| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
ইকুয়েডরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে বাংলাদশের বলে প্রচার
১ মার্চ ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুসের শাসনামলে এক ব্যক্তিকে দুর্বৃত্ত গুলি করে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে গিয়েছেন।
তবে, যাচাইয়ে দেখা গিয়েছে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। ইকুয়েডরের গুয়াকিল শহরে ২০২৪ সালে এক নিরাপত্তারক্ষী হত্যার শিকার হন। ভিডিওটি সেই ঘটনার।
একই তথ্যে ভিডিওটি ইকুয়েডরের এফ এম রেডিও স্টেশন W Radio Rc এর এক্স অ্যাকাউন্টে ২০২৪ সালের ৩ আগস্টে পাওয়া গিয়েছে।
অর্থাৎ, ইকুয়েডরে নিরাপত্তারক্ষীকে গুলি করে হত্যার ঘটনাকে বাংলাদশের ঘটনা বলে প্রচার করা হয়েছে; যা বিভ্রান্তিকর।
Topics:
ভুয়া বাংলা ফ্যাক্ট
১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় দোকান ভাঙচুর দাবি করে ছড়ানো ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
অর্থমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
দুর্ঘটনাজনিত অগ্নিকাণ্ডকে কখনো বিএনপি আবার কখনো জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে ব্যবহার
নাগরিক টিভির ফটোকার্ড বিকৃত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে নিয়ে দ্য ইকোনমিক টাইমসের অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
পারিবারিক কলহের ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার
বাংলাদেশ নিয়ে র্যাব সদস্যের মন্তব্যের ভিডিওটি বাস্তব নয়, এআই দিয়ে তৈরি
মাহদীকে ছাড়াতে যাওয়ার ঘটনায় সেনাবাহিনী সমন্বয়কদের মারধর করেনি, ভিডিওটি পুরোনো
গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানের দৃশ্য দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো
ফ্যাক্ট চেক
ইকুয়েডরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে বাংলাদশের বলে প্রচার
১ মার্চ ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুসের শাসনামলে এক ব্যক্তিকে দুর্বৃত্ত গুলি করে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে গিয়েছেন।
তবে, যাচাইয়ে দেখা গিয়েছে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। ইকুয়েডরের গুয়াকিল শহরে ২০২৪ সালে এক নিরাপত্তারক্ষী হত্যার শিকার হন। ভিডিওটি সেই ঘটনার।
একই তথ্যে ভিডিওটি ইকুয়েডরের এফ এম রেডিও স্টেশন W Radio Rc এর এক্স অ্যাকাউন্টে ২০২৪ সালের ৩ আগস্টে পাওয়া গিয়েছে।
অর্থাৎ, ইকুয়েডরে নিরাপত্তারক্ষীকে গুলি করে হত্যার ঘটনাকে বাংলাদশের ঘটনা বলে প্রচার করা হয়েছে; যা বিভ্রান্তিকর।