| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
খাগড়াছড়ি মডেল মসজিদে আগুন দেওয়ার দাবিটি মিথ্যা, ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
মিথ্যা
সম্প্রতি খাগড়াছড়িতে অবরোধ চলাকালে উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে—পাহাড়ি আদিবাসীরা খাগড়াছড়ি মডেল মসজিদে আগুন দিয়েছে।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি খাগড়াছড়ির কোনো ঘটনার নয়। এটি গত ২৮ আগস্টের দিনাজপুরের শহরের ‘জীবন মহল’ নামের একটি বিনোদন পার্ক রিসোর্টে তৌহিদী জনতার বিক্ষোভের সময় তোলা। ওই দিন বিক্ষুব্ধরা রিসোর্টের বিভিন্ন কাঠামোয় আগুন লাগিয়েছিল। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেটি সেই ঘটনারই দৃশ্য।
ভিডিওতে থাকা সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ বাংলাদেশের (ইউএনবি) লোগোর সূত্রে অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানটির ইউটিউব চ্যানেলে গত ২৯ আগস্ট প্রকাশিত ভিডিওটি পাওয়া যায়। এর বিস্তারিত বিবরণী থেকে জানা যায়, ২৮ আগস্ট দিনাজপুর শহরের জীবন মহল নামের একটি বিনোদন পার্ক রিসোর্টে বিক্ষুব্ধ তৌহিদী জনতা হামলা চালায় এবং বিভিন্ন কাঠামোয় আগুন দেয়। সেদিনের সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ইউনাইটড নিউজ বাংলাদেশের (ইউএনবি) ফেসবুক পেজেও গত ২৯ আগস্ট একই ভিডিও পাওয়া গিয়েছে।
খাগড়াছড়ি মডেল মসজিদে আগুন দেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হতে বাংলাফ্যাক্ট দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তিনি বলেন, ‘খাগড়াছড়ি মডেল মসজিদে আগুন দেওয়ার তথ্যটি মিথ্যা।’
অর্থাৎ, খাগড়াছড়িতে মডেল মসজিদে আগুন দেয়ার দাবিটি মিথ্যা।
তথ্যসূত্র:
Topics:
মিথ্যা
১৩ এপ্রিল ২০২৬
রমনা পার্কে নিরাপত্তা মহড়ার দৃশ্যকে ‘আতঙ্কবাদীর হামলা’ দাবি করে অপপ্রচার
মিথ্যা
১৩ এপ্রিল ২০২৬
উখিয়ায় ৫ বছরের শিশুকে আটক করা হয়নি, আত্মীয়-স্বজন হেফাজতে না নেওয়ায় মায়ের সঙ্গে আদালতে নেওয়া হয়
বিভ্রান্তিকর
৫ এপ্রিল ২০২৬
নরসিংদীতে মাদ্রাসা ছাত্র পিটুনির দৃশ্য দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের
বিভ্রান্তিকর
৪ এপ্রিল ২০২৬
ঘটনাস্থল ‘ভারত’ উল্লেখ না করে গণমাধ্যমের শিরোনাম, বিদেশি ঘটনাকে পাঠক মনে করছে বাংলাদেশের
মিথ্যা
১ এপ্রিল ২০২৬
ভারতীয় নারীর মৃত্যুর ছবি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দাবি করে অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
বিকৃত
পুলিশ হত্যার বিচার না হলে উপদেষ্টাদের গ্রেফতার করা হবে বলে কোনো ঘোষণা দেয়নি জাতিসংঘ
মিথ্যা
নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ সংক্রন্ত ভুয়া প্রজ্ঞাপন প্রচার
মিথ্যা
নাগরিক টিভির ফটোকার্ড বিকৃত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
বিভ্রান্তিকর
ভারতে ধর্ষণের ঘটনার পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদেশের বলে প্রচার
ফ্যাক্ট চেক
খাগড়াছড়ি মডেল মসজিদে আগুন দেওয়ার দাবিটি মিথ্যা, ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সম্প্রতি খাগড়াছড়িতে অবরোধ চলাকালে উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে—পাহাড়ি আদিবাসীরা খাগড়াছড়ি মডেল মসজিদে আগুন দিয়েছে।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি খাগড়াছড়ির কোনো ঘটনার নয়। এটি গত ২৮ আগস্টের দিনাজপুরের শহরের ‘জীবন মহল’ নামের একটি বিনোদন পার্ক রিসোর্টে তৌহিদী জনতার বিক্ষোভের সময় তোলা। ওই দিন বিক্ষুব্ধরা রিসোর্টের বিভিন্ন কাঠামোয় আগুন লাগিয়েছিল। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেটি সেই ঘটনারই দৃশ্য।
ভিডিওতে থাকা সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ বাংলাদেশের (ইউএনবি) লোগোর সূত্রে অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানটির ইউটিউব চ্যানেলে গত ২৯ আগস্ট প্রকাশিত ভিডিওটি পাওয়া যায়। এর বিস্তারিত বিবরণী থেকে জানা যায়, ২৮ আগস্ট দিনাজপুর শহরের জীবন মহল নামের একটি বিনোদন পার্ক রিসোর্টে বিক্ষুব্ধ তৌহিদী জনতা হামলা চালায় এবং বিভিন্ন কাঠামোয় আগুন দেয়। সেদিনের সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ইউনাইটড নিউজ বাংলাদেশের (ইউএনবি) ফেসবুক পেজেও গত ২৯ আগস্ট একই ভিডিও পাওয়া গিয়েছে।
খাগড়াছড়ি মডেল মসজিদে আগুন দেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হতে বাংলাফ্যাক্ট দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তিনি বলেন, ‘খাগড়াছড়ি মডেল মসজিদে আগুন দেওয়ার তথ্যটি মিথ্যা।’
অর্থাৎ, খাগড়াছড়িতে মডেল মসজিদে আগুন দেয়ার দাবিটি মিথ্যা।
তথ্যসূত্র: