| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
ভারতের বিহারে মেয়ে শিশুর লাশ উদ্ধারের ভিডিওকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা এক শিশুকে ধর্ষণের পর
গলা কেটে হত্যার দাবি করে প্রচার
৫ মার্চ ২০২৬
বিএনপির নেতা-কর্মীরা এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করেছে- এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াচ্ছে।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, বিএনপির নেতা-কর্মীরা এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার দাবিটি ভুয়া। মূলত, ভারতের বিহার রাজ্যের কাটিহারের সান্দালপুর গ্রামের গত ১ মার্চে ৯ বছর বয়সী এক মেয়ে শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে গত ১ মার্চ ‘Hasan Shabab’ নামক এক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একই ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। ভিডিওটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, এটি ভারতের বিহার রাজ্যের কাটিহারের কোলাসি থানার সান্দালপুর গ্রাম থেকে এক মেয়ে শিশু হত্যাকাণ্ডের ঘটনা।
‘Azad Bihar news’ নামের ইউটিউব চ্যানেলে গত ১ মার্চ প্রকাশিত একটি ভিডিও থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
এসব তথ্যসূত্র গুগলে সার্চ করে ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের ওয়েবসাইটে গত ২ মার্চ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিহারের কাটিহার জেলার কোলাসি থানার অন্তর্গত সান্দলপুর গ্রামের একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে নয় বছর বয়সী এক মেয়ে শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটি একদিন আগে তার বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিল।
স্থানীয় পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে অভিযুক্ত একই গ্রামের ১৩ বছর বয়সী এক ছেলে। শিশুটি যখন মাঠের দিকে যাচ্ছিল তখন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর আক্রমণ করে।
উল্লেখ্য, গত রোববার (১ মার্চ) সকালে সীতাকুণ্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের ভেতরে পাহাড়ি পথের ধার থেকে গলায় ছুরিকাঘাতে শ্বাসনালি কাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া আট বছরের এক মেয়ে গত ৩ মার্চ মারা যায়। উক্ত ঘটনায় মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে গণমাধ্যমে অভিযুক্তের কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা উল্লেখ পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, এক শিশুকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যার দাবিটি মিথ্যা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের।
তথ্যসূত্র
ইন্ডিয়া টুডে
Topics:
Bangla Fact banglafact বাংলা ফ্যাক্ট
টিকা, তেল এবং বিদ্যুৎ নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
১৮ বছরেই বিয়ে বাধ্যতামূলক করেনি সরকার
ভারতের ভিডিও দিয়ে বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার
গণভোট অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপিত না হওয়ার সিদ্ধান্তে ছাত্র-জনতা শাহবাগ মোড়ের রাজপথে নামার দাবিটি মিথ্যা
হাসিনার নয়, বেগম খালেদা জিয়ার প্রশংসা করেছিলেন মির্জা ফখরুল
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
ফ্যাক্ট চেক
ভারতের বিহারে মেয়ে শিশুর লাশ উদ্ধারের ভিডিওকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা এক শিশুকে ধর্ষণের পর
গলা কেটে হত্যার দাবি করে প্রচার
৫ মার্চ ২০২৬
বিএনপির নেতা-কর্মীরা এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করেছে- এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াচ্ছে।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, বিএনপির নেতা-কর্মীরা এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার দাবিটি ভুয়া। মূলত, ভারতের বিহার রাজ্যের কাটিহারের সান্দালপুর গ্রামের গত ১ মার্চে ৯ বছর বয়সী এক মেয়ে শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে গত ১ মার্চ ‘Hasan Shabab’ নামক এক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একই ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। ভিডিওটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, এটি ভারতের বিহার রাজ্যের কাটিহারের কোলাসি থানার সান্দালপুর গ্রাম থেকে এক মেয়ে শিশু হত্যাকাণ্ডের ঘটনা।
‘Azad Bihar news’ নামের ইউটিউব চ্যানেলে গত ১ মার্চ প্রকাশিত একটি ভিডিও থেকেও একই তথ্য জানা যায়।
এসব তথ্যসূত্র গুগলে সার্চ করে ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের ওয়েবসাইটে গত ২ মার্চ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিহারের কাটিহার জেলার কোলাসি থানার অন্তর্গত সান্দলপুর গ্রামের একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে নয় বছর বয়সী এক মেয়ে শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটি একদিন আগে তার বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিল।
স্থানীয় পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে অভিযুক্ত একই গ্রামের ১৩ বছর বয়সী এক ছেলে। শিশুটি যখন মাঠের দিকে যাচ্ছিল তখন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর আক্রমণ করে।
উল্লেখ্য, গত রোববার (১ মার্চ) সকালে সীতাকুণ্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের ভেতরে পাহাড়ি পথের ধার থেকে গলায় ছুরিকাঘাতে শ্বাসনালি কাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া আট বছরের এক মেয়ে গত ৩ মার্চ মারা যায়। উক্ত ঘটনায় মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে গণমাধ্যমে অভিযুক্তের কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা উল্লেখ পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, এক শিশুকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যার দাবিটি মিথ্যা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের।
তথ্যসূত্র
ইন্ডিয়া টুডে