| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
লালমনিরহাট-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা বেশি ভোট পেলেও ঘোষণার সময় ধানের শীষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে এমন দাবিটি মিথ্যা
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লালমনিরহাট-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা বেশি ভোট পেলেও ঘোষণার সময় ধানের শীষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে - এমন দাবি করে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফলের একটি বার্তা শিট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ওই শিটে দেখা যায়, দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ৬৫,৬১২ ভোট এবং ধানের শীষ পেয়েছে ৬৪,৮১২ ভোট। এছাড়াও, শিটটিতে ফলাফল প্রাপ্ত ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দেখা যায় ৮৩টি।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, লালমনিরহাট-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা বেশি ভোট পেলেও ঘোষণার সময় ধানের শীষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে এমন দাবিটি সত্য নয়। মূলত লালমনিরহাট-২ আসনটি কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই দুই উপজেলার মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৫টি; যার মধ্যে কালীগঞ্জ উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৮৩টি এবং আদিতমারী উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৭২টি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুধু কালীগঞ্জ উপজেলার ৮৩টি কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে আলোচিত ওই দাবিটি প্রচার করা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, দুই উপজেলার সম্মিলিত ফলাফলে ধানের শীষের প্রার্থীই জয়লাভ করেন।
অনুসন্ধান:
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা অনুযায়ী, লালমনিরহাট-২ আসনটি কালীগঞ্জ ও আদিতমারী নামে দুটি উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত। কালীগঞ্জ উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৮৩টি এবং আদিতমারী উপজেলায় ৭২টি। অর্থাৎ, উভয় উপজেলা মিলিয়ে লালমনিরহাট-২ আসনে মোট ১৫৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
পরবর্তীতে,বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রোকন উদ্দীন বাবুল পেয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৬ ভোট । এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. ফিরোজ হায়দার পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ২৫২ ভোট।
অর্থাৎ, লালমনিরহাট-২ আসনে দুই উপজেলার সম্মিলিত ভোটে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জয় লাভ করেন।
সুতরাং, লালমনিরহাট-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা বেশি ভোট পেলেও ঘোষণার সময় ধানের শীষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে এমন দাবিটি মিথ্যা।
Topics:
গণভোটের গাণিতিক বিশ্লেষণের দাবিতে
আব্দুর নূর তুষারের ভুল তথ্য প্রচার
ভোট প্রদান ইস্যুতে ডিএমপি কমিশনারের
খণ্ডিত বক্তব্য বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচার
গণভোটের হার ১৪% দাবি করে আওয়ামী লীগের গুজব প্রচার
সেনাবাহিনীর একাংশ বিদ্রোহ করেছে দাবি
করে ভুয়া তথ্য প্রচার
সেনাবাহিনীর মহড়ার দৃশ্যকে রাজশাহীতে ব্যালট বাক্স ছিনতাই দাবিতে প্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
ফ্যাক্ট চেক
লালমনিরহাট-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা বেশি ভোট পেলেও ঘোষণার সময় ধানের শীষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে এমন দাবিটি মিথ্যা
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লালমনিরহাট-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা বেশি ভোট পেলেও ঘোষণার সময় ধানের শীষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে - এমন দাবি করে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফলের একটি বার্তা শিট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ওই শিটে দেখা যায়, দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ৬৫,৬১২ ভোট এবং ধানের শীষ পেয়েছে ৬৪,৮১২ ভোট। এছাড়াও, শিটটিতে ফলাফল প্রাপ্ত ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দেখা যায় ৮৩টি।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, লালমনিরহাট-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা বেশি ভোট পেলেও ঘোষণার সময় ধানের শীষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে এমন দাবিটি সত্য নয়। মূলত লালমনিরহাট-২ আসনটি কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই দুই উপজেলার মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৫টি; যার মধ্যে কালীগঞ্জ উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৮৩টি এবং আদিতমারী উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৭২টি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুধু কালীগঞ্জ উপজেলার ৮৩টি কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে আলোচিত ওই দাবিটি প্রচার করা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, দুই উপজেলার সম্মিলিত ফলাফলে ধানের শীষের প্রার্থীই জয়লাভ করেন।
অনুসন্ধান:
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা অনুযায়ী, লালমনিরহাট-২ আসনটি কালীগঞ্জ ও আদিতমারী নামে দুটি উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত। কালীগঞ্জ উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৮৩টি এবং আদিতমারী উপজেলায় ৭২টি। অর্থাৎ, উভয় উপজেলা মিলিয়ে লালমনিরহাট-২ আসনে মোট ১৫৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
পরবর্তীতে,বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রোকন উদ্দীন বাবুল পেয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৬ ভোট । এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. ফিরোজ হায়দার পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ২৫২ ভোট।
অর্থাৎ, লালমনিরহাট-২ আসনে দুই উপজেলার সম্মিলিত ভোটে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জয় লাভ করেন।
সুতরাং, লালমনিরহাট-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা বেশি ভোট পেলেও ঘোষণার সময় ধানের শীষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে এমন দাবিটি মিথ্যা।