| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
গ্রেনেড উদ্ধারের পুরনো ছবি দিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পেজ থেকে ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য
১৫ এপ্রিল ২০২৬
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর ডেমরার সারুলিয়া এলাকায় গরুর হাটের পাশে ঝোপ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি গ্রেনেড উদ্ধার করে র্যাব-১০। র্যাবের মতে এই গ্রনেডগুলো ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যগ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার দিন ঢাকার কয়েকটি থানায় হামলার সময় লুট হওয়া গ্রেনেডগুলোরই অংশ।
এই তথ্যের ভিত্তিতে Khondaker Tareq Royhan নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল শনিবার রাত ১২টায় গ্রেনেডের ছবিসহ একটি পোস্ট করেন। অ্যাকাউন্টটিতে উল্লেখ করা আছে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উপ-কমিটির সদস্য। এই পোস্টটি আজকে রোববার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৫৯ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। পোস্ট শেয়ার করে জয় লিখেছে, ‘ইউনূস সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে পাকিস্তানের তৈরি গ্রেনেড উদ্ধার।’
কিন্তু, যাচাইয়ে দেখা গেছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পোস্টের ক্যাপশনের দাবি সত্য নয় এবং Khondaker Tareq Royhan নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের শেয়ার করা ছবিটি গতকাল ডেমরার সারুলিয়া থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি গ্রেনেড উদ্ধারের নয়। ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মরাগাছ তলা এলাকা থেকে নয়টি গ্রেনেড পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। ছবিটি সেই ঘটনার।
ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক আজকের পত্রিকার ওয়েবসাইটে গত বছরের ৯ নভেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই ছবি পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত বছরের ৮ নভেম্বর যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া বালুখালীর মরাগাছ তলা এলাকা থেকে নয়টি গ্রেনেড পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া গ্রেনেডগুলোর মধ্যে চারটি আরজে হ্যান্ড গ্রেনেড ও পাঁচটি এম-সিক্স সেভেন হ্যান্ড গ্রেনেড ছিল। এ ঘটনায় তখন উখিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
সেই সময়ে প্রকাশিত দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
তথ্যসূত্র
দৈনিক আজকের পত্রিকা
দৈনিক প্রথম আলো
Topics:
একাত্তর টিভির ফটোকার্ড বিকৃত করে তারেক রহমানের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
শামীম ওসমান সম্প্রতি দুবাইয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো
টিকা, তেল এবং বিদ্যুৎ নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
১৮ বছরেই বিয়ে বাধ্যতামূলক করেনি সরকার
ভারতের ভিডিও দিয়ে বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
সামান্তার নয়, ভিডিওটি আওয়ামী লীগ নেতার বাসা থেকে টাকা, সোনার গয়না উদ্ধারের
হাসিনার কণ্ঠের টেপ রেকর্ডিংয়ের ব্যাপারে "নিশ্চিত না"- বক্তব্যটি আওয়ামী লীগ মুখপাত্রের, বিবিসি'র নয়
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ২ শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার দাবিটি মিথ্যা
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হ্যান্ডশেকের এই ছবিটি এডিটেড।
ফ্যাক্ট চেক
গ্রেনেড উদ্ধারের পুরনো ছবি দিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পেজ থেকে ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য
১৫ এপ্রিল ২০২৬
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর ডেমরার সারুলিয়া এলাকায় গরুর হাটের পাশে ঝোপ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি গ্রেনেড উদ্ধার করে র্যাব-১০। র্যাবের মতে এই গ্রনেডগুলো ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যগ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার দিন ঢাকার কয়েকটি থানায় হামলার সময় লুট হওয়া গ্রেনেডগুলোরই অংশ।
এই তথ্যের ভিত্তিতে Khondaker Tareq Royhan নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল শনিবার রাত ১২টায় গ্রেনেডের ছবিসহ একটি পোস্ট করেন। অ্যাকাউন্টটিতে উল্লেখ করা আছে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উপ-কমিটির সদস্য। এই পোস্টটি আজকে রোববার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৫৯ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। পোস্ট শেয়ার করে জয় লিখেছে, ‘ইউনূস সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে পাকিস্তানের তৈরি গ্রেনেড উদ্ধার।’
কিন্তু, যাচাইয়ে দেখা গেছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পোস্টের ক্যাপশনের দাবি সত্য নয় এবং Khondaker Tareq Royhan নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের শেয়ার করা ছবিটি গতকাল ডেমরার সারুলিয়া থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি গ্রেনেড উদ্ধারের নয়। ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মরাগাছ তলা এলাকা থেকে নয়টি গ্রেনেড পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। ছবিটি সেই ঘটনার।
ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক আজকের পত্রিকার ওয়েবসাইটে গত বছরের ৯ নভেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই ছবি পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত বছরের ৮ নভেম্বর যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া বালুখালীর মরাগাছ তলা এলাকা থেকে নয়টি গ্রেনেড পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া গ্রেনেডগুলোর মধ্যে চারটি আরজে হ্যান্ড গ্রেনেড ও পাঁচটি এম-সিক্স সেভেন হ্যান্ড গ্রেনেড ছিল। এ ঘটনায় তখন উখিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
সেই সময়ে প্রকাশিত দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
তথ্যসূত্র
দৈনিক আজকের পত্রিকা
দৈনিক প্রথম আলো