| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

নারী হেনস্তার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

২১ মে ২০২৬


নারী হেনস্তার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
বিভ্রান্তিকর

ঢাকার বাড্ডায় এক নারীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করা হয়েছে—এমন দাবিতে একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক নারী পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এক ছেলে পেছন থেকে এসে তার পোশাক ধরে টান দেয়।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, আলোচিত ভিডিওটি বাংলাদেশের কোনো ঘটনার নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের হায়দরাবাদে ১৪ মে ২০২৬ ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ। ওই ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।


ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধান করলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র ওয়েবসাইটে ২০ মে ‘On Camera, Hyderabad Teen Lifts Woman's Dress, Runs Away, Probe On’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। 


প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, ঘটনাটি গত ১৪ মে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটে ভারতের হায়দরাবাদের মানিকান্দা-নেকনমপুর এলাকার নারসিঙ্গি থানার অন্তর্গত আলকাপুর টাউনশিপের প্রণতি ঈশা অ্যাপার্টমেন্টের কাছে ঘটে। ভিডিওটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর নারসিঙ্গি পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে বিশেষ দল গঠন করেছে।


প্রতিবেদনটি থেকে আরও জানা যায়, তদন্তের অংশ হিসেবে তদন্তকারীরা ইতিমধ্যে ওই এলাকা ও তার আশেপাশে প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি সিসিটিভি ক্যামেরা পরীক্ষা করেছেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশের কাছে আবেদন করেননি এবং তাঁর পরিচয়ও অজানা রয়ে গেছে। তবে অজ্ঞাতপরিচয় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (suo motu) তদন্ত শুরু করেছে।



এছাড়াও, ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমেও (,) ভিডিওটির বিষয়ে একই তথ্য পাওয়া যায়।



অর্থাৎ, ভারতের হায়দরাবাদের একটি ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজকে বাংলাদেশের বাড্ডায় এক নারীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার দাবি করে প্রচার করা হচ্ছে, যা বিভ্রান্তিকর।






Topics:



পিংক বাসের নারী ড্রাইভারদের জন্য হিজাব বাধ্যতামূলক করার প্রচারণাটি সঠিক নয়
মিথ্যা
১৯ আগস্ট ২০২৬

পিংক বাসের নারী ড্রাইভারদের জন্য হিজাব বাধ্যতামূলক করার প্রচারণাটি সঠিক নয়

শ্রীপুরের হারিন্দি গ্রামে হিন্দু নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দাবিটি মিথ্যা
মিথ্যা
১৯ আগস্ট ২০২৬

শ্রীপুরের হারিন্দি গ্রামে হিন্দু নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দাবিটি মিথ্যা


 নারীদের ‘আলাদা বাস’ নিয়ে জাবি অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খানের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
মিথ্যা
১৯ আগস্ট ২০২৬

 নারীদের ‘আলাদা বাস’ নিয়ে জাবি অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খানের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার


শেখ মুজিবকে শ্রদ্ধা জানানো সেলিব্রেটিদের ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ বলেননি মানসুরা আলম
মিথ্যা
১৭ আগস্ট ২০২৬

শেখ মুজিবকে শ্রদ্ধা জানানো সেলিব্রেটিদের ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ বলেননি মানসুরা আলম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার 
মিথ্যা
১৬ আগস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার 

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



নারী হেনস্তার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

ফ্যাক্ট চেক

নারী হেনস্তার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের

২১ মে ২০২৬

<p>নারী হেনস্তার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের<br /></p>

ঢাকার বাড্ডায় এক নারীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করা হয়েছে—এমন দাবিতে একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক নারী পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এক ছেলে পেছন থেকে এসে তার পোশাক ধরে টান দেয়।


বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, আলোচিত ভিডিওটি বাংলাদেশের কোনো ঘটনার নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের হায়দরাবাদে ১৪ মে ২০২৬ ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ। ওই ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।


ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধান করলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র ওয়েবসাইটে ২০ মে ‘On Camera, Hyderabad Teen Lifts Woman's Dress, Runs Away, Probe On’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। 


প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, ঘটনাটি গত ১৪ মে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটে ভারতের হায়দরাবাদের মানিকান্দা-নেকনমপুর এলাকার নারসিঙ্গি থানার অন্তর্গত আলকাপুর টাউনশিপের প্রণতি ঈশা অ্যাপার্টমেন্টের কাছে ঘটে। ভিডিওটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর নারসিঙ্গি পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে বিশেষ দল গঠন করেছে।


প্রতিবেদনটি থেকে আরও জানা যায়, তদন্তের অংশ হিসেবে তদন্তকারীরা ইতিমধ্যে ওই এলাকা ও তার আশেপাশে প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি সিসিটিভি ক্যামেরা পরীক্ষা করেছেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশের কাছে আবেদন করেননি এবং তাঁর পরিচয়ও অজানা রয়ে গেছে। তবে অজ্ঞাতপরিচয় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (suo motu) তদন্ত শুরু করেছে।



এছাড়াও, ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমেও (,) ভিডিওটির বিষয়ে একই তথ্য পাওয়া যায়।



অর্থাৎ, ভারতের হায়দরাবাদের একটি ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজকে বাংলাদেশের বাড্ডায় এক নারীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার দাবি করে প্রচার করা হচ্ছে, যা বিভ্রান্তিকর।