| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি

সাদিক কায়েমের সঙ্গে হাদির ওপর সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবিটি এআই-সৃষ্ট

১৬ মার্চ ২০২৬


সাদিক কায়েমের সঙ্গে হাদির ওপর সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবিটি এআই-সৃষ্ট
মিথ্যা

ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় গতকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এরই মধ্যে এই ঘটনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ফেসবুক পেজ থেকে আজ (১৩ ডিসেম্বর) একটি পোস্টে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করে তার তথ্য প্রদানের অনুরোধ জানায়। 


এরই প্রেক্ষিতে, শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমের কাছের ব্যক্তি দাবি করে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াচ্ছে।


এমন দাবি করে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বাংলাভিশনের ডেপুটি নিউজ এডিটর মোস্তফা কামাল তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করেছেন। পোস্টের শুরুতে তিনি ক্যাপশনে লেখেন, ‘ওই ছেলেই এই ছেলে? কার কাছে কে ঘেঁষে, কে ফাঁসে? কে কাশে?’ পরবর্তীতে সম্পাদনা করে লেখেন, ‘ওই ছেলেই এই ছেলে? কার কাছে কে ঘেঁষে, কে ফাঁসে? কে কাশে? আড়ালে কে হাসে? ছবিটা রিয়েল না এআই দিয়ে তৈরি?’


তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। আসলে এই ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি।


অনুসন্ধানে গণমাধ্যম কিংবা নির্ভরযোগ্য কোন সূত্রে দুজনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কোন তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।


পরবর্তীতে, আলোচিত ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে এতে একাধিক অসঙ্গতি পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত হতে এআই কনটেন্ট শনাক্তকরণ টুল হাইভ মডেরেশনে ছবিটি পরীক্ষা করলে এটি এআই-সৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা ৮৮.৩ শতাংশ বলে জানানো হয়।


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা এবং ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি। 





Topics:



ভারতের স্কুলের ভিডিওকে কুমিল্লার দাবি করে বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
বিভ্রান্তিকর
৯ মার্চ ২০২৬

ভারতের স্কুলের ভিডিওকে কুমিল্লার দাবি করে বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার

ভারতের ঘটনাকে দোকানদারের ওপরে চাঁদার দাবিতে যুবদল নেতার হামলা দাবি করে প্রচার
মিথ্যা
৯ মার্চ ২০২৬

ভারতের ঘটনাকে দোকানদারের ওপরে চাঁদার দাবিতে যুবদল নেতার হামলা দাবি করে প্রচার

বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সংঘর্ষ দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি পাকিস্তানের
মিথ্যা
৮ মার্চ ২০২৬

বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সংঘর্ষ দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি পাকিস্তানের

‘নতুন করে দেশ সংস্কারে শেখ হাসিনাকে দরকার’- এমন মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান করেননি
মিথ্যা
৫ মার্চ ২০২৬

‘নতুন করে দেশ সংস্কারে শেখ হাসিনাকে দরকার’- এমন মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান করেননি

ভারতের বিহারে মেয়ে শিশুর লাশ উদ্ধারের ভিডিওকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা এক শিশুকে ধর্ষণের পর
 গলা কেটে হত্যার দাবি করে প্রচার
মিথ্যা
৫ মার্চ ২০২৬

ভারতের বিহারে মেয়ে শিশুর লাশ উদ্ধারের ভিডিওকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার দাবি করে প্রচার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



সাদিক কায়েমের সঙ্গে হাদির ওপর সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবিটি এআই-সৃষ্ট

ফ্যাক্ট চেক

সাদিক কায়েমের সঙ্গে হাদির ওপর সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবিটি এআই-সৃষ্ট

১৬ মার্চ ২০২৬

<p><span style="font-size: 24px; font-weight: bold;">সাদিক কায়েমের সঙ্গে হাদির ওপর সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবিটি এআই-সৃষ্ট</span><br /></p>

ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় গতকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এরই মধ্যে এই ঘটনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ফেসবুক পেজ থেকে আজ (১৩ ডিসেম্বর) একটি পোস্টে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করে তার তথ্য প্রদানের অনুরোধ জানায়। 


এরই প্রেক্ষিতে, শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমের কাছের ব্যক্তি দাবি করে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াচ্ছে।


এমন দাবি করে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বাংলাভিশনের ডেপুটি নিউজ এডিটর মোস্তফা কামাল তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করেছেন। পোস্টের শুরুতে তিনি ক্যাপশনে লেখেন, ‘ওই ছেলেই এই ছেলে? কার কাছে কে ঘেঁষে, কে ফাঁসে? কে কাশে?’ পরবর্তীতে সম্পাদনা করে লেখেন, ‘ওই ছেলেই এই ছেলে? কার কাছে কে ঘেঁষে, কে ফাঁসে? কে কাশে? আড়ালে কে হাসে? ছবিটা রিয়েল না এআই দিয়ে তৈরি?’


তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। আসলে এই ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি।


অনুসন্ধানে গণমাধ্যম কিংবা নির্ভরযোগ্য কোন সূত্রে দুজনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কোন তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।


পরবর্তীতে, আলোচিত ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে এতে একাধিক অসঙ্গতি পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত হতে এআই কনটেন্ট শনাক্তকরণ টুল হাইভ মডেরেশনে ছবিটি পরীক্ষা করলে এটি এআই-সৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা ৮৮.৩ শতাংশ বলে জানানো হয়।


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা এবং ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি।