| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
বাংলাদেশের ৬০ শতাংশ ভোটারের আওয়ামী লীগকে পছন্দ করার দাবিটি মিথ্যা
৮ অক্টোবর ২০২৬
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের ৬০ শতাংশ ভোটারের পছন্দ আওয়ামী লীগ। তবে দাবিটি সঠিক নয়। ফটোকার্ডের ছবিটি এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (ইএএসডি) নামের একটি বেসরকারি সংস্থার করা জনমত জরিপের ফলাফল তুলে ধরার সময়ে ধারণকৃত। সংস্থাটির জরিপ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ নয়, আসলে বিএনপির প্রতি সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ সমর্থনের কথা বলা হয়েছে।
আলোচিত ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে গত ৫ জানুয়ারি ‘বিএনপিকে ভোট দিতে চায় ৭০ শতাংশ মানুষ’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি বেসরকারি সংস্থা এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (ইএএসডি) এই জনমত জরিপ চালায়। গত ৫ জানুয়ারি বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে কেআইবি মিলনায়তনে জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন ইএএসডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হায়দার তালুকদার। সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসন থেকে সশরীর ২০ হাজার ৪৯৫ জনের মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত জরিপটি করা হয়েছে।
সংস্থাটির জরিপে বিএনপির প্রতি সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ সমর্থনের কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও, ১৯ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেবেন। ২ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ এনসিপিকে ভোট দিতে চান। আর অন্যান্য দলকে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ৫ শতাংশ মানুষ। ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন ০ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ।
দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও এ বিষয়ে একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, বাংলাদেশের ৬০ শতাংশ ভোটারের আওয়ামী লীগকে পছন্দ করার দাবিটি মিথ্যা।
Topics:
হাসিনা-পুতিনের বৈঠকের ছবিটি সাম্প্রতিক নয়, ২০১৩ সালের
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয়ে ছাত্রদের প্রবেশের দাবিটি মিথ্যা, ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৫ সালের
‘বিশ্বব্যাপী যখন বোয়িংয়ের সঙ্কট শুরু হবে, তখন সুযোগ বুঝে আমরা এগুলোকে বেশি দামে বিক্রি করে দেব’ বলে মন্তব্য করেননিরুহুল কবির রিজভী
দিল্লিতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার ভিডিওটি ২০১৯ সালের
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের নৈশভোজে অংশ নেওয়ার ছবিটি আসল
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
একাধিক গণমাধ্যমের ফটোকার্ড নকল করে নাহিদ ইসলামের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
১৫ সেপ্টেম্বর মাদারীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের মশাল মিছিল দাবি করে পুরোনো ভিন্ন ঘটনার ভিডিও প্রচার
কুমিল্লায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে কেন্দ্র ভাঙচুর দাবি করে ৪ বছর পুরনো ভিডিও প্রচার
এনসিপি নেত্রী মাহমুদা মিতুকে জড়িয়ে কালের কণ্ঠের নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার
ফ্যাক্ট চেক
বাংলাদেশের ৬০ শতাংশ ভোটারের আওয়ামী লীগকে পছন্দ করার দাবিটি মিথ্যা
৮ অক্টোবর ২০২৬
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের ৬০ শতাংশ ভোটারের পছন্দ আওয়ামী লীগ। তবে দাবিটি সঠিক নয়। ফটোকার্ডের ছবিটি এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (ইএএসডি) নামের একটি বেসরকারি সংস্থার করা জনমত জরিপের ফলাফল তুলে ধরার সময়ে ধারণকৃত। সংস্থাটির জরিপ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ নয়, আসলে বিএনপির প্রতি সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ সমর্থনের কথা বলা হয়েছে।
আলোচিত ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে গত ৫ জানুয়ারি ‘বিএনপিকে ভোট দিতে চায় ৭০ শতাংশ মানুষ’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি বেসরকারি সংস্থা এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (ইএএসডি) এই জনমত জরিপ চালায়। গত ৫ জানুয়ারি বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে কেআইবি মিলনায়তনে জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন ইএএসডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হায়দার তালুকদার। সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসন থেকে সশরীর ২০ হাজার ৪৯৫ জনের মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত জরিপটি করা হয়েছে।
সংস্থাটির জরিপে বিএনপির প্রতি সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ সমর্থনের কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও, ১৯ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেবেন। ২ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ এনসিপিকে ভোট দিতে চান। আর অন্যান্য দলকে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ৫ শতাংশ মানুষ। ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন ০ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ।
দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও এ বিষয়ে একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, বাংলাদেশের ৬০ শতাংশ ভোটারের আওয়ামী লীগকে পছন্দ করার দাবিটি মিথ্যা।