| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
দীপু মনির জামিনে মুক্তি পাওয়ার তথ্যটি ভুয়া
২৭ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন দাবি করে একটি তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ডা. দীপু মনি এখন পর্যন্ত জামিনে মুক্তি পাননি। ট্রাইব্যুনালে গতকাল শুনানিতে প্রসিকিউশন এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তিন মাস সময় চায়। ট্রাইব্যুনাল সময় মঞ্জুর করে আগামী ২৬ জুলাই প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেন।
মূলধারার গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে গত ২৬ এপ্রিল ‘দেড় বছরেও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি, জামিন চাইলেন তৌফিক–দীপু মনি–কামাল’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দেড় বছর হতে চললেও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলা থেকে জামিন চেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই তিন আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন। পাশাপাশি ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, অগ্রগতি প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁদের জামিনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন।
ট্রাইব্যুনালে গতকাল (২৬ এপ্রিল) শুনানিতে প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী) এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তিন মাস সময় চায়। ট্রাইব্যুনাল সময় মঞ্জুর করে আগামী ২৬ জুলাই প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেন।
এছাড়াও, মূলধারার আরেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সমকালের ওয়েবসাইটে গত ২৬ এপ্রিল হুইলচেয়ারে বসে দীপু মনিকে দেখতে ট্রাইব্যুনালে এলেন স্বামী’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গতকালের (২৬ এপ্রিল) শুনানিতে দীপু মনির জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী সিফাত মাহমুদ। তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, দীপু মনি কারাবন্দী থাকার ১ বছর ৫ মাস হলেও তার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়নি। এ অবস্থায় দীপু মনির জামিন চান সিফাত মাহমুদ। এ সময় ট্রাইব্যুনাল দীপু মনির বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দেওয়ার আদেশ দেন। সেই প্রতিবেদন নিয়ে আগামী ২৬ জুলাই দীপু মনির জামিন আবেদন শুনবেন বলে জানান ট্রাইব্যুনাল।
তাছাড়া, গণমাধ্যম কিংবা অন্যকোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে দীপু মনির জামিনে মুক্তি পাওয়ার তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।
Topics:
মাশরাফি গ্রেফতার হননি, ছবিটি এআই-সৃষ্ট
থালাপতি বিজয়ের সাথে শেখ হাসিনার ছবিটি এআই-সৃষ্ট
সীমান্তে হত্যা প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে ছড়ানো মন্তব্যটি ভুয়া
ছাত্রলীগ করার কারণে যুবককে মারধর করার দাবিটি অসত্য
শুভেন্দু অধিকারীর সাথে শেখ হাসিনার এই ছবিটি আসল নয়, এডিটেড
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
ফটোকার্ড নকল করে ঢাকায় নিযুক্ত বর্তমান জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
গ্রেনেড উদ্ধারের পুরনো ছবি দিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পেজ থেকে ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য
ভারতে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে এসেছেন দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৪ সালের গণভবনের
বিএনপিকে ইসলাম বিদ্বেষী দল বলেননি মুফতি আবদুল মালেক
ফ্যাক্ট চেক
দীপু মনির জামিনে মুক্তি পাওয়ার তথ্যটি ভুয়া
২৭ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন দাবি করে একটি তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ডা. দীপু মনি এখন পর্যন্ত জামিনে মুক্তি পাননি। ট্রাইব্যুনালে গতকাল শুনানিতে প্রসিকিউশন এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তিন মাস সময় চায়। ট্রাইব্যুনাল সময় মঞ্জুর করে আগামী ২৬ জুলাই প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেন।
মূলধারার গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে গত ২৬ এপ্রিল ‘দেড় বছরেও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি, জামিন চাইলেন তৌফিক–দীপু মনি–কামাল’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দেড় বছর হতে চললেও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলা থেকে জামিন চেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই তিন আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন। পাশাপাশি ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, অগ্রগতি প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁদের জামিনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন।
ট্রাইব্যুনালে গতকাল (২৬ এপ্রিল) শুনানিতে প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী) এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তিন মাস সময় চায়। ট্রাইব্যুনাল সময় মঞ্জুর করে আগামী ২৬ জুলাই প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেন।
এছাড়াও, মূলধারার আরেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সমকালের ওয়েবসাইটে গত ২৬ এপ্রিল হুইলচেয়ারে বসে দীপু মনিকে দেখতে ট্রাইব্যুনালে এলেন স্বামী’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গতকালের (২৬ এপ্রিল) শুনানিতে দীপু মনির জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী সিফাত মাহমুদ। তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, দীপু মনি কারাবন্দী থাকার ১ বছর ৫ মাস হলেও তার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়নি। এ অবস্থায় দীপু মনির জামিন চান সিফাত মাহমুদ। এ সময় ট্রাইব্যুনাল দীপু মনির বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দেওয়ার আদেশ দেন। সেই প্রতিবেদন নিয়ে আগামী ২৬ জুলাই দীপু মনির জামিন আবেদন শুনবেন বলে জানান ট্রাইব্যুনাল।
তাছাড়া, গণমাধ্যম কিংবা অন্যকোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে দীপু মনির জামিনে মুক্তি পাওয়ার তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।