| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
ঐকমত্য কমিশনের খরচ নিয়ে অপপ্রচার
৭ নভেম্বর ২০২৫
সম্প্রতি ঐকমত্য কমিশনে ৮৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে একটি টকশোতে তথ্যসূত্রহীন মন্তব্য করেছেন মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর। যদিও সরকারি ভাষ্যমতে, কমিশনের মোট বাজেটই ছিল ৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে মাত্র ২৩% ব্যবহৃত হয়েছে এবং বাকিটা ফেরত দেয়া হয়েছে।
মোশাররফ আহমেদের সেই প্রমাণহীন মন্তব্যকে আরও বিকৃত করে প্রচার করেছে আওয়ামী-প্রপাগান্ডা পেইজ “আজকের কণ্ঠ” ও শেখ হাসিনার সাবেক উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন।
NEWS24 চ্যানেলের “জনতন্ত্র গণতন্ত্র” টকশোতে বিএনপি নেতা ও শিক্ষক মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর বলেন, “মাত্র নয় মাসে আমি দেখলাম যে বিভিন্ন সোর্স থেকে, ৮৩ কোটি টাকার খাওয়া-দাওয়া করেছে… সবাইকে নিয়ে ৮৩ কোটি খাওয়া-দাওয়া করেছেন এবং সেখান থেকে যে বেতন-ভাতা নিয়েছেন…”।
গ্লোবাল টেলিভিশন (Global TV) এর ‘প্রশ্নগুলো সহজ’ শীর্ষক টকশোতেও দেখা যায়, মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রিয়াজকে উদ্দেশ্য করে বলছেন, “৮৩ কোটি টাকা খরচ করছেন নয় মাসে। ৮৩ কোটি টাকা খরচ করে আলী রীয়াজ আপনি পালালেন কেন? আপনি পালালেন কেন?...” স্পষ্টত বোঝা যাচ্ছে, মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর ঐকমত্য কমিশনের যাবতীয় কাজের খরচ হিসেবে ৮৩ কোটি টাকার কথা বলেছেন।
তবে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বাংলাফ্যাক্টকে জানান, ঐকমত্য কমিশনের মোট বরাদ্দই ছিল ৭ কোটি টাকা, ৮৩ কোটি নয়। এর মধ্যে প্রায় ২৩ শতাংশ অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে, আর অবশিষ্ট টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এই ব্যয় অন্তর্ভুক্ত ছিল কমিশনের নিরাপত্তা, পরিবহন, খাওয়াদাওয়া ও অন্যান্য প্রশাসনিক খরচ।
কিন্তু মোশাররফ আহমেদ ঠাকুরের এই দেয়া এই ভুয়া তথ্যটিকে আরও বিকৃত করে আশরাফুল আলম খোকন একে ‘খাবারের বিল’ আখ্যা দিয়ে মাসিক খাবারের বিল কত হয়েছে সে বিশ্লেষণ করে পোস্ট দিয়েছেন।
আজকের কণ্ঠ নামক পেইজটিও অনুরূপ “বিশ্লেষণ” দিয়ে একটি পোস্ট করে যা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর পেইজ থেকে ঘন্টায় খাবারের বিল কত উঠেছে তা নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, বিগত কয়েকমাস যাবত ‘আজকের কণ্ঠ’ আওয়ামীলীগের প্রপাগান্ডা-পেজ হিসেবে সক্রিয় রয়েছে। বিভিন্ন সময় এই পেজ থেকে ফটোকার্ড তৈরির মাধ্যমে গণমাধ্যমের ছদ্মবেশে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব এবং অপতথ্য ছড়ানো হয়। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেদারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে পরিচালিত পেইজটি নিয়ে বাংলাফ্যাক্ট পূর্বে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান চালিয়েছিল। (সেই প্রতিবেদন দেখুন এখানে)
ঐকমত কমিশনের যাবতীয় কাজের খরচ নিয়ে মোশাররফ আহমেদ ঠাকুরের বক্তব্য যে সত্য নয়, তা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মুনীর হায়দার প্রদত্ত তথ্য থেকে স্পষ্ট। মোশাররফ আহমেদ টকশোতে দাবি করেছেন, তিনি “বিভিন্ন সোর্স থেকে” এই তথ্যগুলো পেয়েছেন। কিন্তু সেসব সোর্স কী বা কারা, সেগুলোর গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু, তা নিয়ে কিছু বলেননি।
পাশাপাশি, টকশোতে মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর অধ্যাপক আলী রিয়াজকে উদ্দেশ্য করে “পালালেন কেন” প্রশ্নও করেছেন। তবে বাস্তবে, ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ৩১ অক্টোবর। স্বাভাবিকভাবেই অধ্যাপক আলী রিয়াজ আবার ইলিনয় স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষকতা পেশায় ফিরেছেন, যেখানে তিনি কমিশনের কাজের জন্য ছুটি নিয়েছিলেন। মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর এটি ‘পালানো’ হিসেবে উপস্থাপন করে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা প্রকৃত বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।
এদিকে মূলধারার গণমাধ্যম কালের কণ্ঠ, ইনকিলাব, আমাদের সময় ইত্যাদি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে মোশাররফ আহমেদের বক্তব্য হিসেবে “নয় মাসে ৮৩ কোটি টাকা খরচ করে আলী রীয়াজ পালালেন কেন?” প্রশ্নটি নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করা হলে, অনেক পাঠক এই বক্তব্যকে ‘তথ্য’ ধরে নিয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছেন।
যেমন, কালের কণ্ঠের “নয় মাসে ৮৩ কোটি টাকা খরচ করে আলী রীয়াজ পালালেন কেন—প্রশ্ন মোশাররফ আহমেদের” শিরোনামের ফটোকার্ড শেয়ার করে একজন লিখেছেন “মার্কিন নাগরিক বিদেশ থেকে এসে দেশের জন্য আইন তৈরি করে সেইফ এক্সিট নিয়ে আবার বিদেশ চলে গেলেন।” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “এত টাকা কিভাবে খরচ হল জনগণকে জানানো উচিত।” অর্থাৎ একজনের মন্তব্য হিসেবে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর সেটি থেকেও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
এখানে উল্লেখ্য যে, গত ৮ আগস্ট ঐকমত্য কমিশনের খরচের ব্যাপারে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করলে, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মুনীর হায়দার বলেন, কমিশন নিজে কোনো খরচ করেনি। ঐকমত কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে কাজ করে, একে সাচিবিক সহায়তা দেয় আইন মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়ের ইচ্ছায় সংসদ বিষয়ক সচিবালয়। এ সংক্রান্ত যাবতীয় খরচ নির্বাহ করে এই দুই সচিবালয়।
অর্থাৎ, ঐকমত্য কমিশন ‘৮৩ কোটি’ টাকা খরচ করেছে বলে যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা মিথ্যা। পাশাপাশি, এটি ‘খাবারের বিল’ হিসেবে উপস্থাপন করা যে ফটোকার্ড ও পোস্টগুলো সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলোও অপতথ্য।
Topics:
ফটোকার্ড নকল করে ঢাকায় নিযুক্ত বর্তমান জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
এনসিপি নেত্রী মাহমুদা মিতুকে জড়িয়ে কালের কণ্ঠের নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার
একাত্তর টিভির ফটোকার্ড নকল করে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
বাংলাদেশের ভূমিকম্পের ঘটনায় পুরোনো ও এআই-সৃষ্ট দৃশ্যের প্রচার
হাসিনা-জয়ের মন্তব্যকে রয়টার্সের বলে প্রচার
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
ফ্যাক্ট চেক
ঐকমত্য কমিশনের খরচ নিয়ে অপপ্রচার
৭ নভেম্বর ২০২৫
সম্প্রতি ঐকমত্য কমিশনে ৮৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে একটি টকশোতে তথ্যসূত্রহীন মন্তব্য করেছেন মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর। যদিও সরকারি ভাষ্যমতে, কমিশনের মোট বাজেটই ছিল ৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে মাত্র ২৩% ব্যবহৃত হয়েছে এবং বাকিটা ফেরত দেয়া হয়েছে।
মোশাররফ আহমেদের সেই প্রমাণহীন মন্তব্যকে আরও বিকৃত করে প্রচার করেছে আওয়ামী-প্রপাগান্ডা পেইজ “আজকের কণ্ঠ” ও শেখ হাসিনার সাবেক উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন।
NEWS24 চ্যানেলের “জনতন্ত্র গণতন্ত্র” টকশোতে বিএনপি নেতা ও শিক্ষক মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর বলেন, “মাত্র নয় মাসে আমি দেখলাম যে বিভিন্ন সোর্স থেকে, ৮৩ কোটি টাকার খাওয়া-দাওয়া করেছে… সবাইকে নিয়ে ৮৩ কোটি খাওয়া-দাওয়া করেছেন এবং সেখান থেকে যে বেতন-ভাতা নিয়েছেন…”।
গ্লোবাল টেলিভিশন (Global TV) এর ‘প্রশ্নগুলো সহজ’ শীর্ষক টকশোতেও দেখা যায়, মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রিয়াজকে উদ্দেশ্য করে বলছেন, “৮৩ কোটি টাকা খরচ করছেন নয় মাসে। ৮৩ কোটি টাকা খরচ করে আলী রীয়াজ আপনি পালালেন কেন? আপনি পালালেন কেন?...” স্পষ্টত বোঝা যাচ্ছে, মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর ঐকমত্য কমিশনের যাবতীয় কাজের খরচ হিসেবে ৮৩ কোটি টাকার কথা বলেছেন।
তবে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বাংলাফ্যাক্টকে জানান, ঐকমত্য কমিশনের মোট বরাদ্দই ছিল ৭ কোটি টাকা, ৮৩ কোটি নয়। এর মধ্যে প্রায় ২৩ শতাংশ অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে, আর অবশিষ্ট টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এই ব্যয় অন্তর্ভুক্ত ছিল কমিশনের নিরাপত্তা, পরিবহন, খাওয়াদাওয়া ও অন্যান্য প্রশাসনিক খরচ।
কিন্তু মোশাররফ আহমেদ ঠাকুরের এই দেয়া এই ভুয়া তথ্যটিকে আরও বিকৃত করে আশরাফুল আলম খোকন একে ‘খাবারের বিল’ আখ্যা দিয়ে মাসিক খাবারের বিল কত হয়েছে সে বিশ্লেষণ করে পোস্ট দিয়েছেন।
আজকের কণ্ঠ নামক পেইজটিও অনুরূপ “বিশ্লেষণ” দিয়ে একটি পোস্ট করে যা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর পেইজ থেকে ঘন্টায় খাবারের বিল কত উঠেছে তা নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, বিগত কয়েকমাস যাবত ‘আজকের কণ্ঠ’ আওয়ামীলীগের প্রপাগান্ডা-পেজ হিসেবে সক্রিয় রয়েছে। বিভিন্ন সময় এই পেজ থেকে ফটোকার্ড তৈরির মাধ্যমে গণমাধ্যমের ছদ্মবেশে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব এবং অপতথ্য ছড়ানো হয়। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেদারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে পরিচালিত পেইজটি নিয়ে বাংলাফ্যাক্ট পূর্বে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান চালিয়েছিল। (সেই প্রতিবেদন দেখুন এখানে)
ঐকমত কমিশনের যাবতীয় কাজের খরচ নিয়ে মোশাররফ আহমেদ ঠাকুরের বক্তব্য যে সত্য নয়, তা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মুনীর হায়দার প্রদত্ত তথ্য থেকে স্পষ্ট। মোশাররফ আহমেদ টকশোতে দাবি করেছেন, তিনি “বিভিন্ন সোর্স থেকে” এই তথ্যগুলো পেয়েছেন। কিন্তু সেসব সোর্স কী বা কারা, সেগুলোর গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু, তা নিয়ে কিছু বলেননি।
পাশাপাশি, টকশোতে মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর অধ্যাপক আলী রিয়াজকে উদ্দেশ্য করে “পালালেন কেন” প্রশ্নও করেছেন। তবে বাস্তবে, ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ৩১ অক্টোবর। স্বাভাবিকভাবেই অধ্যাপক আলী রিয়াজ আবার ইলিনয় স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষকতা পেশায় ফিরেছেন, যেখানে তিনি কমিশনের কাজের জন্য ছুটি নিয়েছিলেন। মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর এটি ‘পালানো’ হিসেবে উপস্থাপন করে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা প্রকৃত বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।
এদিকে মূলধারার গণমাধ্যম কালের কণ্ঠ, ইনকিলাব, আমাদের সময় ইত্যাদি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে মোশাররফ আহমেদের বক্তব্য হিসেবে “নয় মাসে ৮৩ কোটি টাকা খরচ করে আলী রীয়াজ পালালেন কেন?” প্রশ্নটি নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করা হলে, অনেক পাঠক এই বক্তব্যকে ‘তথ্য’ ধরে নিয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছেন।
যেমন, কালের কণ্ঠের “নয় মাসে ৮৩ কোটি টাকা খরচ করে আলী রীয়াজ পালালেন কেন—প্রশ্ন মোশাররফ আহমেদের” শিরোনামের ফটোকার্ড শেয়ার করে একজন লিখেছেন “মার্কিন নাগরিক বিদেশ থেকে এসে দেশের জন্য আইন তৈরি করে সেইফ এক্সিট নিয়ে আবার বিদেশ চলে গেলেন।” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “এত টাকা কিভাবে খরচ হল জনগণকে জানানো উচিত।” অর্থাৎ একজনের মন্তব্য হিসেবে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর সেটি থেকেও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
এখানে উল্লেখ্য যে, গত ৮ আগস্ট ঐকমত্য কমিশনের খরচের ব্যাপারে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করলে, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মুনীর হায়দার বলেন, কমিশন নিজে কোনো খরচ করেনি। ঐকমত কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে কাজ করে, একে সাচিবিক সহায়তা দেয় আইন মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়ের ইচ্ছায় সংসদ বিষয়ক সচিবালয়। এ সংক্রান্ত যাবতীয় খরচ নির্বাহ করে এই দুই সচিবালয়।
অর্থাৎ, ঐকমত্য কমিশন ‘৮৩ কোটি’ টাকা খরচ করেছে বলে যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা মিথ্যা। পাশাপাশি, এটি ‘খাবারের বিল’ হিসেবে উপস্থাপন করা যে ফটোকার্ড ও পোস্টগুলো সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলোও অপতথ্য।