| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
পারিবারিক নির্যাতনকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে যুবদলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
১৪ জুন ২০২৬
পারিবারিক নির্যাতনকে জাতীয়তাবাদী যুবদল নেতার অপকর্ম দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধমে প্রচার
“প্রবাসীর স্ত্ৰীকে তুলে নিয়ে যাচ্ছেন যুবদল সভাপতি রফিক!!” ক্যাপশনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, প্রবাসীর স্ত্রীকে যুবদল নেতার তুলে নিয়ে যাওয়ার এই দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এর সাথে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। প্রকৃতপক্ষে, গত ১০ জুন পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে প্রকাশ্যে নির্যাতন করে তাঁর স্বামী ও শ্বশুর। ছড়ানো ভিডিওটি মূলত সেই ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে প্রথম আলো’র ওয়েবসাইটে ১১ জুন ‘পটুয়াখালীতে হাত–পা বেঁধে নারীকে নির্যাতন, স্বামী–শ্বশুরকে আটকে পুলিশে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সাথে আলোচিত দাবি করে প্রচারিত ভিডিওর একটি কী-ফ্রেমের মিল রয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, “লিপি আক্তারের ভাষ্য, গতকাল সকালে মারধরের একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে জ্ঞান ফিরলে দেখেন, তাঁর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় টমটমে করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তখন চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।”
আরও উল্লেখ করা হয়, “দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে স্বামী শাহ জামাল দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে প্রথম স্ত্রী লিপি আক্তারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গতকালও তাঁকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে স্বামী ও শ্বশুর কোথাও নিয়ে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।”
প্রথম আলোর ইউটিউব চ্যানেলেও ঘটনাটির একটি দীর্ঘ ভিডিও পাওয়া যায়।
এছাড়া, ঢাকা পোস্টে এই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।
Topics:
আ.লীগ নেতা চিত্ত রঞ্জন দাসের ফাঁস হওয়া পুরোনো ভিডিও;
ছড়ানো হচ্ছে বিএনপি নেতার ভিডিও দাবিতে
বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী নারীসহ আটকের দাবিটি মিথ্যা
চট্টগ্রামে সন্তানের সামনে বাবাকে বিএনপি নেতার হত্যার দাবিটি মিথ্যা, ভিডিওটি ভারতের
ফ্যামিলি কার্ড চাওয়া নারীদের বিএনপি নেতার মারধরের দাবিটি অসত্য; ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের
যৌতুকের জন্য নিজ স্ত্রীকে বিএনপি নেতার মারধরের দাবিটি অসত্য; ছড়ানো ভিডিওটি
বাংলাদেশের নয়, ভারতের
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
এনসিপি নেতা নয়, ভিডিওটি আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার
নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সন্তুষ্ট না হওয়ার ভুয়া তথ্য প্রচার
গোপালগঞ্জে পুলিশ কর্তৃক শিশু নির্যাতনের দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের
মাদারীপুরে মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করায় তিন যুবলীগ কর্মী হত্যার দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো
ফ্যাক্ট চেক
পারিবারিক নির্যাতনকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে যুবদলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
১৪ জুন ২০২৬
পারিবারিক নির্যাতনকে জাতীয়তাবাদী যুবদল নেতার অপকর্ম দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধমে প্রচার
“প্রবাসীর স্ত্ৰীকে তুলে নিয়ে যাচ্ছেন যুবদল সভাপতি রফিক!!” ক্যাপশনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, প্রবাসীর স্ত্রীকে যুবদল নেতার তুলে নিয়ে যাওয়ার এই দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এর সাথে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। প্রকৃতপক্ষে, গত ১০ জুন পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে প্রকাশ্যে নির্যাতন করে তাঁর স্বামী ও শ্বশুর। ছড়ানো ভিডিওটি মূলত সেই ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে প্রথম আলো’র ওয়েবসাইটে ১১ জুন ‘পটুয়াখালীতে হাত–পা বেঁধে নারীকে নির্যাতন, স্বামী–শ্বশুরকে আটকে পুলিশে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সাথে আলোচিত দাবি করে প্রচারিত ভিডিওর একটি কী-ফ্রেমের মিল রয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, “লিপি আক্তারের ভাষ্য, গতকাল সকালে মারধরের একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে জ্ঞান ফিরলে দেখেন, তাঁর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় টমটমে করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তখন চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।”
আরও উল্লেখ করা হয়, “দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে স্বামী শাহ জামাল দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে প্রথম স্ত্রী লিপি আক্তারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গতকালও তাঁকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে স্বামী ও শ্বশুর কোথাও নিয়ে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।”
প্রথম আলোর ইউটিউব চ্যানেলেও ঘটনাটির একটি দীর্ঘ ভিডিও পাওয়া যায়।
এছাড়া, ঢাকা পোস্টে এই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।