| এক্সপ্লেইনার | এক্সপ্লেইন
ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুজন ভারতে আটক
৮ মার্চ ২০২৬
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
গত ৭ ও ৮ মার্চ মধ্যবর্তী রাতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই ও আইএএনএস এসব তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদ সংস্থা এএনআই এসটিএফের বরাত দিয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও হত্যার মতো গুরুতর অপরাধ করার পর দুই ব্যক্তি অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছিলেন। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপন করে ছিলেন এবং সুযোগ বুঝে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ৭ ও ৮ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে বনগাঁও এলাকা থেকে ওই দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। খুনের ঘটনার পর তাঁরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান শেষে সম্প্রতি পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের উদ্দেশ্যে বনগাঁয় জড়ো হয়েছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই ঘটনায় একটি সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ রোববার তাঁদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাঁদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় আরও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে ব্যাটারিচালিত রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে সেখানে ১৮ ডিসেম্বর মারা যান।
Topics:
শরিফ ওসমান হাদি
বর্ণবাদী বুলডোজার ইসরাইল থেকে ই ছড়ায় ভারতে এবং বাংলাদেশেও
কৃষক কার্ড পাওয়া কবীর হোসেন আপাদমস্তক কৃষক; ছড়ানো ছবিগুলো এআই দিয়ে তৈরি
১/১১ এর পরিকল্পনা: গবেষণা প্রতিবেদনের সাক্ষ্য
জেনারেল মাসুদ শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, শেখ হেলালসহ
গুলশানে গোপন বৈঠক করেছিলেন
মামলা হয়নি, অথচ সাওদা সুমির মামলা প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের মহিলা বিভাগের
গণভোট বাতিল হয়নি, গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
মন্দিরে হামলা নয়, রেলওয়ের জমিতে মন্দির তৈরি নিয়ে কলহ
মামলা হয়নি, অথচ সাওদা সুমির মামলা প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের মহিলা বিভাগের
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে তুলসী গ্যাবার্ডর বক্তব্যের বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্য গণনাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ভাবে উপস্থাপন
এক্সপ্লেইনার
ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুজন ভারতে আটক
৮ মার্চ ২০২৬
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
গত ৭ ও ৮ মার্চ মধ্যবর্তী রাতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই ও আইএএনএস এসব তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদ সংস্থা এএনআই এসটিএফের বরাত দিয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও হত্যার মতো গুরুতর অপরাধ করার পর দুই ব্যক্তি অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছিলেন। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপন করে ছিলেন এবং সুযোগ বুঝে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ৭ ও ৮ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে বনগাঁও এলাকা থেকে ওই দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। খুনের ঘটনার পর তাঁরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান শেষে সম্প্রতি পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের উদ্দেশ্যে বনগাঁয় জড়ো হয়েছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই ঘটনায় একটি সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ রোববার তাঁদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাঁদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় আরও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে ব্যাটারিচালিত রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে সেখানে ১৮ ডিসেম্বর মারা যান।