| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
প্রধান বিচারপতি যাননি, মার্কিন রাষ্ট্রদূতই এসেছিলেন প্রধান বিচারপতির বাড়িতে
১৫ আগস্ট ২০২৫
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের বাসায় গিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ এই সাক্ষাৎ করেছেন- এমন দাবি করে ওয়েব পোর্টালের একটি স্ক্রিনশট ইন্টারনেটে ছড়ানো হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, গতকাল ১৪ আগস্ট ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের বাসায় গিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সাক্ষাৎ করার তথ্য সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, গতকাল ১৪ আগস্ট প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে দেখা করতে তার সরকারি বাসভবনে সাক্ষাত করতে যান ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলে, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন। তথ্যটি সুপ্রিম কোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান। বিজ্ঞপ্তিতে সাক্ষাতের স্থানের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়নি। তবে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটি একাধিক সূত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে যে, তাদের এই সাক্ষাৎ ঢাকার রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবনে হয়েছে।
দৈনিক কালের কণ্ঠে একই বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবনে গিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম দৈনিক কালের কণ্ঠকে এই তথ্য জানান।
অর্থাৎ, দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
Topics:
নারীশিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার ভিডিওটি পুরোনো
যুগান্তরের ফটোকার্ড বিকৃত করে বাংলাদেশকে জাড়িয়ে ট্রাম্পের নামে ভুয়া তথ্য প্রচার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জড়িয়ে ড. রেজা কিবরিয়ার নামে বিকৃত বক্তব্য প্রচার
মুন্নী সাহা আটক হওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৪ সালের
ব্যারিস্টার সুমন জামিন পেয়েছেন, মুক্তি নয়
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
দুর্ঘটনাজনিত অগ্নিকাণ্ডকে কখনো বিএনপি আবার কখনো জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে ব্যবহার
সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ও পুরোনো ভিডিও প্রচার
খুলনা ও চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে হামলার দাবি সঠিক নয়
রাজশাহীতে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার দাবিও ভুয়া
সাম্প্রতিক নয়, অস্ত্র উদ্ধারের এই ছবিগুলো ২০২৪ সালের ৭ আগস্টের
ফ্যাক্ট চেক
প্রধান বিচারপতি যাননি, মার্কিন রাষ্ট্রদূতই এসেছিলেন প্রধান বিচারপতির বাড়িতে
১৫ আগস্ট ২০২৫
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের বাসায় গিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ এই সাক্ষাৎ করেছেন- এমন দাবি করে ওয়েব পোর্টালের একটি স্ক্রিনশট ইন্টারনেটে ছড়ানো হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, গতকাল ১৪ আগস্ট ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের বাসায় গিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সাক্ষাৎ করার তথ্য সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, গতকাল ১৪ আগস্ট প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে দেখা করতে তার সরকারি বাসভবনে সাক্ষাত করতে যান ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলে, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন। তথ্যটি সুপ্রিম কোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান। বিজ্ঞপ্তিতে সাক্ষাতের স্থানের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়নি। তবে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটি একাধিক সূত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে যে, তাদের এই সাক্ষাৎ ঢাকার রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবনে হয়েছে।
দৈনিক কালের কণ্ঠে একই বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবনে গিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম দৈনিক কালের কণ্ঠকে এই তথ্য জানান।
অর্থাৎ, দাবিটি বিভ্রান্তিকর।