়া প্রশ্নটি তৈরি করা হয়েছে।
Topics:
ইয়ামাহা শোরুমে হত্যাকাণ্ডের ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
নারী নির্যাতন
লেনদেন নিয়ে মারধর, আ লীগ করা নিয়ে নয়
খুলনায় মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলি:
দুইজন আহতের তথ্যকে নিহত বলে প্রচার করেছে ডেলটা লেন্স
বিএনপি আমলের নয়, স্কুলছাত্রীকে হেনস্তার এই ভিডিওটি আওয়ামী লীগ আমলের
বিএনপি আমলের নয়, স্কুলছাত্রীকে হেনস্তার এই ভিডিওটি আওয়ামী লীগ আমলের
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
ফ্যাক্ট চেক
২০২৫ সালের ময়মনসিংহ বোর্ডের প্রশ্নপত্র এআই দিয়ে এডিট করে ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভুয়া দাবি
৪ মে ২০২৬
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী আগামীকাল (৫ মে) ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে গতকাল (৩ মে) থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের একটি গুজব ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এসএসসির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিতে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি মূলত এআই দিয়ে তৈরি। ২০২৫ সালের এসএসসির ময়মনসিংহ বোর্ডের প্রশ্নপত্রের ছবিকে এআই দিয়ে মাধ্যমে সম্পাদনা করে এটি তৈরি করা হয়েছে।
এই বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে বেশ কিছু বানান ভুল লক্ষ করা যায়। যেমন– ‘সংশ্লিষ্ট’ শব্দটিকে লেখা হয়েছে ‘সংপ্লিষ্ট’ এবং ‘দীর্ঘদিন’কে লেখা হয়েছে ‘দীর্থদিন’। আলোচিত প্রশ্নপত্রটিতে এ ধরনের একাধিক বানান অস্বাভাবিকতা লক্ষ করা যায়। এছাড়াও, বাক্যে অসাঞ্জস্যতাও দেখা যায়।
এসএসসির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষায় এ ধরনের বানান ভুল এবং শব্দের বিকৃতি থাকা অস্বাভাবিক। আলোচিত প্রশ্নপত্রটিতে এমন কিছু বানান বা শব্দ রয়েছে, যা একেবারেই অস্পষ্ট বা পাঠের অযোগ্য।
সেই সন্দেহ থেকেই পরবর্তী অনুসন্ধানে ২০২৫ সালের ময়মনসিংহ বোর্ডের এসএসসির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ের পরীক্ষার মূল প্রশ্নপত্রের সাথে আলোচিত প্রশ্নটি মিলিয়ে দেখা হয় এবং তাতে বেশ সাদৃশ্য পাওয়া যায়। তবে মূল প্রশ্নপত্রে বর্তমানে প্রচারিত এই ভুয়া প্রশ্নটির মতো কোনো বানান ভুল ছিল না।
সাধারণত কোনো ছবি এআই দিয়ে সম্পাদনা করলে এ ধরনের বানান ভুল ও অসামঞ্জস্যতা দেখা যায়। তাছাড়া, এসএসসির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে এমন কোনো তথ্য মূল ধারার গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, এসএসসির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিতে ২০২৫ সালের ময়মনসিংহ বোর্ডের ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ প্রশ্নপত্রকে এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এই ভুয়া প্রশ্নটি তৈরি করা হয়েছে।