| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
প্রকাশ্যে নারীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
মিথ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে সম্প্রতি ধর্ষণের জন্য নাচের ক্লাস থেকে প্রকাশ্যে এক নারীকে অপহরণ করা হয়েছে—এমন দাবিতে সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে।
বাংলা ফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ঘটনাটি বাংলাদেশের নয়, বরং ভারতের মধ্যপ্রদেশের। প্রকৃতপক্ষে, বিয়ের বিবাদের জেরে ভারতের মধ্যপ্রদেশের মান্দসৌরে গরবা অনুশীলন করার সময় এক নারীকে তার পরিবার অপহরণ করে। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
অনুসন্ধানে ভিডিওটিতে থাকা দৈনিক পত্রিকা ‘যায়যায়দিন’ -এর ফেসবুক পেজে গত ২২ সেপ্টেম্বর ‘নাচের ক্লাস থেকে প্রকাশ্যে অপহরণ, নেপথ্যে পরকিয়া!’ শিরোনামে ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়। তবে, ঘটনাটি কোন জায়গার এবং কোন সময়ের তা উল্লেখ করেনি যায়যায়দিন।
পরবর্তীতে, ভিডিওটির কিছু স্থিরস্থিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি -এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে গত ২২ আগস্ট ‘Madhya Pradesh Woman Practicing Garba Kidnapped By Family Over Marital Dispute’ শিরোনামে প্রচারিত ভিডিওটির সাথে আলোচিত ভিডিওটির মিল পাওয়া যায়।
এছাড়াও, গণমাধ্যমটির ওয়েবসাইটে গত ২২ সেপ্টেম্বর ‘On Camera, Madhya Pradesh Woman Practising Garba Kidnapped By Family Over Marital Dispute’ শিরোনামের উক্ত ঘটনার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখিত তথ্য থেকে জানা যায়, ওই নারী রাজস্থান থেকে এক যুবকের সঙ্গে মান্দসৌরে এসে বসবাস করছিলেন। তিনি বিবাহিত হওয়ায় পরিবারের থেকে দূরে থাকার এই সিদ্ধান্ত তাঁর আত্মীয়দের ক্ষুব্ধ করে। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা এসে তাকে প্রকাশ্যে জোর করে তুলে নিয়ে যায় এবং সেখানে উপস্থিত লোকজনকে ভয় দেখাতে একটি পিস্তল সাদৃশ্য বস্তু প্রদর্শন করে।
এছাড়াও, ভারতের একাধিক সংবাদ মাধ্যম থেকেও ঘটনাটি ভারতের বলে জানা যায়।
মূলত, যায়যায়দিন তাদের ফেসবুক পেজে ভারতের ঘটনার ভিডিওটি কোন দেশের তা উল্লেখ না করে প্রচার করে। যার ফলে বিভ্রান্তি তৈরি হয় এবং নেটিজেনরা ঘটনাটিকে বাংলাদেশের ঘটনা দাবি করে প্রচার করতে শুরু করে।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।
প্রয়োজনীয় লিংক
যায়যায়দিন , NDTV , NEWS18 , The New Indian Express , Instagram
Topics:
মিথ্যা
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় দোকান ভাঙচুর দাবি করে ছড়ানো ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
মিথ্যা
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অর্থমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
বিভ্রান্তিকর
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দুর্ঘটনাজনিত অগ্নিকাণ্ডকে কখনো বিএনপি আবার কখনো জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে ব্যবহার
মিথ্যা
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নাগরিক টিভির ফটোকার্ড বিকৃত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
মিথ্যা
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে নিয়ে দ্য ইকোনমিক টাইমসের অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
ফ্যাক্ট চেক
প্রকাশ্যে নারীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে সম্প্রতি ধর্ষণের জন্য নাচের ক্লাস থেকে প্রকাশ্যে এক নারীকে অপহরণ করা হয়েছে—এমন দাবিতে সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে।
বাংলা ফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ঘটনাটি বাংলাদেশের নয়, বরং ভারতের মধ্যপ্রদেশের। প্রকৃতপক্ষে, বিয়ের বিবাদের জেরে ভারতের মধ্যপ্রদেশের মান্দসৌরে গরবা অনুশীলন করার সময় এক নারীকে তার পরিবার অপহরণ করে। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
অনুসন্ধানে ভিডিওটিতে থাকা দৈনিক পত্রিকা ‘যায়যায়দিন’ -এর ফেসবুক পেজে গত ২২ সেপ্টেম্বর ‘নাচের ক্লাস থেকে প্রকাশ্যে অপহরণ, নেপথ্যে পরকিয়া!’ শিরোনামে ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়। তবে, ঘটনাটি কোন জায়গার এবং কোন সময়ের তা উল্লেখ করেনি যায়যায়দিন।
পরবর্তীতে, ভিডিওটির কিছু স্থিরস্থিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি -এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে গত ২২ আগস্ট ‘Madhya Pradesh Woman Practicing Garba Kidnapped By Family Over Marital Dispute’ শিরোনামে প্রচারিত ভিডিওটির সাথে আলোচিত ভিডিওটির মিল পাওয়া যায়।
এছাড়াও, গণমাধ্যমটির ওয়েবসাইটে গত ২২ সেপ্টেম্বর ‘On Camera, Madhya Pradesh Woman Practising Garba Kidnapped By Family Over Marital Dispute’ শিরোনামের উক্ত ঘটনার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখিত তথ্য থেকে জানা যায়, ওই নারী রাজস্থান থেকে এক যুবকের সঙ্গে মান্দসৌরে এসে বসবাস করছিলেন। তিনি বিবাহিত হওয়ায় পরিবারের থেকে দূরে থাকার এই সিদ্ধান্ত তাঁর আত্মীয়দের ক্ষুব্ধ করে। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা এসে তাকে প্রকাশ্যে জোর করে তুলে নিয়ে যায় এবং সেখানে উপস্থিত লোকজনকে ভয় দেখাতে একটি পিস্তল সাদৃশ্য বস্তু প্রদর্শন করে।
এছাড়াও, ভারতের একাধিক সংবাদ মাধ্যম থেকেও ঘটনাটি ভারতের বলে জানা যায়।
মূলত, যায়যায়দিন তাদের ফেসবুক পেজে ভারতের ঘটনার ভিডিওটি কোন দেশের তা উল্লেখ না করে প্রচার করে। যার ফলে বিভ্রান্তি তৈরি হয় এবং নেটিজেনরা ঘটনাটিকে বাংলাদেশের ঘটনা দাবি করে প্রচার করতে শুরু করে।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।
প্রয়োজনীয় লিংক
যায়যায়দিন , NDTV , NEWS18 , The New Indian Express , Instagram