| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি

বিএনপি নেতার সহযোগী গুলিবিদ্ধ হওয়ার দৃশ্যকে আ লীগ নেতা হত্যা বলে প্রচার

১০ আগস্ট ২০২৬


বিএনপি নেতার সহযোগী গুলিবিদ্ধ হওয়ার দৃশ্যকে আ লীগ নেতা হত্যা বলে প্রচার
মিথ্যা

বিএনপির নেতা কর্মীরা প্রকাশ্য আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে – এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি মিথ্যা। আসলে নোয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর সহযোগী দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য। 


এই বিষয়ে অনুসন্ধানে বনাগ্লা ভিশনের ওয়েবসাইটে গত ৭ আগস্টে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদন ত্থেকে জানা যায়, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় গত ৬ আগস্ট রাত পৌনে ১২টার দিকে চৌমুহনী বাজারের হকার্স মার্কেটের মূলগলির ওবায়দুলের চায়ের দোকানের সামনে জেলা বিএনপির সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হাজী আবুল কাশেমকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়লে সেই সময় তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও চৌমুহনী হকার্স মার্কেটের ফার্মেসি ব্যবসায়ী ইয়াছিন সেন্টু গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।


নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) আনম ইমরান খান গণমাধ্যমটিকে জানান, ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপি নেতা কাশেমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। তা লক্ষ্যভ্রষ্ট লাগল সহযোগীর বুকে।    


সমকালের ওয়েবসাইটে ৯ আগস্ট প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এক সংবাদ সম্মেলনে আবুল কাশেম এ ঘটনার জন্য ছোট ভাই মো. আবুল হোসেন ও তাঁর ছেলে ইয়াসিন আরাফাত হৃদয়কে দায়ী করেন। তবে আরেক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এবং তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। 


প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টারসহ একাধিক গণমাধ্যমেও একই তথ্যে সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে এসব প্রতিবেদনে কোথাও ইয়াছিন সেন্টু আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন কিংবা তিনি মারা গেছেন এমন তথ্য উল্লেখ পাওয়া যায়নি। 


অর্থাৎ, দাবিটি মিথ্যা।





Topics:

BNP ভুয়া মিথ্যা

চ্যানেল ২৪ এর ফটোকার্ড বিকৃত করে তথ্য উপদেষ্টার নামে অপপ্রচার
মিথ্যা
১০ আগস্ট ২০২৬

চ্যানেল ২৪ এর ফটোকার্ড বিকৃত করে তথ্য উপদেষ্টার নামে অপপ্রচার

শিক্ষককে মারধরের ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
মিথ্যা
১০ আগস্ট ২০২৬

শিক্ষককে মারধরের ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

ভারতের ভিডিও ছড়িয়ে বিএনপি কর্মীদের হাতে আওয়ামী লীগ নেতা হত্যার মিথ্যা দাবি প্রচার
১০ আগস্ট ২০২৬

ভারতের ভিডিও ছড়িয়ে বিএনপি কর্মীদের হাতে আওয়ামী লীগ নেতা হত্যার মিথ্যা দাবি প্রচার

ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিবাদ মশাল মিছিলকে আওয়ামী লীগের মিছিল দাবিতে প্রচার
৯ আগস্ট ২০২৬

ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিবাদ মশাল মিছিলকে আওয়ামী লীগের মিছিল দাবিতে প্রচার

সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহের নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার
৯ আগস্ট ২০২৬

সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহের নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



বিএনপি নেতার সহযোগী গুলিবিদ্ধ হওয়ার দৃশ্যকে আ লীগ নেতা হত্যা বলে প্রচার

ফ্যাক্ট চেক

বিএনপি নেতার সহযোগী গুলিবিদ্ধ হওয়ার দৃশ্যকে আ লীগ নেতা হত্যা বলে প্রচার

১০ আগস্ট ২০২৬

<p>বিএনপি নেতার সহযোগী গুলিবিদ্ধ হওয়ার দৃশ্যকে আ লীগ নেতা হত্যা বলে প্রচার 
<br /></p>

বিএনপির নেতা কর্মীরা প্রকাশ্য আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে – এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি মিথ্যা। আসলে নোয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর সহযোগী দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য। 


এই বিষয়ে অনুসন্ধানে বনাগ্লা ভিশনের ওয়েবসাইটে গত ৭ আগস্টে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদন ত্থেকে জানা যায়, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় গত ৬ আগস্ট রাত পৌনে ১২টার দিকে চৌমুহনী বাজারের হকার্স মার্কেটের মূলগলির ওবায়দুলের চায়ের দোকানের সামনে জেলা বিএনপির সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হাজী আবুল কাশেমকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়লে সেই সময় তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও চৌমুহনী হকার্স মার্কেটের ফার্মেসি ব্যবসায়ী ইয়াছিন সেন্টু গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।


নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) আনম ইমরান খান গণমাধ্যমটিকে জানান, ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপি নেতা কাশেমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। তা লক্ষ্যভ্রষ্ট লাগল সহযোগীর বুকে।    


সমকালের ওয়েবসাইটে ৯ আগস্ট প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এক সংবাদ সম্মেলনে আবুল কাশেম এ ঘটনার জন্য ছোট ভাই মো. আবুল হোসেন ও তাঁর ছেলে ইয়াসিন আরাফাত হৃদয়কে দায়ী করেন। তবে আরেক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এবং তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। 


প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টারসহ একাধিক গণমাধ্যমেও একই তথ্যে সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে এসব প্রতিবেদনে কোথাও ইয়াছিন সেন্টু আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন কিংবা তিনি মারা গেছেন এমন তথ্য উল্লেখ পাওয়া যায়নি। 


অর্থাৎ, দাবিটি মিথ্যা।