| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি

মাশরাফি গ্রেফতার হননি, ছবিটি এআই-সৃষ্ট

১৮ মে ২০২৬


মাশরাফি গ্রেফতার হননি, ছবিটি এআই-সৃষ্ট
মিথ্যা

সম্প্রতি, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা গ্রেফাতার হয়েছেন দাবি করে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভির লোগো সংবলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। 


ফটোকার্ডের ছবিতে মাশরাফিকে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় দুই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে দেখা যায়।

বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। মাশরাফি বিন মর্তুজা গ্রেফাতার হননি এবং এ দাবিতে ছড়ানো ছবিটিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি। তাছাড়া, যমুনা টিভির নামে ছড়ানো এসম্পর্কিত ফটোকার্ডটিও ভুয়া।

গণমাধ্যম কিংবা অন্যকোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে মাশরাফির গ্রেফতার হওয়ার দাবির সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ দাবিতে ছড়ানো ছবিটি আসল হওয়ার বিষয়েও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে, গুগলের বিশেষ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি সিন্থআইডির সাহায্যে  ছবিটি পরীক্ষা করলে জানা যায়, ছবিটির অধিকাংশ বা পুরোটাই গুগল এআই ব্যবহার করে তৈরি বা এডিট করা হয়েছে।


তাছাড়া, আলোচিত ফটোকার্ডটিতে যমুনা টিভির লোগো দেখা গেলেও এটি যমুনা টিভির কোনো ফটোকার্ড নয়। গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে এমন কোনো ফটোকার্ড বা সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়নি। যমুনা টিভির ফটোকার্ডের টেক্সট ফন্টের সাথে আলোচিত ফটোকার্ডটির টেক্সট ফন্টের পার্থক্য রয়েছে।


যমুনা টিভির নিউ মিডিয়া বিভাগের প্রধান রুবেল মাহমুদের সাথে বাংলাফ্যাক্টের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘এটি ভুয়া ফটোকার্ড।’


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা। 





Topics:



পারিবারিক কলহের দৃশ্যকে ছাত্রলীগ নেতার মাকে নির্যাতন বলে প্রচার
মিথ্যা
১১ অক্টোবর ২০২৬

পারিবারিক কলহের দৃশ্যকে ছাত্রলীগ নেতার মাকে নির্যাতন বলে প্রচার

হাসিনা-পুতিনের বৈঠকের ছবিটি সাম্প্রতিক নয়, ২০১৩ সালের
বিভ্রান্তিকর
৫ অক্টোবর ২০২৬

হাসিনা-পুতিনের বৈঠকের ছবিটি সাম্প্রতিক নয়, ২০১৩ সালের

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয়ে ছাত্রদের প্রবেশের দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৫ সালের
মিথ্যা
৫ অক্টোবর ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয়ে ছাত্রদের প্রবেশের দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৫ সালের


‘বিশ্বব্যাপী যখন বোয়িংয়ের সঙ্কট শুরু হবে, তখন সুযোগ বুঝে আমরা এগুলোকে বেশি দামে বিক্রি করে দেব’ বলে মন্তব্য করেননিরুহুল কবির রিজভী
মিথ্যা
৫ অক্টোবর ২০২৬

‘বিশ্বব্যাপী যখন বোয়িংয়ের সঙ্কট শুরু হবে, তখন সুযোগ বুঝে আমরা এগুলোকে বেশি দামে বিক্রি করে দেব’ বলে মন্তব্য করেননিরুহুল কবির রিজভী


দিল্লিতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার ভিডিওটি ২০১৯ সালের
বিভ্রান্তিকর
৪ অক্টোবর ২০২৬

দিল্লিতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার ভিডিওটি ২০১৯ সালের

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



মাশরাফি গ্রেফতার হননি, ছবিটি এআই-সৃষ্ট

ফ্যাক্ট চেক

মাশরাফি গ্রেফতার হননি, ছবিটি এআই-সৃষ্ট

১৮ মে ২০২৬

<p><span style="font-size: 24px;">মাশরাফি গ্রেফতার হননি, ছবিটি এআই-সৃষ্ট</span><br /></p>

সম্প্রতি, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা গ্রেফাতার হয়েছেন দাবি করে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভির লোগো সংবলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। 


ফটোকার্ডের ছবিতে মাশরাফিকে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় দুই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে দেখা যায়।

বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। মাশরাফি বিন মর্তুজা গ্রেফাতার হননি এবং এ দাবিতে ছড়ানো ছবিটিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি। তাছাড়া, যমুনা টিভির নামে ছড়ানো এসম্পর্কিত ফটোকার্ডটিও ভুয়া।

গণমাধ্যম কিংবা অন্যকোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে মাশরাফির গ্রেফতার হওয়ার দাবির সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ দাবিতে ছড়ানো ছবিটি আসল হওয়ার বিষয়েও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে, গুগলের বিশেষ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি সিন্থআইডির সাহায্যে  ছবিটি পরীক্ষা করলে জানা যায়, ছবিটির অধিকাংশ বা পুরোটাই গুগল এআই ব্যবহার করে তৈরি বা এডিট করা হয়েছে।


তাছাড়া, আলোচিত ফটোকার্ডটিতে যমুনা টিভির লোগো দেখা গেলেও এটি যমুনা টিভির কোনো ফটোকার্ড নয়। গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে এমন কোনো ফটোকার্ড বা সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়নি। যমুনা টিভির ফটোকার্ডের টেক্সট ফন্টের সাথে আলোচিত ফটোকার্ডটির টেক্সট ফন্টের পার্থক্য রয়েছে।


যমুনা টিভির নিউ মিডিয়া বিভাগের প্রধান রুবেল মাহমুদের সাথে বাংলাফ্যাক্টের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘এটি ভুয়া ফটোকার্ড।’


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।