| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি

চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনাটিতে বিএনপির কেউ জড়িত নয়

২ জুলাই ২০২৬


চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনাটিতে বিএনপির কেউ জড়িত নয়
মিথ্যা

চুরির অভিযোগ এনে বিএনপি নেতা-কর্মীরা যুবলীগের এক কর্মীকে জোরপূর্বক গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেছে – এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াচ্ছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি মিথ্যা। এই ঘটনায় কোনো বিএনপির নেতা-কর্মী যুক্ত নন এবং মারধরের শিকার ব্যক্তিও যুবলীগের কেউ না। ২০২৫ সালের মার্চে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সিলিমনগর গ্রামে ছিনতাই ও মুঠোফোন চুরির অভিযোগে এক তরুণকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য। 


এ বিষয়ে অনুসন্ধানে যমুনা টিভির ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ প্রকাশিত প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থাকে জানা যায়, ছিনতাই ও মুঠোফোন চুরির অভিযোগে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় সেই বছরের ৯ মার্চ সহিদুল ইসলাম নামে এক তরুণকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

প্রথম আলোতে সেই সময় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, ঘটনাটি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সিলিমনগর গ্রামে ঘটে। এতে একজন নয়, দুই তরুণের সঙ্গে ঘটনাটি ঘটে। পরে ভুক্তভোগী তরুণদের একজন এই ঘটনায় অভিযুক্ত ১৩ জনের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ আদালতে একটি মামলা করেন।


বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমটিকে তখন জানায়, পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়েছিল এবং এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। 


একই দিনে দৈনিক যুগান্তর, রাইজিংবিডিসহ একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য পাওয়া যায়। তবে এসবের কোথাও এই ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা কিংবা ভুক্তভোগী যুবলীগ ছিল– এমন তথ্য উল্লেখ পাওয়া যায়নি। 


পাশাপাশি, অনুসন্ধানে সম্প্রতি চুরির অভিযোগ এনে বিএনপি নেতা-কর্মীরা যুবলীগের এক কর্মীকে জোরপূর্বক গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেছে – এমন দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। 


অর্থাৎ, চুরির অভিযোগ এনে বিএনপি নেতা-কর্মীরা যুবলীগের এক কর্মীকে জোরপূর্বক গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেছে – এমন দাবিটি মিথ্যা।





Topics:

বিএনপি BNP


জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার খবরটি বানোয়াট
মিথ্যা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার খবরটি বানোয়াট

সালমানের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায়  রুহুল কবির
রিজভীর নামে অপপ্রচার
মিথ্যা
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সালমানের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায়  রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার

রুহুল কবির রিজভীর নামে ‘প্রধানমন্ত্রীর ১০০ টাকার লাঞ্চ’ ও ‘তেলের দাম বৃদ্ধি’ নিয়ে প্রচারিত মন্তব্যটি ভুয়া
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রুহুল কবির রিজভীর নামে ‘প্রধানমন্ত্রীর ১০০ টাকার লাঞ্চ’ ও ‘তেলের দাম বৃদ্ধি’ নিয়ে প্রচারিত মন্তব্যটি ভুয়া

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে ছড়ানো ভিডিওটি আসলে শুটিংয়ের দৃশ্য
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে ছড়ানো ভিডিওটি আসলে শুটিংয়ের দৃশ্য


পথনাটকের দৃশ্যকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক নারীকে নির্যাতন দাবি করে প্রচার
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পথনাটকের দৃশ্যকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক নারীকে নির্যাতন দাবি করে প্রচার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনাটিতে বিএনপির কেউ জড়িত নয়

ফ্যাক্ট চেক

চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনাটিতে বিএনপির কেউ জড়িত নয়

২ জুলাই ২০২৬

<p>চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনাটিতে বিএনপির কেউ জড়িত নয়
<br /></p>

চুরির অভিযোগ এনে বিএনপি নেতা-কর্মীরা যুবলীগের এক কর্মীকে জোরপূর্বক গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেছে – এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াচ্ছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি মিথ্যা। এই ঘটনায় কোনো বিএনপির নেতা-কর্মী যুক্ত নন এবং মারধরের শিকার ব্যক্তিও যুবলীগের কেউ না। ২০২৫ সালের মার্চে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সিলিমনগর গ্রামে ছিনতাই ও মুঠোফোন চুরির অভিযোগে এক তরুণকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য। 


এ বিষয়ে অনুসন্ধানে যমুনা টিভির ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ প্রকাশিত প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থাকে জানা যায়, ছিনতাই ও মুঠোফোন চুরির অভিযোগে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় সেই বছরের ৯ মার্চ সহিদুল ইসলাম নামে এক তরুণকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

প্রথম আলোতে সেই সময় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, ঘটনাটি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সিলিমনগর গ্রামে ঘটে। এতে একজন নয়, দুই তরুণের সঙ্গে ঘটনাটি ঘটে। পরে ভুক্তভোগী তরুণদের একজন এই ঘটনায় অভিযুক্ত ১৩ জনের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ আদালতে একটি মামলা করেন।


বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমটিকে তখন জানায়, পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়েছিল এবং এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। 


একই দিনে দৈনিক যুগান্তর, রাইজিংবিডিসহ একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য পাওয়া যায়। তবে এসবের কোথাও এই ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা কিংবা ভুক্তভোগী যুবলীগ ছিল– এমন তথ্য উল্লেখ পাওয়া যায়নি। 


পাশাপাশি, অনুসন্ধানে সম্প্রতি চুরির অভিযোগ এনে বিএনপি নেতা-কর্মীরা যুবলীগের এক কর্মীকে জোরপূর্বক গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেছে – এমন দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। 


অর্থাৎ, চুরির অভিযোগ এনে বিএনপি নেতা-কর্মীরা যুবলীগের এক কর্মীকে জোরপূর্বক গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেছে – এমন দাবিটি মিথ্যা।