| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
সাম্প্রতিক নয়, অস্ত্র উদ্ধারের এই ছবিগুলো ২০২৪ সালের ৭ আগস্টের
১০ আগস্ট ২০২৫
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে থানা থেকে লুট করা পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র মসজিদ থেকে এক বছর পর উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা একাধিক ছবি সম্প্রতি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, মসজিদ থেকে আগ্নেয়াঅস্ত্র উদ্ধারের এই ছবিগুলো সাম্প্রতিক সময়ের নয়। প্রকৃতপক্ষে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে খিলগাঁও থানার আগ্নেয়াঅস্ত্র লুট হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর স্থানীয় এলাকাবাসী ৭ আগস্ট রাজধানীর খিলগাঁও ঈমানবাগ জামে মসজিদ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো উদ্ধার করে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন। সেই ঘটনারই ছবি এগুলো।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোর প্রথম ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের ওয়েবসাইটে ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই ছবি পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ৭ আগস্ট রাজধানীর খিলগাঁও থানা থেকে লুট হওয়া শতাধিক আগ্নেয়াস্ত্র স্থানীয় এলাকাবাসী খিলগাঁও ঈমানবাগ জামে মসজিদ থেকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন। আগ্নেয়াস্ত্র লুটের বিষয়ে এলাকাবাসী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটিকে জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশবাহিনী এসব অস্ত্র দিয়ে সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালাতে পারতো। সেই আশঙ্কায় তারা অস্ত্রগুলো লুট করেছিল।
উল্লেখ্য, রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় গতকাল শনিবার (৯ আগস্ট) কয়েকটি দোকান ও গুদামে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ হাজার ১০০টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। এছাড়া, এসব অস্ত্র বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অর্থাৎ, অস্ত্র উদ্ধারের পুরোনো ছবিকে সাম্প্রতিক দাবি করে ইন্টারনেটে ছড়ানো হচ্ছে; যা বিভ্রান্তিকর।
Topics:
রমনা পার্কে নিরাপত্তা মহড়ার দৃশ্যকে ‘আতঙ্কবাদীর হামলা’ দাবি করে অপপ্রচার
উখিয়ায় ৫ বছরের শিশুকে আটক করা হয়নি, আত্মীয়-স্বজন হেফাজতে না নেওয়ায় মায়ের সঙ্গে আদালতে নেওয়া হয়
নরসিংদীতে মাদ্রাসা ছাত্র পিটুনির দৃশ্য দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের
ঘটনাস্থল ‘ভারত’ উল্লেখ না করে গণমাধ্যমের শিরোনাম, বিদেশি ঘটনাকে পাঠক মনে করছে বাংলাদেশের
ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ভেঙে ফেলা হচ্ছে দাবিতে অপপ্রচার
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের ঘটনাকে বাংলাদেশে হিন্দু ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধারের ঘটনা দাবিতে প্রচার
মেয়ে শিশুকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের দাবিটি সঠিক নয়
গণভোটের গাণিতিক বিশ্লেষণের দাবিতে
আব্দুর নূর তুষারের ভুল তথ্য প্রচার
ফ্যাক্ট চেক
সাম্প্রতিক নয়, অস্ত্র উদ্ধারের এই ছবিগুলো ২০২৪ সালের ৭ আগস্টের
১০ আগস্ট ২০২৫
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে থানা থেকে লুট করা পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র মসজিদ থেকে এক বছর পর উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা একাধিক ছবি সম্প্রতি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, মসজিদ থেকে আগ্নেয়াঅস্ত্র উদ্ধারের এই ছবিগুলো সাম্প্রতিক সময়ের নয়। প্রকৃতপক্ষে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে খিলগাঁও থানার আগ্নেয়াঅস্ত্র লুট হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর স্থানীয় এলাকাবাসী ৭ আগস্ট রাজধানীর খিলগাঁও ঈমানবাগ জামে মসজিদ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো উদ্ধার করে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন। সেই ঘটনারই ছবি এগুলো।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোর প্রথম ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের ওয়েবসাইটে ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই ছবি পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ৭ আগস্ট রাজধানীর খিলগাঁও থানা থেকে লুট হওয়া শতাধিক আগ্নেয়াস্ত্র স্থানীয় এলাকাবাসী খিলগাঁও ঈমানবাগ জামে মসজিদ থেকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন। আগ্নেয়াস্ত্র লুটের বিষয়ে এলাকাবাসী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটিকে জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশবাহিনী এসব অস্ত্র দিয়ে সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালাতে পারতো। সেই আশঙ্কায় তারা অস্ত্রগুলো লুট করেছিল।
উল্লেখ্য, রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় গতকাল শনিবার (৯ আগস্ট) কয়েকটি দোকান ও গুদামে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ হাজার ১০০টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। এছাড়া, এসব অস্ত্র বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অর্থাৎ, অস্ত্র উদ্ধারের পুরোনো ছবিকে সাম্প্রতিক দাবি করে ইন্টারনেটে ছড়ানো হচ্ছে; যা বিভ্রান্তিকর।