| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
দুর্ঘটনার পর ট্রাকে ক্ষুব্ধ জনতার আগুন দেওয়ার ঘটনায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
২৪ জুন ২০২৬
ট্রাক চালক চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীরা ট্রাকে আগুন দিয়ে দিয়েছে – এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি মিথ্যা। ঘটনাটি চাঁদা সম্পর্কিত নয় এবং এতে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীও জড়িত নন। মূলত, গত ২৩ মে যশোর–খুলনা মহাসড়কের চাউলিয়া তেল পাম্পের সামনে কাভার্ডভ্যান, ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের সংঘর্ষে ৪ জন নিহতের ঘটনায় মানুষজন ক্ষুব্ধ হয়ে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী কাভার্ডভ্যানটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
এ বিষয় অনুসন্ধানে বার্তা টুয়েন্টিফোরের ওয়েবসাইটে গত ২৩ মে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। তা থেকে জানা যায়, সেদিন যশোর–খুলনা মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান, ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত এবং ১ জন গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনার পর সেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ জনতা প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন এবং দুর্ঘটনার জন্য কাভার্ডভ্যানটিকে দায়ী করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি ও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিস সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফিরোজ আহমেদ গণমাধ্যমটিকে জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাভার্ডভ্যানের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সেদিন দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, দেশ রূপান্তরসহ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়। এসব প্রতিবেদনে চাঁদা কিংবা বিএনপির কোনো কর্মীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, ট্রাক চালক চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁর ট্রাকে আগুন দিয়ে দিয়েছে – এমন দাবিটি মিথ্যা এবং একই দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার।
Topics:
banglafact বাংলা ফ্যাক্ট
ফ্যাসিস্ট হাসিনার ২০২৩ সালের ভিডিওকে সাম্প্রতিক হিসেবে প্রচার
‘একেকজন হইছে গার্মেন্টস শ্রমিক আর বেতন চায় অফিসারের’ বলে মন্তব্য করেননি রুহুল কবির রিজভী
বিএনপির কর্মীর ভিক্ষুকের ব্যাগ ছিনতাইয়ের দাবিটি মিথ্যা, ভিডিওটি ভারতের
‘শেখ হাসিনা দেশে ফেরার দিনে অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবে’ বলে মন্তব্য করেননি ড. কামাল হোসেন
চুরির অভিযোগে নারীর চুল কাটার পুরোনো ঘটনায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
দেয়ালে শেখ মুজিবের প্রতিকৃতিযুক্ত ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
একাত্তর টিভির ফটোকার্ড নকল করে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
বিদ্যুতের দাম নিয়ে নুরুল হকের মন্তব্যটি আ. লীগ আমলের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরের শুটিংয়ের দৃশ্য
ছড়ানো হচ্ছে আওয়ামী লীগ কর্মীকে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের মারধরের দাবিতে
ফ্যাক্ট চেক
দুর্ঘটনার পর ট্রাকে ক্ষুব্ধ জনতার আগুন দেওয়ার ঘটনায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
২৪ জুন ২০২৬
ট্রাক চালক চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীরা ট্রাকে আগুন দিয়ে দিয়েছে – এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি মিথ্যা। ঘটনাটি চাঁদা সম্পর্কিত নয় এবং এতে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীও জড়িত নন। মূলত, গত ২৩ মে যশোর–খুলনা মহাসড়কের চাউলিয়া তেল পাম্পের সামনে কাভার্ডভ্যান, ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের সংঘর্ষে ৪ জন নিহতের ঘটনায় মানুষজন ক্ষুব্ধ হয়ে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী কাভার্ডভ্যানটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
এ বিষয় অনুসন্ধানে বার্তা টুয়েন্টিফোরের ওয়েবসাইটে গত ২৩ মে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। তা থেকে জানা যায়, সেদিন যশোর–খুলনা মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান, ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত এবং ১ জন গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনার পর সেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ জনতা প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন এবং দুর্ঘটনার জন্য কাভার্ডভ্যানটিকে দায়ী করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি ও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিস সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফিরোজ আহমেদ গণমাধ্যমটিকে জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাভার্ডভ্যানের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সেদিন দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, দেশ রূপান্তরসহ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য জানা যায়। এসব প্রতিবেদনে চাঁদা কিংবা বিএনপির কোনো কর্মীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, ট্রাক চালক চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁর ট্রাকে আগুন দিয়ে দিয়েছে – এমন দাবিটি মিথ্যা এবং একই দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার।