| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডাকাত দলকে গণপিটুনির দৃশ্য; ছড়ানো হচ্ছে বর্তমান সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির ভুয়া দাবিতে

৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডাকাত দলকে গণপিটুনির দৃশ্য; ছড়ানো হচ্ছে বর্তমান সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির ভুয়া দাবিতে

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামীপন্থী বিভিন্ন পেজ থেকে ‘বর্তমান বাংলাদেশ’ এমন ক্যাপশনে একটি নৃশংস ঘটনার ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। অর্থাৎ, দাবি করা হচ্ছে, দেশে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্তিতি খারাপ।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি বর্তমান সরকারের আমলের কোনো ঘটনা নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদীর তীরে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার। সেদিন ডাকাতি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন ডাকাত দলকে ধরে গণধোলাই দেয়।


ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘Md Abbas’ নামক একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ২০২৫ সালের ১ মার্চ আপলোডকৃত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, আলোচিত দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি একই ঘটনার।



সেই সময় একাধিক(, ) ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেও ভিডিওটি একই দাবি করে পোস্ট করতে দেখা যায়।



প্রাপ্ত তথ্যের সূত্র ধরে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করে সেই সময় প্রথম আলো, ডেইলি স্টারের ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ডাকাতি শেষে স্পিডবোটে পালানোর সময় শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদীতে ডাকাত দলকে ধাওয়া করেন স্থানীয়রা। এ সময় ডাকাতেরা এলোপাতাড়ি গুলি চালালে বেশ কয়েকজন আহত হন। একপর্যায়ে স্থানীয়রা বেশ কয়েকজন ডাকাতকে আটক করে গণপিটুনি দিলে কয়েকজন নিহত হন।


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি বিভ্রান্তিকর।





Topics:




আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
মিথ্যা
৩০ আগস্ট ২০২৬

আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার

রাজবাড়ীতে নারী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলার দাবি সত্য নয়; ভিডিওটি ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনার
৩০ আগস্ট ২০২৬

রাজবাড়ীতে নারী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলার দাবি সত্য নয়; ভিডিওটি ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনার

ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর খবরটি মিথ্যা
মিথ্যা
২৭ আগস্ট ২০২৬

ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর খবরটি মিথ্যা


ভুয়া পেজের বরাতে মিথ্যা তথ্য প্রচার: 
সালমান এফ রহমান কারামুক্ত হননি
মিথ্যা
২৭ আগস্ট ২০২৬

ভুয়া পেজের বরাতে মিথ্যা তথ্য প্রচার: 

সালমান এফ রহমান কারামুক্ত হননি


বিদ্যুৎ-গ্যাস প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রীর নামে অপপ্রচার
মিথ্যা
২৫ আগস্ট ২০২৬

বিদ্যুৎ-গ্যাস প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রীর নামে অপপ্রচার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডাকাত দলকে গণপিটুনির দৃশ্য; ছড়ানো হচ্ছে বর্তমান সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির ভুয়া দাবিতে

ফ্যাক্ট চেক

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডাকাত দলকে গণপিটুনির দৃশ্য; ছড়ানো হচ্ছে বর্তমান সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির ভুয়া দাবিতে

৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

<p>অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডাকাত দলকে গণপিটুনির দৃশ্য; ছড়ানো হচ্ছে বর্তমান সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির ভুয়া দাবিতে<br /><br /></p>

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামীপন্থী বিভিন্ন পেজ থেকে ‘বর্তমান বাংলাদেশ’ এমন ক্যাপশনে একটি নৃশংস ঘটনার ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। অর্থাৎ, দাবি করা হচ্ছে, দেশে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্তিতি খারাপ।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি বর্তমান সরকারের আমলের কোনো ঘটনা নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদীর তীরে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার। সেদিন ডাকাতি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন ডাকাত দলকে ধরে গণধোলাই দেয়।


ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘Md Abbas’ নামক একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ২০২৫ সালের ১ মার্চ আপলোডকৃত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, আলোচিত দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি একই ঘটনার।



সেই সময় একাধিক(, ) ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেও ভিডিওটি একই দাবি করে পোস্ট করতে দেখা যায়।



প্রাপ্ত তথ্যের সূত্র ধরে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করে সেই সময় প্রথম আলো, ডেইলি স্টারের ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ডাকাতি শেষে স্পিডবোটে পালানোর সময় শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদীতে ডাকাত দলকে ধাওয়া করেন স্থানীয়রা। এ সময় ডাকাতেরা এলোপাতাড়ি গুলি চালালে বেশ কয়েকজন আহত হন। একপর্যায়ে স্থানীয়রা বেশ কয়েকজন ডাকাতকে আটক করে গণপিটুনি দিলে কয়েকজন নিহত হন।


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি বিভ্রান্তিকর।