| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
নেত্রকোনায় শিশুর মৃত্যুর পুরোনো ভিডিও দিয়ে আওয়ামীপন্থীদের অপপ্রচার
২৯ আগস্ট ২০২৬
‘যুবলীগ নেতা কে না পেয়ে, তাঁর ১০ বছরের ছেলে কে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখছে’ - এমন দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামীপন্থী পেজ বা ব্যক্তির একাউন্ট থেকে প্রচার (১, ২) করা হয়েছে।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, গাছে ঝুলন্ত শিশুর নাম আরাফাত। নিহত আরাফাত ওই গ্রামের হেলাল মিয়ার ছেলে। হেলাল মিয়ার সাথে যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে ভিডিওটির কিছু কী ফ্রেম রিভার্স সার্চ করে ‘nahidul3540’ নামক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে গত ৩১ আগস্ট প্রচারিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়। উক্ত ভিডিওর ঘটনার সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ভিডিওর মিল পাওয়া যায়।
উক্ত ভিডিওর ক্যাপশনে এটিকে রাজনৈতিক মৃত্যু এমন কিছু দাবি করা হয়নি।
উল্লিখিত সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সূত্র ধরে প্রাসঙ্গিক কি ওয়ার্ড সার্চ করে দৈনিক যায়যায়দিন ওয়েবসাইটে গত ৩১ আগস্ট ‘দুর্গাপুরে গাছে ঝুলে ছিল ৯ বছরের শিশুর মরদেহ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়।
উক্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৩০ আগস্ট নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মো. আরাফাত (৯) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আরাফাত ওই গ্রামের হেলাল মিয়ার ছেলে। তিন ভাই-বোনের মধ্যে সে মেঝো এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্র। নিহতের বাবা হেলাল মিয়া বলেন, আমার ছেলে অসুস্থ ছিল এবং মাথায় একটু সমস্যা ছিল। কথাবার্তা শুনত না। তাকে না পেয়ে আমরা খোঁজাখুঁজি করছিলাম। কারণ সে আগেও প্রায়ই গাছে উঠে বসে থাকত। পরে আমার এক ভাবি গিয়ে দেখে গাছে ঝুলে আছে।
এই ঘটনায় দৈনিক কালেরকন্ঠের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, নেত্রকোণায় শিশু মৃত্যুর পুরোনো ঘটনাকে রাজনৈতিক কারণে মৃত্যু দাবিতে অপপ্রচার করা হয়েছে।
Topics:
ভুয়া পেজের বরাতে মিথ্যা তথ্য প্রচার:
সালমান এফ রহমান কারামুক্ত হননি
বিএনপির মশাল মিছিলকে নিজেদের মিছিল দাবি করে প্রচার করছে আওয়ামীপন্থীরা
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের গাড়িতে হামলা দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি আওয়ামী আমলের
জমি দখলে বাধা দেওয়ায় নারীর ওপর বিএনপি নেতার হামলার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের
চুরির ঘটনায় অভিযুক্তকে মারধরের ঘটনায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
মির্জা ফখরুল সম্প্রতি মিছিলের মধ্যে অসুস্থ হন নি, ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো
দুর্ঘটনার পর ট্রাকে ক্ষুব্ধ জনতার আগুন দেওয়ার ঘটনায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
চট্টগ্রামে হিন্দু ধর্মাবলম্বী তরুণীকে মাদক সেবন করিয়ে অপহরণের দাবিটি মিথ্যা
ভিডিওটি ছাত্রদলের ওপর পুলিশের হামলার নয়, ভিন্ন ঘটনার
ফ্যাক্ট চেক
নেত্রকোনায় শিশুর মৃত্যুর পুরোনো ভিডিও দিয়ে আওয়ামীপন্থীদের অপপ্রচার
২৯ আগস্ট ২০২৬
‘যুবলীগ নেতা কে না পেয়ে, তাঁর ১০ বছরের ছেলে কে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখছে’ - এমন দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামীপন্থী পেজ বা ব্যক্তির একাউন্ট থেকে প্রচার (১, ২) করা হয়েছে।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, গাছে ঝুলন্ত শিশুর নাম আরাফাত। নিহত আরাফাত ওই গ্রামের হেলাল মিয়ার ছেলে। হেলাল মিয়ার সাথে যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে ভিডিওটির কিছু কী ফ্রেম রিভার্স সার্চ করে ‘nahidul3540’ নামক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে গত ৩১ আগস্ট প্রচারিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়। উক্ত ভিডিওর ঘটনার সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ভিডিওর মিল পাওয়া যায়।
উক্ত ভিডিওর ক্যাপশনে এটিকে রাজনৈতিক মৃত্যু এমন কিছু দাবি করা হয়নি।
উল্লিখিত সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সূত্র ধরে প্রাসঙ্গিক কি ওয়ার্ড সার্চ করে দৈনিক যায়যায়দিন ওয়েবসাইটে গত ৩১ আগস্ট ‘দুর্গাপুরে গাছে ঝুলে ছিল ৯ বছরের শিশুর মরদেহ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়।
উক্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৩০ আগস্ট নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মো. আরাফাত (৯) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আরাফাত ওই গ্রামের হেলাল মিয়ার ছেলে। তিন ভাই-বোনের মধ্যে সে মেঝো এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্র। নিহতের বাবা হেলাল মিয়া বলেন, আমার ছেলে অসুস্থ ছিল এবং মাথায় একটু সমস্যা ছিল। কথাবার্তা শুনত না। তাকে না পেয়ে আমরা খোঁজাখুঁজি করছিলাম। কারণ সে আগেও প্রায়ই গাছে উঠে বসে থাকত। পরে আমার এক ভাবি গিয়ে দেখে গাছে ঝুলে আছে।
এই ঘটনায় দৈনিক কালেরকন্ঠের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, নেত্রকোণায় শিশু মৃত্যুর পুরোনো ঘটনাকে রাজনৈতিক কারণে মৃত্যু দাবিতে অপপ্রচার করা হয়েছে।