| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
বিক্ষোভকারী কর্তৃক মিরপুরে পুলিশ সদস্যকে পেটানোর দৃশ্য ছড়ানো হচ্ছে পোশাকশ্রমিককে বিএনপির নেতাকর্মীদের মারধরের দাবিতে
৪ নভেম্বর ২০২৬
মিরপুরে এক পোশাকশ্রমিককে বিএনপির নেতাকর্মীরা মারধর করেছেন – এমন দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটিতে পোশাকশ্রমিককে বিএনপির নেতাকর্মীদের মারধর করার দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, গতকাল (৩ নভেম্বর) মিরপুরে এক পুলিশ সদস্যকে মাটিতে ফেলে বিক্ষোভকারীদের পেটানোর দৃশ্য এটি।
‘The Daily Campus’-এর ফেসবুক পেজে ৩ নভেম্বর ভিডিওটি প্রচার করতে দেখা যায়। ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “মিরপুরে পুলিশকে মাটিতে ফেলে পে/টাল আন্দোলনকারীরা”
প্রথম আলোর ফেসবুক পেজে ভিডিওটি নিয়ে ‘মিরপুরে সংঘর্ষের মধ্যে এক পুলিশ সদস্যকে মাটিতে ফেলে পেটালেন বিক্ষোভকারীরা’ ক্যাপশনে একটি সংবাদ প্রতিবেদন প্রচার করে। সংবাদটিতে বলা হয়, ৩ নভেম্বর বেলা ১১টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশন থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে কালশী সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাটির বিষয়ে প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, “ওই রাস্তার কাছের একটি বাসার বারান্দা থেকে পুলিশ সদস্যকে মারধরের ওই ভিডিও ধারণ করেন এক নারী। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে ওই নারী বলেন, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করছিল। এ সময় মিরপুর-১২ নম্বরে একটি সড়কে কয়েকজন পুলিশ সদস্য বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে তাঁরা আন্দোলনকারীদের মাঝখানে পড়ে যান। ওই নারী বলেন, আন্দোলনকারীরা চারদিক থেকে পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ছিলেন। এ সময় পুলিশ সদস্যরা সরে গিয়ে আশপাশে অবস্থান নেন। তবে একজন পুলিশ সদস্যকে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ ঘিরে মারধর শুরু করে। এ সময় আশপাশে আর কোনো পুলিশকে দেখা যায়নি।”
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।
Topics:
আন্দোলনে বিশৃঙ্খলা দেখলে পিটিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার কথা বলেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের দৃশ্য দাবি করে ভারতের দৃশ্য প্রচার
সীমান্তে আরাকান আর্মিকে অনুপ্রবেশে বাধা দেওয়ার পুরোনো ভিডিও প্রচার করে বিজিবিকে নিয়ে অপপ্রচার
শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার এই ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রবাসীর করুণ পরিস্থিতি বলে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
২০১৯ সালের নারী নির্যাতনের ঘটনাকে সাম্প্রতিক দাবিতে প্রচার
বাংলাদেশে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের
গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানের দৃশ্য দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো
ফ্যাক্ট চেক
বিক্ষোভকারী কর্তৃক মিরপুরে পুলিশ সদস্যকে পেটানোর দৃশ্য ছড়ানো হচ্ছে পোশাকশ্রমিককে বিএনপির নেতাকর্মীদের মারধরের দাবিতে
৪ নভেম্বর ২০২৬
মিরপুরে এক পোশাকশ্রমিককে বিএনপির নেতাকর্মীরা মারধর করেছেন – এমন দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটিতে পোশাকশ্রমিককে বিএনপির নেতাকর্মীদের মারধর করার দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, গতকাল (৩ নভেম্বর) মিরপুরে এক পুলিশ সদস্যকে মাটিতে ফেলে বিক্ষোভকারীদের পেটানোর দৃশ্য এটি।
‘The Daily Campus’-এর ফেসবুক পেজে ৩ নভেম্বর ভিডিওটি প্রচার করতে দেখা যায়। ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “মিরপুরে পুলিশকে মাটিতে ফেলে পে/টাল আন্দোলনকারীরা”
প্রথম আলোর ফেসবুক পেজে ভিডিওটি নিয়ে ‘মিরপুরে সংঘর্ষের মধ্যে এক পুলিশ সদস্যকে মাটিতে ফেলে পেটালেন বিক্ষোভকারীরা’ ক্যাপশনে একটি সংবাদ প্রতিবেদন প্রচার করে। সংবাদটিতে বলা হয়, ৩ নভেম্বর বেলা ১১টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশন থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে কালশী সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাটির বিষয়ে প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, “ওই রাস্তার কাছের একটি বাসার বারান্দা থেকে পুলিশ সদস্যকে মারধরের ওই ভিডিও ধারণ করেন এক নারী। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে ওই নারী বলেন, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করছিল। এ সময় মিরপুর-১২ নম্বরে একটি সড়কে কয়েকজন পুলিশ সদস্য বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে তাঁরা আন্দোলনকারীদের মাঝখানে পড়ে যান। ওই নারী বলেন, আন্দোলনকারীরা চারদিক থেকে পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ছিলেন। এ সময় পুলিশ সদস্যরা সরে গিয়ে আশপাশে অবস্থান নেন। তবে একজন পুলিশ সদস্যকে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ ঘিরে মারধর শুরু করে। এ সময় আশপাশে আর কোনো পুলিশকে দেখা যায়নি।”
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।