| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
মেহেরপুরের দুই ফার্মেসির দ্বন্দ্বের ভিডিও ব্যবহার করে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা
২২ জুন ২০২৬
এমপির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জন্য চাঁদা না পেয়ে ফার্মেসি দোকানিকে পিটিয়ে হত্যা করলেন বিএনপি নেতা - এমন দাবি করে একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের গেটে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে ১৯ জুন এক ফার্মেসির ব্যক্তি অন্য ফার্মেসির কর্মচারীর ওপর হামলা করেন। এটি সেই ঘটনার ভিডিও। হামলার শিকার ব্যক্তি মাইশা ফার্মেসির কর্মচারী এবং হামলাকারী সোনালী ফার্মেসির মালিক। হামলার শিকার ব্যক্তি বাংলাফ্যাক্টকে জানান, “এই ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে সোনালী ফার্মেসির লোক আমার ওপর হামলা করেছে।”
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘Barta Meherpur’ নামের ফেসবুক পেজে ২০ জুন ভিডিওটি প্রচার করতে দেখা যায়। ভিডিওটির ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল গেটে মাইশা ফার্মেসির কর্মচারী শফিকুলের উপরে, সোনালী ফার্মেসীর মালিক শাহিন অতর্কিত হামলা করে গুরুতর আহত করে। বর্তমানে শফিকুল মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছে তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় ডাক্তার তাকে রাজশাহী মেডিকেলে রেফার্ড করেছে।”
এছাড়াও, Mujibnagar Khabor নামের একটি পেজ থেকে একই তথ্যে ভিডিওটি প্রচার করতে দেখা যায়।
পরবর্তীতে, হামলার শিকার ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বাংলাফ্যাক্টকে জানান, “এই ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে সোনালী ফার্মেসির লোক আমার ওপর হামলা করেছে।”
এছাড়াও, ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শীর সাথে বাংলাফ্যাক্টের যোগাযোগ হয়। তিনি জানান, তাদের মধ্যে রোগীর ওষুধের জন্য ডাকাডাকি নিয়ে আগেও ঝামেলা হয়েছে। মূলত ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এমন ঘটনা ঘটেছে।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।
Topics:
বিএনপি
পারিবারিক কলহের দৃশ্যকে ছাত্রলীগ নেতার মাকে নির্যাতন বলে প্রচার
হাসিনা-পুতিনের বৈঠকের ছবিটি সাম্প্রতিক নয়, ২০১৩ সালের
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয়ে ছাত্রদের প্রবেশের দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৫ সালের
‘বিশ্বব্যাপী যখন বোয়িংয়ের সঙ্কট শুরু হবে, তখন সুযোগ বুঝে আমরা এগুলোকে বেশি দামে বিক্রি করে দেব’ বলে মন্তব্য করেননিরুহুল কবির রিজভী
দিল্লিতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার ভিডিওটি ২০১৯ সালের
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
ভিন্ন ঘটনার ভিডিও দিয়ে চলছে আওয়ামী লীগের ‘লকডাউন’ অপপ্রচার (পর্ব-৩)
ভারতের ভিডিও ছড়িয়ে বিএনপি কর্মীদের হাতে আওয়ামী লীগ নেতা হত্যার মিথ্যা দাবি প্রচার
প্রধান উপদেষ্টার ইতালি সফর নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার
তারেক রহমান ও আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে জড়িয়ে আবিদুল ইসলাম খানের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
ফ্যাক্ট চেক
মেহেরপুরের দুই ফার্মেসির দ্বন্দ্বের ভিডিও ব্যবহার করে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা
২২ জুন ২০২৬
এমপির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জন্য চাঁদা না পেয়ে ফার্মেসি দোকানিকে পিটিয়ে হত্যা করলেন বিএনপি নেতা - এমন দাবি করে একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের গেটে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে ১৯ জুন এক ফার্মেসির ব্যক্তি অন্য ফার্মেসির কর্মচারীর ওপর হামলা করেন। এটি সেই ঘটনার ভিডিও। হামলার শিকার ব্যক্তি মাইশা ফার্মেসির কর্মচারী এবং হামলাকারী সোনালী ফার্মেসির মালিক। হামলার শিকার ব্যক্তি বাংলাফ্যাক্টকে জানান, “এই ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে সোনালী ফার্মেসির লোক আমার ওপর হামলা করেছে।”
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘Barta Meherpur’ নামের ফেসবুক পেজে ২০ জুন ভিডিওটি প্রচার করতে দেখা যায়। ভিডিওটির ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, “মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল গেটে মাইশা ফার্মেসির কর্মচারী শফিকুলের উপরে, সোনালী ফার্মেসীর মালিক শাহিন অতর্কিত হামলা করে গুরুতর আহত করে। বর্তমানে শফিকুল মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছে তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় ডাক্তার তাকে রাজশাহী মেডিকেলে রেফার্ড করেছে।”
এছাড়াও, Mujibnagar Khabor নামের একটি পেজ থেকে একই তথ্যে ভিডিওটি প্রচার করতে দেখা যায়।
পরবর্তীতে, হামলার শিকার ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বাংলাফ্যাক্টকে জানান, “এই ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে সোনালী ফার্মেসির লোক আমার ওপর হামলা করেছে।”
এছাড়াও, ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শীর সাথে বাংলাফ্যাক্টের যোগাযোগ হয়। তিনি জানান, তাদের মধ্যে রোগীর ওষুধের জন্য ডাকাডাকি নিয়ে আগেও ঝামেলা হয়েছে। মূলত ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এমন ঘটনা ঘটেছে।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।