| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

ভারতে ধর্ষণের ঘটনার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদেশের বলে প্রচার

৪ আগস্ট ২০২৫


ভারতে ধর্ষণের ঘটনার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদেশের বলে প্রচার
বিভ্রান্তিকর

বাংলাদেশে এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন দাবিতে সম্প্রতি একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন নারী ও দুইজন যুবক মিলে এক তরুণীর বস্ত্রহরণ করার চেষ্টা করছেন।

বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের কোনো ধর্ষণের ঘটনার নয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০২১ সালের মে মাসে ভারতের বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। সেই ঘটনারই দৃশ্য এটি।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান নিউজবাংলা টুয়েন্টিফোরের ওয়েবসাইটে ২০২১ সালের ২৯ মে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভারতের পূর্ব বেঙ্গালুরুর কঙ্কনগরের একটি বাড়িতে ২০২১ সালের ১৯ ও ২০ মে বাংলাদেশি একজন তরুণী ধর্ষণের শিকার হন এবং এই ঘটনার একটি ভিডিও সেই সময় ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পরে এক পরিচিতের সাহায্যে ভুক্তভোগী তরুণী ভারতের কেরালায় পালিয়ে যান। পরবর্তীতে বেঙ্গালুরু পুলিশ কেরালা পুলিশের সাহায্য নিয়ে তরুণীকে কোঝিকোড় এলাকা থেকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় বেঙ্গালুরু পুলিশ দুই মহিলাসহ মোট ছয় জনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

বেঙ্গালুরু পুলিশের ডেপুটি কমিশনার এস ডি শরনাপ্পা গণমাধ্যমটিকে সেসময় বলেন, ‘যৌন নিপীড়নের শিকার বাংলাদেশি নারীকে কেরেলার কোঝিকোড় থেকে বেঙ্গালুরু নিয়ে আসা হয়েছে। ভুক্তভোগীর বয়ান রেকর্ড করবে বেঙ্গালুরু পুলিশ।’

এছাড়াও, দ্যা ডেইলি স্টার, দৈনিক প্রথম আলো এবং দৈনিক আমাদের সময়েও তখন এই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে একই তথ্য জানা যায়।

অর্থাৎ, ভারতে তরুণী ধর্ষণের ঘটনার পুরোনো ভিডিওকে সম্প্রতি বাংলাদেশের দাবি করে ইন্টারনেটে ছড়ানো করা হচ্ছে; যা বিভ্রান্তিকর।



Topics:



রমনা পার্কে নিরাপত্তা মহড়ার দৃশ্যকে ‘আতঙ্কবাদীর হামলা’ দাবি করে অপপ্রচার
মিথ্যা
১৩ এপ্রিল ২০২৬

রমনা পার্কে নিরাপত্তা মহড়ার দৃশ্যকে ‘আতঙ্কবাদীর হামলা’ দাবি করে অপপ্রচার

উখিয়ায় ৫ বছরের শিশুকে আটক করা হয়নি, আত্মীয়-স্বজন হেফাজতে না নেওয়ায় মায়ের সঙ্গে আদালতে নেওয়া হয়
মিথ্যা
১৩ এপ্রিল ২০২৬

উখিয়ায় ৫ বছরের শিশুকে আটক করা হয়নি, আত্মীয়-স্বজন হেফাজতে না নেওয়ায় মায়ের সঙ্গে আদালতে নেওয়া হয়

নরসিংদীতে মাদ্রাসা ছাত্র পিটুনির দৃশ্য দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের
বিভ্রান্তিকর
৫ এপ্রিল ২০২৬

নরসিংদীতে মাদ্রাসা ছাত্র পিটুনির দৃশ্য দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের

ঘটনাস্থল ‘ভারত’ উল্লেখ না করে গণমাধ্যমের শিরোনাম, বিদেশি ঘটনাকে পাঠক মনে করছে বাংলাদেশের
বিভ্রান্তিকর
৪ এপ্রিল ২০২৬

ঘটনাস্থল ‘ভারত’ উল্লেখ না করে গণমাধ্যমের শিরোনাম, বিদেশি ঘটনাকে পাঠক মনে করছে বাংলাদেশের

ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার
মিথ্যা
১ এপ্রিল ২০২৬

ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



ভারতে ধর্ষণের ঘটনার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদেশের বলে প্রচার

ফ্যাক্ট চেক

ভারতে ধর্ষণের ঘটনার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদেশের বলে প্রচার

৪ আগস্ট ২০২৫

ভারতে ধর্ষণের ঘটনার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদেশের বলে প্রচার

বাংলাদেশে এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন দাবিতে সম্প্রতি একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন নারী ও দুইজন যুবক মিলে এক তরুণীর বস্ত্রহরণ করার চেষ্টা করছেন।

বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের কোনো ধর্ষণের ঘটনার নয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০২১ সালের মে মাসে ভারতের বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। সেই ঘটনারই দৃশ্য এটি।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান নিউজবাংলা টুয়েন্টিফোরের ওয়েবসাইটে ২০২১ সালের ২৯ মে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভারতের পূর্ব বেঙ্গালুরুর কঙ্কনগরের একটি বাড়িতে ২০২১ সালের ১৯ ও ২০ মে বাংলাদেশি একজন তরুণী ধর্ষণের শিকার হন এবং এই ঘটনার একটি ভিডিও সেই সময় ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পরে এক পরিচিতের সাহায্যে ভুক্তভোগী তরুণী ভারতের কেরালায় পালিয়ে যান। পরবর্তীতে বেঙ্গালুরু পুলিশ কেরালা পুলিশের সাহায্য নিয়ে তরুণীকে কোঝিকোড় এলাকা থেকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় বেঙ্গালুরু পুলিশ দুই মহিলাসহ মোট ছয় জনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

বেঙ্গালুরু পুলিশের ডেপুটি কমিশনার এস ডি শরনাপ্পা গণমাধ্যমটিকে সেসময় বলেন, ‘যৌন নিপীড়নের শিকার বাংলাদেশি নারীকে কেরেলার কোঝিকোড় থেকে বেঙ্গালুরু নিয়ে আসা হয়েছে। ভুক্তভোগীর বয়ান রেকর্ড করবে বেঙ্গালুরু পুলিশ।’

এছাড়াও, দ্যা ডেইলি স্টার, দৈনিক প্রথম আলো এবং দৈনিক আমাদের সময়েও তখন এই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে একই তথ্য জানা যায়।

অর্থাৎ, ভারতে তরুণী ধর্ষণের ঘটনার পুরোনো ভিডিওকে সম্প্রতি বাংলাদেশের দাবি করে ইন্টারনেটে ছড়ানো করা হচ্ছে; যা বিভ্রান্তিকর।