| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের খবরটি ভিত্তিহীন

৩১ আগস্ট ২০২৬



শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের খবরটি ভিত্তিহীন
মিথ্যা

সম্প্রতি ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন’ শিরোনামে একটি তথ্য সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো হচ্ছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি সঠিক নয় । কোনো তথ্যপ্রমান ছাড়াই দাবিটি ইন্টারনেটে প্রচার করা হচ্ছে। 


আলোচিত দাবিতে প্রচারিত পোস্টে এই দাবির পক্ষে কোনো তথ্যসূত্র উল্লেখ করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে মূলধারার গণমাধ্যম কিংবা অন্যকোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। 


তবে, বাংলাদেশ সংবাদসংস্থা বাসসের ওয়েবসাইটে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের দায়ের করা ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের ১৭ বছর যাবৎ বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এছাড়াও, বিডিনিউজ২৪ এর ওয়েবসাইটে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার সহস্রাধিক মামলা প্রত্যাহার’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও এবিষয়ে একই তথ্য জানা যায়। 


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।





Topics:



ইয়র্কের বিমানবন্দরে ড. ইউনুসের ওপর ময়দা ছুড়ে মারার দাবিটি মিথ্যা
মিথ্যা
১৫ অক্টোবর ২০২৬

ইয়র্কের বিমানবন্দরে ড. ইউনুসের ওপর ময়দা ছুড়ে মারার দাবিটি মিথ্যা

পারিবারিক কলহের দৃশ্যকে ছাত্রলীগ নেতার মাকে নির্যাতন বলে প্রচার
মিথ্যা
১১ অক্টোবর ২০২৬

পারিবারিক কলহের দৃশ্যকে ছাত্রলীগ নেতার মাকে নির্যাতন বলে প্রচার

হাসিনা-পুতিনের বৈঠকের ছবিটি সাম্প্রতিক নয়, ২০১৩ সালের
বিভ্রান্তিকর
৫ অক্টোবর ২০২৬

হাসিনা-পুতিনের বৈঠকের ছবিটি সাম্প্রতিক নয়, ২০১৩ সালের

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয়ে ছাত্রদের প্রবেশের দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৫ সালের
মিথ্যা
৫ অক্টোবর ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয়ে ছাত্রদের প্রবেশের দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৫ সালের


‘বিশ্বব্যাপী যখন বোয়িংয়ের সঙ্কট শুরু হবে, তখন সুযোগ বুঝে আমরা এগুলোকে বেশি দামে বিক্রি করে দেব’ বলে মন্তব্য করেননিরুহুল কবির রিজভী
মিথ্যা
৫ অক্টোবর ২০২৬

‘বিশ্বব্যাপী যখন বোয়িংয়ের সঙ্কট শুরু হবে, তখন সুযোগ বুঝে আমরা এগুলোকে বেশি দামে বিক্রি করে দেব’ বলে মন্তব্য করেননিরুহুল কবির রিজভী

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!




শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের খবরটি ভিত্তিহীন

ফ্যাক্ট চেক

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের খবরটি ভিত্তিহীন

৩১ আগস্ট ২০২৬

<p>
<span style="font-family: &quot;Noto Serif Bengali&quot;, serif; color: rgb(34, 34, 34); background-color: transparent; font-weight: 700; font-variant: normal; text-decoration: none; vertical-align: baseline; white-space: pre-wrap; font-size: 24px;">শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের খবরটি ভিত্তিহীন</span>
<br /></p>

সম্প্রতি ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন’ শিরোনামে একটি তথ্য সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো হচ্ছে।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি সঠিক নয় । কোনো তথ্যপ্রমান ছাড়াই দাবিটি ইন্টারনেটে প্রচার করা হচ্ছে। 


আলোচিত দাবিতে প্রচারিত পোস্টে এই দাবির পক্ষে কোনো তথ্যসূত্র উল্লেখ করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে মূলধারার গণমাধ্যম কিংবা অন্যকোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। 


তবে, বাংলাদেশ সংবাদসংস্থা বাসসের ওয়েবসাইটে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের দায়ের করা ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের ১৭ বছর যাবৎ বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এছাড়াও, বিডিনিউজ২৪ এর ওয়েবসাইটে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার সহস্রাধিক মামলা প্রত্যাহার’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও এবিষয়ে একই তথ্য জানা যায়। 


অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।