| ফ্যাক্ট চেক | আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশি নয়, ত্রিপুরায় বিএসএফ সদস্যকে মাধরের ঘটনায় জড়িতরা ভারতীয়

৪ নভেম্বর ২০২৬


বাংলাদেশি নয়, ত্রিপুরায় বিএসএফ সদস্যকে মাধরের ঘটনায় জড়িতরা ভারতীয়
মিথ্যা

বাংলাদেশি নয়, ত্রিপুরায় বিএসএফ সদস্যকে মাধরের ঘটনায় জড়িতরা ভারতীয়   


ভারতের ত্রিপুরায় কথিত বাংলাদেশের চোরাকারবারি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বিএসএফ সদস্যদের ওপর হামলা করে এক সদস্যের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছেন — এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হচ্ছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ত্রিপুরার উক্ত ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি জড়িত নন। মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানসহ অভিযুক্ত সকলে ত্রিপুরার স্থানীয়। 


এই বিষয়ে অনুসন্ধানে ভারতের আসামের স্থানীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য সেনটিনেল এর ওয়েবসাইটে গত ২ অক্টোবরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেদিন ত্রিপুরার সিপাহিজালা জেলার বক্সানগরের কালামচৌড়া থানার অন্তর্গত আশাবাড়ি গ্রাম সীমান্ত এলাকায় সড়কে গাছপালা পরিষ্কার করার অভিযান চলাকালে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এক সহিংস সংঘর্ষ হয়। 


৪৯তম ব্যাটালিয়নের বিএসএফ সদস্যরা হাফিজুর রহমান নামে এক স্থানীয় যুবককে আটক করে গুরুতর মারধর করে, যার ফলে তার পা ভেঙে যায়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভকারীদের একটি দল অবিলম্বে জবাবদিহিতার দাবিতে নতুন বাজারের কাছে আশাবাড়ি-রহিমপুর সড়ক অবরোধ করে। এতে অন্তত তিনজন বিএসএফ সদস্য এবং একাধিক গ্রামবাসী আহত হন। 


ইন্ডিয়াটুডে, আনন্দবাজারসহ একাধিক গণমাধ্যম থেকেও একই তথ্য জানা যায়। তবে মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বাংলাদেশি ছিলেন, এমন তথ্য উল্লেখ পাওয়া যায়নি। 


অর্থাৎ, দাবিটি মিথ্যা।





Topics:



এবার এআই দিয়ে ইতালীয় সংবাদপত্রের আদলে ভুয়া খবর বানিয়ে ছড়াচ্ছে আওয়ামীপন্থীরা
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার এআই দিয়ে ইতালীয় সংবাদপত্রের আদলে ভুয়া খবর বানিয়ে ছড়াচ্ছে আওয়ামীপন্থীরা

শেখ হাসিনাকে নিয়ে রাহুল গান্ধীর নামে ভুয়া বক্তব্য প্রচার
২৩ আগস্ট ২০২৬

শেখ হাসিনাকে নিয়ে রাহুল গান্ধীর নামে ভুয়া বক্তব্য প্রচার

বাংলাদেশকে অনিরাপদ দেখানোর অপচেষ্টা; ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের
মিথ্যা
২২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশকে অনিরাপদ দেখানোর অপচেষ্টা; ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের

ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে এমবাপ্পের উপস্থিতির দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৩ সালের
বিভ্রান্তিকর
২০ জুলাই ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে এমবাপ্পের উপস্থিতির দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৩ সালের

ফিলিপাইনে ভূমিকম্পের দৃশ্য দাবি করে পুরোনো ও ভিন্ন দেশের ভিডিও প্রচার
বিভ্রান্তিকর
৮ জুন ২০২৬

ফিলিপাইনে ভূমিকম্পের দৃশ্য দাবি করে পুরোনো ও ভিন্ন দেশের ভিডিও প্রচার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



বাংলাদেশি নয়, ত্রিপুরায় বিএসএফ সদস্যকে মাধরের ঘটনায় জড়িতরা ভারতীয়

ফ্যাক্ট চেক

বাংলাদেশি নয়, ত্রিপুরায় বিএসএফ সদস্যকে মাধরের ঘটনায় জড়িতরা ভারতীয়

৪ নভেম্বর ২০২৬

<p>বাংলাদেশি নয়, ত্রিপুরায় বিএসএফ সদস্যকে মাধরের ঘটনায় জড়িতরা ভারতীয়   <br /><br /></p>

বাংলাদেশি নয়, ত্রিপুরায় বিএসএফ সদস্যকে মাধরের ঘটনায় জড়িতরা ভারতীয়   


ভারতের ত্রিপুরায় কথিত বাংলাদেশের চোরাকারবারি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বিএসএফ সদস্যদের ওপর হামলা করে এক সদস্যের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছেন — এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হচ্ছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ত্রিপুরার উক্ত ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি জড়িত নন। মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানসহ অভিযুক্ত সকলে ত্রিপুরার স্থানীয়। 


এই বিষয়ে অনুসন্ধানে ভারতের আসামের স্থানীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য সেনটিনেল এর ওয়েবসাইটে গত ২ অক্টোবরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেদিন ত্রিপুরার সিপাহিজালা জেলার বক্সানগরের কালামচৌড়া থানার অন্তর্গত আশাবাড়ি গ্রাম সীমান্ত এলাকায় সড়কে গাছপালা পরিষ্কার করার অভিযান চলাকালে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এক সহিংস সংঘর্ষ হয়। 


৪৯তম ব্যাটালিয়নের বিএসএফ সদস্যরা হাফিজুর রহমান নামে এক স্থানীয় যুবককে আটক করে গুরুতর মারধর করে, যার ফলে তার পা ভেঙে যায়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভকারীদের একটি দল অবিলম্বে জবাবদিহিতার দাবিতে নতুন বাজারের কাছে আশাবাড়ি-রহিমপুর সড়ক অবরোধ করে। এতে অন্তত তিনজন বিএসএফ সদস্য এবং একাধিক গ্রামবাসী আহত হন। 


ইন্ডিয়াটুডে, আনন্দবাজারসহ একাধিক গণমাধ্যম থেকেও একই তথ্য জানা যায়। তবে মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বাংলাদেশি ছিলেন, এমন তথ্য উল্লেখ পাওয়া যায়নি। 


অর্থাৎ, দাবিটি মিথ্যা।